স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, তিনি এবং ডেপুটি স্পিকার সংসদ পরিচালনায় ‘আম্পায়ারের ভূমিকা’ পালন করবেন।
এক সময়কার ফুটবলার হাফিজ উদ্দিন বলেন, “আপনারা নিশ্চয় ক্রিকেট খেলা দেখেন। আমি একজন সাবেক খেলোয়াড়। ক্রিকেটের মাঠে দুজন আম্পায়ার দেখেন। এখন আপনাদের সামনে দুজন আম্পায়ার। আমি এবং ডেপুটি স্পিকার দণ্ডায়মান রয়েছি। আমরা সকল ধরনের…যাতে বিরোধী দল ও সরকারি দল সম্মিলিতভাবে স্মুথলি জাতীয় সংসদ কার্যক্রম বাস্তবায়িত করতে পারে, সেজন্য আমরা নিরপেক্ষভাবে আম্পায়ারের ভূমিকা পালন করব।”
আজ শুক্রবার ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন স্পিকার।
এর আগে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান নতুন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
এক প্রশ্নের জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, “জুলাই সনদ নিয়ে একটা বিতর্ক করা হচ্ছে; এটার প্রয়োজন ছিল না। জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে যে ডিসিশন নেবে, সেটাই সবার গ্রহণ করা উচিত।”
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে হট্টগোলের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, “এমন কিছু করা ঠিক হবে না যাতে আবার ফ্যাসিবাদ ফিরে আসে। সংসদের ওয়াকআউট একটি প্রচলিত রীতি, এটা সবসময় হয়ে আসে।”
স্পিকার বলেন, “আমরা যখন বিরোধী দলে ছিলাম আমরাও করেছি। তবুও আমি বলব, তারা মোটামুটি শৃঙ্খলার মধ্যে ছিলেন। তবে সংসদে স্লোগান দেওয়াটা ঠিক না, এটা রেওয়াজের বাইরে। প্রথম দিন, অধিকাংশ সংসদ সদস্য প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হয়ে এসেছেন। সংসদীয় রীতি-রেওয়াজ আত্মস্থ করতে কিছু দিন সময় লাগতে পারে। কিন্তু তারা যা কিছু করেছেন তাদের অধিকারের মধ্যে রয়েছে। এর বেশি কিছু করবেন না বলে আমরা আশা করি।”