চরচা প্রতিবেদক

সাভারের আশুলিয়ায় দুই ভাইয়ের পারিবারিক দ্বন্দ্ব মেটাতে গিয়ে দগ্ধ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম রনি (২৬) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সাইফুল ইসলামের শরীরের প্রায় ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন।
সাইফুলের ভাই মাসুদ রানা জানান, সাইফুল ইসলাম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স পাস করেছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের হলেই থাকতেন।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আশুলিয়ার ইসলামনগর ৬ নম্বর গলির একটি বাড়ির দ্বিতীয় তলায় সাইফুলের বন্ধু রায়হান ও তার ভাই রাহাত বসবাস করতেন। ওই বাসায় পারিবারিক বিষয় নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধ মেটাতে সাইফুল সেখানে যান।
একপর্যায়ে রায়হান ও রাহাতের মধ্যে তীব্র ঝগড়া শুরু হলে রায়হান ঘরের ভেতরে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেন। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে সাইফুল ইসলাম, দুই ভাই রায়হান ও রাহাত এবং হাসিনুর নামের আরেক ব্যক্তি দগ্ধ হন।
তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে মধ্যরাতে সাইফুল ইসলাম ও হাসিনুরকে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। আহত দুই ভাইকে মোহাম্মদপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, গত ২৭ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ৯টার দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে দগ্ধ হন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপকের গাড়িচালক মো. হাসিনুর এবং দুই সহোদর রায়হান ও রাহাত।

সাভারের আশুলিয়ায় দুই ভাইয়ের পারিবারিক দ্বন্দ্ব মেটাতে গিয়ে দগ্ধ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম রনি (২৬) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সাইফুল ইসলামের শরীরের প্রায় ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন।
সাইফুলের ভাই মাসুদ রানা জানান, সাইফুল ইসলাম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স পাস করেছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের হলেই থাকতেন।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আশুলিয়ার ইসলামনগর ৬ নম্বর গলির একটি বাড়ির দ্বিতীয় তলায় সাইফুলের বন্ধু রায়হান ও তার ভাই রাহাত বসবাস করতেন। ওই বাসায় পারিবারিক বিষয় নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধ মেটাতে সাইফুল সেখানে যান।
একপর্যায়ে রায়হান ও রাহাতের মধ্যে তীব্র ঝগড়া শুরু হলে রায়হান ঘরের ভেতরে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেন। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে সাইফুল ইসলাম, দুই ভাই রায়হান ও রাহাত এবং হাসিনুর নামের আরেক ব্যক্তি দগ্ধ হন।
তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে মধ্যরাতে সাইফুল ইসলাম ও হাসিনুরকে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। আহত দুই ভাইকে মোহাম্মদপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, গত ২৭ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ৯টার দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে দগ্ধ হন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপকের গাড়িচালক মো. হাসিনুর এবং দুই সহোদর রায়হান ও রাহাত।