চরচা ডেস্ক

ফ্রান্স আর স্পেন আগেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলেছে। আজ রাতে নরওয়েকে হারিয়ে ইংল্যান্ডও সেমিফাইনালে উঠে যেতেই অদ্ভুত এক রেকর্ডের হাতছানি ছিল বিশ্বকাপের সামনে। অবশ্য রেকর্ডটাকে অদ্ভুত না বলে বলা যায়, রেকর্ডটা যে এতদিন হয়নি, এটাই অদ্ভুত।
সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে উঠতেই নিশ্চিত হলো, এই প্রথম বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠল ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের সেরা চার দল!
অবশ্য কথাটাতে একটা শুভঙ্করের ফাঁকি আছে। এই প্রথম বললে বিশ্বকাপের ৯৬ বছর আর ২৩ আসরেই এটা প্রথম হয়েছে বলে মনে হবে। কিন্তু ফিফা র্যাঙ্কিং চালুই হয়েছে ১৯৯২ সালের ডিসেম্বরে! সে হিসেবে র্যাঙ্কিংয়ের প্রথম চার দলকে সেমিফাইনালে দেখতে বিশ্বকাপকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ৯টি আসর আর ৩৪ বছর।
এবারের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা ফ্রান্স মুখোমুখি হবে তিন নম্বরে থাকা স্পেনের। আর দুই নম্বরে থাকা আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে চার নম্বরে থাকা ইংল্যান্ড।
আরেকটি কীর্তিও এ নিয়ে মাত্র তৃতীয়বারের মতো দেখছে বিশ্বকাপ। ১৯৭০ ও ১৯৯০-এর পর এটি তৃতীয় বিশ্বকাপ যেখানে চার সেমিফাইনালিস্টের চারটিই আগে অন্তত একবার বিশ্বকাপ জিতেছে।

ফ্রান্স আর স্পেন আগেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলেছে। আজ রাতে নরওয়েকে হারিয়ে ইংল্যান্ডও সেমিফাইনালে উঠে যেতেই অদ্ভুত এক রেকর্ডের হাতছানি ছিল বিশ্বকাপের সামনে। অবশ্য রেকর্ডটাকে অদ্ভুত না বলে বলা যায়, রেকর্ডটা যে এতদিন হয়নি, এটাই অদ্ভুত।
সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে উঠতেই নিশ্চিত হলো, এই প্রথম বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠল ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের সেরা চার দল!
অবশ্য কথাটাতে একটা শুভঙ্করের ফাঁকি আছে। এই প্রথম বললে বিশ্বকাপের ৯৬ বছর আর ২৩ আসরেই এটা প্রথম হয়েছে বলে মনে হবে। কিন্তু ফিফা র্যাঙ্কিং চালুই হয়েছে ১৯৯২ সালের ডিসেম্বরে! সে হিসেবে র্যাঙ্কিংয়ের প্রথম চার দলকে সেমিফাইনালে দেখতে বিশ্বকাপকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ৯টি আসর আর ৩৪ বছর।
এবারের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা ফ্রান্স মুখোমুখি হবে তিন নম্বরে থাকা স্পেনের। আর দুই নম্বরে থাকা আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে চার নম্বরে থাকা ইংল্যান্ড।
আরেকটি কীর্তিও এ নিয়ে মাত্র তৃতীয়বারের মতো দেখছে বিশ্বকাপ। ১৯৭০ ও ১৯৯০-এর পর এটি তৃতীয় বিশ্বকাপ যেখানে চার সেমিফাইনালিস্টের চারটিই আগে অন্তত একবার বিশ্বকাপ জিতেছে।

সংবাদ সম্মেলনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ক্রিস্টিন ওন্সলি বলেন, “আমরা শুধু জানতে চাই, কী ঘটেছিল এবং কেন আমাদের সন্তান আর বাড়ি ফিরল না।” তার ছেলে নোলান ওয়েলসের মৃত্যু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে বর্ণবৈষম্য নিয়ে নতুন করে প্রশ্নও উঠেছে।