চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর লালবাগ থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয় থেকে তাকে আদালতে নেওয়া হয়। ভোর ৪টার দিকে ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে তাকে আটক করে ডিবি।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম দুপুরে সাংবাদিকদের বলেন, জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত সহিংসতা, ভাঙচুর ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাবেক এই স্পিকারের বিরুদ্ধে মোট ছয়টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে তিনটি মামলায় ইতোমধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে এবং বাকি তিনটি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। লালবাগ থানার একটি নির্দিষ্ট হত্যা মামলায় তাকে আদালতে হাজিরের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
ডিবির একটি সূত্র জানিয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে শিরীন শারমিন চৌধুরী বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে ছিলেন। সর্বশেষ তিনি ধানমন্ডির ৮/এ সড়কের একটি বাসায় অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকেই ভোররাতে তাকে আটক করা হয়।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার আরও বলেন, “গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত বিভিন্ন সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনায় তার কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পৃক্ততা ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মিন্টো রোড কার্যালয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।”
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অনেক রাজনৈতিক নেতা ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সেনানিবাসে আশ্রয় নিয়েছিলেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) গত ২২ মে যে তালিকা প্রকাশ করে, তাতে শিরীন শারমিন চৌধুরীর নামও ছিল। ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর তিনি স্পিকারের পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
শিরীন শারমিন চৌধুরী ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল প্রথমবার স্পিকার নির্বাচিত হন। পরে টানা তিন মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন। সবশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবেও তিনি দায়িত্বে ছিলেন।
তার বিরুদ্ধে রংপুরে স্বর্ণশ্রমিক মুসলিম উদ্দিন হত্যা মামলাসহ উত্তরা ও বনানী থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

রাজধানীর লালবাগ থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয় থেকে তাকে আদালতে নেওয়া হয়। ভোর ৪টার দিকে ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে তাকে আটক করে ডিবি।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম দুপুরে সাংবাদিকদের বলেন, জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত সহিংসতা, ভাঙচুর ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাবেক এই স্পিকারের বিরুদ্ধে মোট ছয়টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে তিনটি মামলায় ইতোমধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে এবং বাকি তিনটি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। লালবাগ থানার একটি নির্দিষ্ট হত্যা মামলায় তাকে আদালতে হাজিরের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
ডিবির একটি সূত্র জানিয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে শিরীন শারমিন চৌধুরী বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে ছিলেন। সর্বশেষ তিনি ধানমন্ডির ৮/এ সড়কের একটি বাসায় অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকেই ভোররাতে তাকে আটক করা হয়।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার আরও বলেন, “গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত বিভিন্ন সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনায় তার কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পৃক্ততা ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মিন্টো রোড কার্যালয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।”
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অনেক রাজনৈতিক নেতা ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সেনানিবাসে আশ্রয় নিয়েছিলেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) গত ২২ মে যে তালিকা প্রকাশ করে, তাতে শিরীন শারমিন চৌধুরীর নামও ছিল। ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর তিনি স্পিকারের পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
শিরীন শারমিন চৌধুরী ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল প্রথমবার স্পিকার নির্বাচিত হন। পরে টানা তিন মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন। সবশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবেও তিনি দায়িত্বে ছিলেন।
তার বিরুদ্ধে রংপুরে স্বর্ণশ্রমিক মুসলিম উদ্দিন হত্যা মামলাসহ উত্তরা ও বনানী থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রয়াত সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলায় সিলেটের আদালতে হাজিরা দিয়েছেন শ্রম, কর্মসংস্থান, প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র ও সংসদের সরকার দলীয় হুইপ জি কে গৌছ ও লুৎফুজ্জামান বাবর।