সিলেট প্রতিনিধি

“আমি যদি নির্বাচিত হই, এই দুই উপজেলায় পুলিশ আমাকে জিজ্ঞেস না করে কারও বাড়িতে যাইতে পারবে না।” জামায়াতে ইসলামীর নেতা মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন আজ মঙ্গলবার নির্বাচনী প্রচারসভায় এ কথা বলেন।
যে দুই উপজেলার কথা সেলিম উদ্দিন বলেছেন, তা হলো–সিলেটের গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার। সিলেট-৬ আসনে ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী তিনি।
মঙ্গলবার সকালে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় এ নির্বাচনী জনসভা হয়। এতে সেলিম উদ্দিন বলেন, “আমরা সিলেটের মানুষেরা- আত্মসম্মানবোধ আমাদের রয়েছে। কারও বাড়িতে পুলিশ যাওয়া মানে তার চৌদ্দ পুরুষের, তার বংশের কপালে তিলক লাগানোর নামান্তর।”
সেলিম উদ্দিন বলেন, “যখন-তখন কিছু থানার দালালেরা দারোগা সাহবদেরকে ব্যবহার করে পুলিশকে পাঠায় এবং মামলার নামে বাণিজ্য করে। ইনশাআল্লাহ আমি যদি নির্বাচিত হই, এই দুই উপজেলায় পুলিশ আমাকে জিজ্ঞেস না করে কারও বাড়িতে যাইতে পারবে না। যেতে হলে তাদেরকে যথেষ্ট প্রমাণ দিতে হবে, যার বাড়িতে যাচ্ছে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আছে–এই প্রমাণ না দিয়ে কোনো দারোগা সাহেব কারো বাড়িতে যাবে না, আমি ফাইনাল কথা বলে দিলাম।”
জামায়াত প্রার্থী বলেন, “আপনারা যদি ব্যাংকে টাকা উঠিয়ে বাড়িতে নিরাপদে যেতে চান, তাহলে দাঁড়িপাল্লাকে ভোট দেবেন। তা না হলে ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে বাড়িতে যেতে পারবেন না। এমনকি মাছের বাজার করে মাছের ব্যাগ নিয়েও সামনে বাড়িতে যেতে পারবেন না।”
সেলিম উদ্দিন বলেন, “কী রাজনীতি! ধিক্কার এই রাজনীতির প্রতি। কেউ বাড়ি বানাচ্ছে, তোমাকে যাইয়া চান্দা দিতে হবে। কেউ দোকান তৈরি করছে, তুমি রাজনীতির নোংরা কীট, তোমাকে চান্দা দিতে হবে। কেউ একটা পেট্রোল পাম্প দিছে–তুমি তেল কিনে পয়সা না দিয়ে চলে যাবা, বললে তার গালে মারবা এই সুযোগ গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের কেউ আর পাবেন না।”
কারও গায়ে হাত তোলা যাবে না বলে সতর্ক করে এই নেতা বলেন, “মরা দেখব, এরকম কোনো নিরীহ ব্যবসায়ী এবং জনগণের গায়ে যদি কেউ হাত তুলে, এটা আমার ওপর হাত তোলার নামান্তর হবে। এবং আমি এর বিরুদ্ধে জনগণকে সাথে নিয়ে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলব। সংগ্রামী ভাইয়েরা আমার, আমরা অফিসে গিয়ে টাকা দেওয়া ছাড়া, ঘুষ দেওয়া ছাড়া এক শ পারসেন্ট সার্ভিস নিশ্চিত করব।”

“আমি যদি নির্বাচিত হই, এই দুই উপজেলায় পুলিশ আমাকে জিজ্ঞেস না করে কারও বাড়িতে যাইতে পারবে না।” জামায়াতে ইসলামীর নেতা মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন আজ মঙ্গলবার নির্বাচনী প্রচারসভায় এ কথা বলেন।
যে দুই উপজেলার কথা সেলিম উদ্দিন বলেছেন, তা হলো–সিলেটের গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার। সিলেট-৬ আসনে ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী তিনি।
মঙ্গলবার সকালে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় এ নির্বাচনী জনসভা হয়। এতে সেলিম উদ্দিন বলেন, “আমরা সিলেটের মানুষেরা- আত্মসম্মানবোধ আমাদের রয়েছে। কারও বাড়িতে পুলিশ যাওয়া মানে তার চৌদ্দ পুরুষের, তার বংশের কপালে তিলক লাগানোর নামান্তর।”
সেলিম উদ্দিন বলেন, “যখন-তখন কিছু থানার দালালেরা দারোগা সাহবদেরকে ব্যবহার করে পুলিশকে পাঠায় এবং মামলার নামে বাণিজ্য করে। ইনশাআল্লাহ আমি যদি নির্বাচিত হই, এই দুই উপজেলায় পুলিশ আমাকে জিজ্ঞেস না করে কারও বাড়িতে যাইতে পারবে না। যেতে হলে তাদেরকে যথেষ্ট প্রমাণ দিতে হবে, যার বাড়িতে যাচ্ছে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আছে–এই প্রমাণ না দিয়ে কোনো দারোগা সাহেব কারো বাড়িতে যাবে না, আমি ফাইনাল কথা বলে দিলাম।”
জামায়াত প্রার্থী বলেন, “আপনারা যদি ব্যাংকে টাকা উঠিয়ে বাড়িতে নিরাপদে যেতে চান, তাহলে দাঁড়িপাল্লাকে ভোট দেবেন। তা না হলে ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে বাড়িতে যেতে পারবেন না। এমনকি মাছের বাজার করে মাছের ব্যাগ নিয়েও সামনে বাড়িতে যেতে পারবেন না।”
সেলিম উদ্দিন বলেন, “কী রাজনীতি! ধিক্কার এই রাজনীতির প্রতি। কেউ বাড়ি বানাচ্ছে, তোমাকে যাইয়া চান্দা দিতে হবে। কেউ দোকান তৈরি করছে, তুমি রাজনীতির নোংরা কীট, তোমাকে চান্দা দিতে হবে। কেউ একটা পেট্রোল পাম্প দিছে–তুমি তেল কিনে পয়সা না দিয়ে চলে যাবা, বললে তার গালে মারবা এই সুযোগ গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের কেউ আর পাবেন না।”
কারও গায়ে হাত তোলা যাবে না বলে সতর্ক করে এই নেতা বলেন, “মরা দেখব, এরকম কোনো নিরীহ ব্যবসায়ী এবং জনগণের গায়ে যদি কেউ হাত তুলে, এটা আমার ওপর হাত তোলার নামান্তর হবে। এবং আমি এর বিরুদ্ধে জনগণকে সাথে নিয়ে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলব। সংগ্রামী ভাইয়েরা আমার, আমরা অফিসে গিয়ে টাকা দেওয়া ছাড়া, ঘুষ দেওয়া ছাড়া এক শ পারসেন্ট সার্ভিস নিশ্চিত করব।”