চরচা ডেস্ক

এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এলএনজি থেকে পাওয়া গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় আগামীকাল শনিবার দুপুর ১২টা ২৪ ঘণ্টা ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় গ্যাস স্বল্পচাপ থাকবে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
এক বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস জানিয়েছে, শনিবার দুপুর ১২টা হতে রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত তিতাস গ্যাস অধিভুক্ত এলাকার সব শ্রেণীর গ্রাহক প্রান্তে গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করবে।
এই সাময়িক অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
ঢাকার প্রায় শতভাগ মানুষ রান্নার জন্য গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল। সেই গ্যাস আসে, হয় পাইপলাইনে তিতাসের সরবরাহ থেকে অথবা সিলিন্ডারে। এ দুই উৎসেই তীব্র সংকটের মধ্য দিয়ে পার করছে ঢাকার অধিকাংশ মানুষ। ফলে রান্না-খাওয়া নিয়ে ভোগান্তি পৌঁছেছে চরমে।
অনেক এলাকায় চুলা জ্বালানো যাচ্ছে না। কোথাও গভীর রাতে সামান্য গ্যাসের চাপ পাওয়া যাচ্ছে। হোটেল-রেস্তোরাঁ, বেকারি ও ছোট ছোট খাবারের দোকানগুলোতে রান্না ব্যাহত হচ্ছে।
এর আগে, ৮ জানুয়ারি তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ খুব কম রয়েছে। এই সমস্যা সমাধানে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এলএনজি থেকে পাওয়া গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় আগামীকাল শনিবার দুপুর ১২টা ২৪ ঘণ্টা ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় গ্যাস স্বল্পচাপ থাকবে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
এক বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস জানিয়েছে, শনিবার দুপুর ১২টা হতে রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত তিতাস গ্যাস অধিভুক্ত এলাকার সব শ্রেণীর গ্রাহক প্রান্তে গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করবে।
এই সাময়িক অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
ঢাকার প্রায় শতভাগ মানুষ রান্নার জন্য গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল। সেই গ্যাস আসে, হয় পাইপলাইনে তিতাসের সরবরাহ থেকে অথবা সিলিন্ডারে। এ দুই উৎসেই তীব্র সংকটের মধ্য দিয়ে পার করছে ঢাকার অধিকাংশ মানুষ। ফলে রান্না-খাওয়া নিয়ে ভোগান্তি পৌঁছেছে চরমে।
অনেক এলাকায় চুলা জ্বালানো যাচ্ছে না। কোথাও গভীর রাতে সামান্য গ্যাসের চাপ পাওয়া যাচ্ছে। হোটেল-রেস্তোরাঁ, বেকারি ও ছোট ছোট খাবারের দোকানগুলোতে রান্না ব্যাহত হচ্ছে।
এর আগে, ৮ জানুয়ারি তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ খুব কম রয়েছে। এই সমস্যা সমাধানে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।