চরচা প্রতিবেদক

ঈদুল আজহার পরদিন রাজধানীর প্রায় সব মূল সড়কগুলো থেকে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করেছে নগর কর্তৃপক্ষ। তবে কোরবানির পশুর হাটগুলো এবং অলিগলিতে পশুর বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর শাহজাহানপুর, যাত্রাবাড়ী, মতিঝিল, ফার্মগেটসহ বিভিন্ন এলাকার মূল সড়কে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বর্জ্য অপসারণে সক্রিয় থাকতে দেখা গেছে। বিকেল নাগাদ এসব এলাকার মূল সড়কে পশুর বর্জ্য সরতে দেখা যায়নি।
তবে সকালে যাত্রাবাড়ী এবং শান্তিনগর এলাকার বিভিন্ন অলিগলিতে রাস্তার পাশে বর্জ্য পরে থাকতে দেখা গেছে। যাত্রাবাড়ী বিবির বাগিচার বাসিন্দা অনিক মাহমুদ চরচাকে বলেন, ‘‘অলিগলিতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা কম গেছে। দুর্গন্ধ ছড়িয়ে গেছে।’’
যদিও ঈদের দিন থেকেই ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু করে। দক্ষিণ সিটির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম জানিয়েছিলেন, আট ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য সরিয়ে ফেলা হবে। অপরদিকে, উত্তর সিটির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেছিলেন, সরকার নির্ধারিত ১২ ঘণ্টার আগেই কাজ শেষ করা হবে।
আজ শুক্রবার সকালে শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনির অস্থায়ী পশুর হাটের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করতে এসে ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম জানান, দায়িত্বে অবহেলায় কিছু কর্মীকে শোকজ করা হয়েছে। ৭২ ঘন্টার মধ্যে ইজারাদার হাট পরিষ্কার না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন,‘‘তাদের জরিমানা করা হবে। পরবর্তীতে তারা আর ইজারা পাবে না।’’
ডিএসসিসির বরাতে জানা গেছে, ঈদের দিন বৃহস্পতিবার রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ১৪ হাজার ৮১৪ টন কোরবানির বর্জ্য মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে ফেলা হয়েছে। ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘‘ঈদের দ্বিতীয় দিনে বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৭৭৬ টন। সংশ্লিষ্ট বিভাগের সমন্বিত প্রচেষ্টায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এ লক্ষ্য পূরণ হবে বলে আশা করছি।’’
মো. আবদুস সালাম জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বর্জ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। রাত ১টা পর্যন্ত অপসারণ করা হয়েছে। রাতে ট্রাক না থাকায় মূল সড়কে রাখা হয়েছিল বর্জ্য। সকালে সেখান থেকে অপসারণ করা হচ্ছে।

ঈদুল আজহার পরদিন রাজধানীর প্রায় সব মূল সড়কগুলো থেকে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করেছে নগর কর্তৃপক্ষ। তবে কোরবানির পশুর হাটগুলো এবং অলিগলিতে পশুর বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর শাহজাহানপুর, যাত্রাবাড়ী, মতিঝিল, ফার্মগেটসহ বিভিন্ন এলাকার মূল সড়কে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বর্জ্য অপসারণে সক্রিয় থাকতে দেখা গেছে। বিকেল নাগাদ এসব এলাকার মূল সড়কে পশুর বর্জ্য সরতে দেখা যায়নি।
তবে সকালে যাত্রাবাড়ী এবং শান্তিনগর এলাকার বিভিন্ন অলিগলিতে রাস্তার পাশে বর্জ্য পরে থাকতে দেখা গেছে। যাত্রাবাড়ী বিবির বাগিচার বাসিন্দা অনিক মাহমুদ চরচাকে বলেন, ‘‘অলিগলিতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা কম গেছে। দুর্গন্ধ ছড়িয়ে গেছে।’’
যদিও ঈদের দিন থেকেই ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু করে। দক্ষিণ সিটির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম জানিয়েছিলেন, আট ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য সরিয়ে ফেলা হবে। অপরদিকে, উত্তর সিটির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেছিলেন, সরকার নির্ধারিত ১২ ঘণ্টার আগেই কাজ শেষ করা হবে।
আজ শুক্রবার সকালে শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনির অস্থায়ী পশুর হাটের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করতে এসে ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম জানান, দায়িত্বে অবহেলায় কিছু কর্মীকে শোকজ করা হয়েছে। ৭২ ঘন্টার মধ্যে ইজারাদার হাট পরিষ্কার না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন,‘‘তাদের জরিমানা করা হবে। পরবর্তীতে তারা আর ইজারা পাবে না।’’
ডিএসসিসির বরাতে জানা গেছে, ঈদের দিন বৃহস্পতিবার রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ১৪ হাজার ৮১৪ টন কোরবানির বর্জ্য মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে ফেলা হয়েছে। ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘‘ঈদের দ্বিতীয় দিনে বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৭৭৬ টন। সংশ্লিষ্ট বিভাগের সমন্বিত প্রচেষ্টায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এ লক্ষ্য পূরণ হবে বলে আশা করছি।’’
মো. আবদুস সালাম জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বর্জ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। রাত ১টা পর্যন্ত অপসারণ করা হয়েছে। রাতে ট্রাক না থাকায় মূল সড়কে রাখা হয়েছিল বর্জ্য। সকালে সেখান থেকে অপসারণ করা হচ্ছে।

কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম দেখতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শুক্রবার বেলা দুইটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত ঢাকার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গাফিলতি পাওয়ায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে

অর্থনৈতিক বন্দোবস্ত পুনর্গঠন, শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, বিচার ও পুলিশ ব্যবস্থার সংস্কার, কৃষক-শ্রমিকের জন্য ন্যায্য আর্থ-রাজনৈতিক ব্যবস্থা, তরুণদের কর্মসংস্থান,নাগরিকদের জন্য নিরাপদ বায়ু,পানি, খাদ্য, আবাসন ও পরিবহন নিশ্চিত করা দেশের রাজনৈতিক চর্চার মূল ক্ষেত্র বলে জানান সাবেক তথ্য উপদেষ্টা।