মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে পাকিস্তানের শান্তি আলোচনার কোনো ফলাফল না আসায় আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছে, শান্তি ফেরানোর দায়িত্ব এখন ইরানের। সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের সাথে এক সাক্ষাৎকারে ইসলামাবাদে তেহরানের হাতে ওয়াশিংটনের ‘চূড়ান্ত ও সেরা প্রস্তাব’ তুলে দিয়ে ফিরে এসেছে বলে মন্তব্য করেন।
ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, “আমার মনে হয় বল এখন ইরানের কোর্টে। আমরা অনেক কিছুই খোলাখুলিভাবে তুলে ধরেছি। আমাদের শর্তগুলো অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়েছি, এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার ইরানের।”
ভ্যান্স আরও বলেন, “প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, যে দুটি বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। প্রথমত, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। দ্বিতীয়ত, ভবিষ্যতে ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিতে একটি কার্যকর যাচাই প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা।
ভ্যান্স আরও বলেন, “ইরান বলছে তারা পারমাণবিক অস্ত্র বানাবে না। কিন্তু বাস্তবেও যেন এমন ঘটে সেটি আমরা নিশ্চিত করতে চাই।”
অন্যদিকে পাকিস্তানের আলোচনা থেকে মার্কিন প্রতিনিধি দল খালি হাতে ফিরলেও আশার আলো দেখছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প বলেন, “আমি আপনাদের বলতে পারি যে, অপর পক্ষ থেকে আমাদের ফোন করা হয়েছে। তারা একটি চুক্তি করতে চায়। তারা খুবই গুরুত্বের সাথে এটি চাইছে।”
মস্কো এবং বেইজিংও এই সংকট নিরসনে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন। এর আগে তিনি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে টেলিফোনে চলমান সংকট নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে।