চরচা ডেস্ক

দক্ষিণ কোরিয়ার অপসারিত সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের স্ত্রী ও সাবেক ফার্স্ট লেডি কিম কিয়োন হিকে ঘুষ গ্রহণের দায়ে ২০ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসাথে তাকে ১২.৮৫ মিলিয়ন ওন ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং একটি দামী ডায়মন্ড নেকলেসও বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার সিওলের সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারক উ ইন-সাং এই রায় ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, কিম তার অবস্থানকে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করেছেন এবং প্রভাব কাজে লাগিয়ে সুবিধা নিয়েছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
কিম কিয়োন হির বিরুদ্ধে ইউনিফিকেশন চার্চের কাছ থেকে বিলাসবহুল উপহার গ্রহণের অভিযোগ ছিল। তদন্তে উঠে আসে, ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে জুলাই পর্যন্ত কিম চার্চের কাছ থেকে ৮০ মিলিয়ন ওন মূল্যের উপহার নিয়েছিলেন।
উপহারের তালিকায় ছিল গ্রাফ ব্র্যান্ডের ডায়মন্ড নেকলেস এবং একাধিক শ্যানেল হ্যান্ডব্যাগ, যার বিনিময়ে চার্চটি তার থেকে ব্যবসায়িক এবং রাজনৈতিক সুবিধা আশা করেছিল।
বিশেষ এক তদন্ত দল কিমের বিরুদ্ধে ১৫ বছর কারাদণ্ড এবং দুই বিলিয়ন ওন জরিমানার দাবি তুলেছিলেন। তবে আদালত ঘুষ মামলার একটি অভিযোগে শুধু দোষী সাব্যস্ত করে, বাকি অভিযোগ–স্টক মার্কেট কারসাজি ও নির্বাচনের আগে ভুয়া জরিপ গ্রহণ–থেকে তাকে খালাস দেয়। বিচারক বলেন, কিম নিজে থেকে ঘুষ দাবি করেননি এবং তার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের রেকর্ডও নেই।
রায়ের পর বিবৃতিতে কিম বলেন, “তিনি আদালতের সতর্কতা গ্রহণ করেছেন এবং ক্ষমা প্রার্থনা করেন।‘’ যদিও তিনি আগে সব অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছিলেন।
এ মামলায় সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল আগেই সেনা আইন অপব্যবহার ও বিচার ব্যাহত করার অভিযোগে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে এই প্রথম সাবেক প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডি একই সময়ে দোষী সাব্যস্ত হলেন।
কিমের বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা এখনো বিচারাধীন। এর মধ্যে রয়েছে ইউনিফিকেশন চার্চের সদস্যদের শাসকদলে নিয়োগে ভূমিকা ও উপহার গ্রহণের বিনিময়ে সরকারি চাকরির প্রতিশ্রুতি দেওয়ার অভিযোগ। তদন্তের অংশ হিসেবে চার্চের নেত্রী হান হাক-জাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ছাড়া তার অতীতেও ছিল বিতর্ক। সুকমিয়ং উইমেন্স ইউনিভার্সিটি ১৯৯৯ সালে মাস্টার্স থিসিস কপি প্রমাণিত হওয়ায় তার ডিগ্রি বাতিল হয়।

দক্ষিণ কোরিয়ার অপসারিত সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের স্ত্রী ও সাবেক ফার্স্ট লেডি কিম কিয়োন হিকে ঘুষ গ্রহণের দায়ে ২০ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসাথে তাকে ১২.৮৫ মিলিয়ন ওন ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং একটি দামী ডায়মন্ড নেকলেসও বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার সিওলের সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারক উ ইন-সাং এই রায় ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, কিম তার অবস্থানকে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করেছেন এবং প্রভাব কাজে লাগিয়ে সুবিধা নিয়েছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
কিম কিয়োন হির বিরুদ্ধে ইউনিফিকেশন চার্চের কাছ থেকে বিলাসবহুল উপহার গ্রহণের অভিযোগ ছিল। তদন্তে উঠে আসে, ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে জুলাই পর্যন্ত কিম চার্চের কাছ থেকে ৮০ মিলিয়ন ওন মূল্যের উপহার নিয়েছিলেন।
উপহারের তালিকায় ছিল গ্রাফ ব্র্যান্ডের ডায়মন্ড নেকলেস এবং একাধিক শ্যানেল হ্যান্ডব্যাগ, যার বিনিময়ে চার্চটি তার থেকে ব্যবসায়িক এবং রাজনৈতিক সুবিধা আশা করেছিল।
বিশেষ এক তদন্ত দল কিমের বিরুদ্ধে ১৫ বছর কারাদণ্ড এবং দুই বিলিয়ন ওন জরিমানার দাবি তুলেছিলেন। তবে আদালত ঘুষ মামলার একটি অভিযোগে শুধু দোষী সাব্যস্ত করে, বাকি অভিযোগ–স্টক মার্কেট কারসাজি ও নির্বাচনের আগে ভুয়া জরিপ গ্রহণ–থেকে তাকে খালাস দেয়। বিচারক বলেন, কিম নিজে থেকে ঘুষ দাবি করেননি এবং তার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের রেকর্ডও নেই।
রায়ের পর বিবৃতিতে কিম বলেন, “তিনি আদালতের সতর্কতা গ্রহণ করেছেন এবং ক্ষমা প্রার্থনা করেন।‘’ যদিও তিনি আগে সব অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছিলেন।
এ মামলায় সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল আগেই সেনা আইন অপব্যবহার ও বিচার ব্যাহত করার অভিযোগে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে এই প্রথম সাবেক প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডি একই সময়ে দোষী সাব্যস্ত হলেন।
কিমের বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা এখনো বিচারাধীন। এর মধ্যে রয়েছে ইউনিফিকেশন চার্চের সদস্যদের শাসকদলে নিয়োগে ভূমিকা ও উপহার গ্রহণের বিনিময়ে সরকারি চাকরির প্রতিশ্রুতি দেওয়ার অভিযোগ। তদন্তের অংশ হিসেবে চার্চের নেত্রী হান হাক-জাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ছাড়া তার অতীতেও ছিল বিতর্ক। সুকমিয়ং উইমেন্স ইউনিভার্সিটি ১৯৯৯ সালে মাস্টার্স থিসিস কপি প্রমাণিত হওয়ায় তার ডিগ্রি বাতিল হয়।