রাজশাহী প্রতিনিধি

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) সংলগ্ন ফ্লাইওভার এলাকায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হেনস্তা, ছিনতাইয়ের চেষ্টা ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের অভিযোগে পাঁচ যুবককে আটক করেছে মতিহার থানা পুলিশ। আজ শনিবার বিকেল ৫টার দিকে ফ্লাইওভারের দক্ষিণ পাশে এই ঘটনা ঘটে।
আটকরা হলেন চন্দ্রিমা থানার ছোট বনগ্রাম এলাকার সৌরভ মাকিব (১৯), শাহ মখদুম থানার ফিরশিং (ফকিরপাড়া) এলাকার মো. শিমুল আলী (২৫), এয়ারপোর্ট থানার বায়া পাকুড়িয়া এলাকার মো. মনিরুল ইসলাম (২১), একই থানার উমরপুর এলাকার মো. আশফিকুর রহমান (১৮) এবং বায়া পাকুড়িয়া এলাকার মো. সৈকত ইসলাম (২০)।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা যায়, বিকেলে তারা রুয়েট ও রাবি সংলগ্ন রাস্তায় অবস্থান করার সময় অভিযুক্তরা তাদের গতিরোধ করে। এসময় তারা শিক্ষার্থীদের ওপর চড়াও হয়, বাজে ভাষায় হুমকি দেয় এবং তাদের হাতে থাকা ব্যাগ গুলো ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। একইসাথে সেখানে একটি উসকানিমূলক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে তারা ‘মব’ তৈরির চেষ্টা চালায়।
ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগীরা ফোন করে বিষয়টি জানালে মতিহার থানার এসআই আলমাছের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এসময় সেখানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো. আমিরুল ইসলাম কনক এবং সহকারী প্রক্টর প্রফেসর মো. গিয়াস উদ্দিন উপস্থিত হন। তাদের উপস্থিতিতেই পুলিশ অভিযুক্ত পাঁচজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো. আমিরুল ইসলাম কনক বলেন, “শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে খবর পাওয়ার পরপরই আমরা সহকারী প্রক্টরসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই এবং পুলিশকে অবহিত করি। শিক্ষার্থীদের হেনস্তা ও ছিনতাই চেষ্টার মতো অপরাধে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবুল কালাম আজাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “রাবি শিক্ষার্থীদের হেনস্তা ও ছিনতাই চেষ্টার অভিযোগে আমরা পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছি। ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই মতিহার থানা পুলিশের একটি টিম সেখানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। বর্তমানে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ক্যাম্পাসের আশপাশে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) সংলগ্ন ফ্লাইওভার এলাকায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হেনস্তা, ছিনতাইয়ের চেষ্টা ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের অভিযোগে পাঁচ যুবককে আটক করেছে মতিহার থানা পুলিশ। আজ শনিবার বিকেল ৫টার দিকে ফ্লাইওভারের দক্ষিণ পাশে এই ঘটনা ঘটে।
আটকরা হলেন চন্দ্রিমা থানার ছোট বনগ্রাম এলাকার সৌরভ মাকিব (১৯), শাহ মখদুম থানার ফিরশিং (ফকিরপাড়া) এলাকার মো. শিমুল আলী (২৫), এয়ারপোর্ট থানার বায়া পাকুড়িয়া এলাকার মো. মনিরুল ইসলাম (২১), একই থানার উমরপুর এলাকার মো. আশফিকুর রহমান (১৮) এবং বায়া পাকুড়িয়া এলাকার মো. সৈকত ইসলাম (২০)।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা যায়, বিকেলে তারা রুয়েট ও রাবি সংলগ্ন রাস্তায় অবস্থান করার সময় অভিযুক্তরা তাদের গতিরোধ করে। এসময় তারা শিক্ষার্থীদের ওপর চড়াও হয়, বাজে ভাষায় হুমকি দেয় এবং তাদের হাতে থাকা ব্যাগ গুলো ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। একইসাথে সেখানে একটি উসকানিমূলক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে তারা ‘মব’ তৈরির চেষ্টা চালায়।
ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগীরা ফোন করে বিষয়টি জানালে মতিহার থানার এসআই আলমাছের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এসময় সেখানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো. আমিরুল ইসলাম কনক এবং সহকারী প্রক্টর প্রফেসর মো. গিয়াস উদ্দিন উপস্থিত হন। তাদের উপস্থিতিতেই পুলিশ অভিযুক্ত পাঁচজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো. আমিরুল ইসলাম কনক বলেন, “শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে খবর পাওয়ার পরপরই আমরা সহকারী প্রক্টরসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই এবং পুলিশকে অবহিত করি। শিক্ষার্থীদের হেনস্তা ও ছিনতাই চেষ্টার মতো অপরাধে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবুল কালাম আজাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “রাবি শিক্ষার্থীদের হেনস্তা ও ছিনতাই চেষ্টার অভিযোগে আমরা পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছি। ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই মতিহার থানা পুলিশের একটি টিম সেখানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। বর্তমানে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ক্যাম্পাসের আশপাশে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”