চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর তেজগাঁও থানার একটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় জামালপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) মো. নূর মোহাম্মদকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন।
এর আগে, শনিবার রাতে গুলশান এলাকা থেকে ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। আজ তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ সোহেল সরকার।
আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী কামরুল হোসেন, আব্দুর রহিম ও মাহবুব হোসেনসহ কয়েকজন নূর মোহাম্মদের রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে শুনানি করেন। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রিমান্ডের পক্ষে অবস্থান নিয়ে জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৮ জুন সকাল পৌনে ১০টার দিকে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানাধীন মহাখালী বাস টার্মিনাল সংলগ্ন শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণি সড়কে একটি অবৈধ মিছিল বের করা হয়। নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কর্মী ও সাবেক সংসদ সদস্য মো. নূর মোহাম্মদ তাঁর ৩০-৩৫ জন অজ্ঞাতনামা সহযোগীসহ ওই মিছিলে নেতৃত্ব দেন।
অভিযোগে বলা হয়, দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করা এবং জননিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার উদ্দেশ্যে আসামিরা লাঠিসোঁটা এবং উসকানিমূলক ব্যানার-প্লাকার্ড নিয়ে রাষ্ট্রবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে তাঁরা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অবিস্ফোরিত ককটেল, উসকানিমূলক ব্যানার, প্লাকার্ড এবং মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে করা মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে নূর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করেন, আসামি নূর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণে ঘটনার সাথে তাঁর জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় সদস্য। এই ঘটনার নেপথ্যের মূল রহস্য উদ্ঘাটন, ঘটনার সাথে জড়িত পলাতক বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার এবং সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

রাজধানীর তেজগাঁও থানার একটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় জামালপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) মো. নূর মোহাম্মদকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন।
এর আগে, শনিবার রাতে গুলশান এলাকা থেকে ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। আজ তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ সোহেল সরকার।
আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী কামরুল হোসেন, আব্দুর রহিম ও মাহবুব হোসেনসহ কয়েকজন নূর মোহাম্মদের রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে শুনানি করেন। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রিমান্ডের পক্ষে অবস্থান নিয়ে জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৮ জুন সকাল পৌনে ১০টার দিকে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানাধীন মহাখালী বাস টার্মিনাল সংলগ্ন শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণি সড়কে একটি অবৈধ মিছিল বের করা হয়। নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কর্মী ও সাবেক সংসদ সদস্য মো. নূর মোহাম্মদ তাঁর ৩০-৩৫ জন অজ্ঞাতনামা সহযোগীসহ ওই মিছিলে নেতৃত্ব দেন।
অভিযোগে বলা হয়, দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করা এবং জননিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার উদ্দেশ্যে আসামিরা লাঠিসোঁটা এবং উসকানিমূলক ব্যানার-প্লাকার্ড নিয়ে রাষ্ট্রবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে তাঁরা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অবিস্ফোরিত ককটেল, উসকানিমূলক ব্যানার, প্লাকার্ড এবং মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে করা মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে নূর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করেন, আসামি নূর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণে ঘটনার সাথে তাঁর জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় সদস্য। এই ঘটনার নেপথ্যের মূল রহস্য উদ্ঘাটন, ঘটনার সাথে জড়িত পলাতক বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার এবং সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে চোটের কারণে খেলতে পারেননি সাদমান ইসলাম। তার জায়গায় খেলা তানজিদ হাসান খুব একটা খারাপ করেননি। তবে ওপেনিং নিয়ে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংকট আবার ফিরে আসল হারারে টেস্টের প্রথম দিনে। শুরুতেই সাজঘরে ফিরেছেন একাদশে ফেরা সাদমান ও মাহমুদুল হাসান।

সংসদকে তিনি আরও জানান, ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ২১ জুন পর্যন্ত বেসরকারি শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টে প্রায় ৪৫ হাজার আবেদন পেন্ডিং হয়ে আছে। এই আবেদনগুলো নিষ্পত্তি করতে এককালীন প্রায় ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রয়োজন হবে।