চরচা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যের উপকূলবর্তী একটি দ্বীপে ১৮ বছর বয়সী এক কৃষ্ণাঙ্গ তরুণের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে তথ্য দিতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তার মা। ৪ জুলাই স্বাধীনতা দিবসের ছুটিতে তিনজন শ্বেতাঙ্গ বন্ধুর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ওই তরুণ নিখোঁজ হয়েছিল।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ক্রিস্টিন ওন্সলি বলেন, “আমরা শুধু জানতে চাই, কী ঘটেছিল এবং কেন আমাদের সন্তান আর বাড়ি ফিরল না।”
তার ছেলে নোলান ওয়েলসের মৃত্যু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে বর্ণবৈষম্য নিয়ে নতুন করে প্রশ্নও উঠেছে।
গত ৬ জুলাই মেক্সিকো উপসাগরসংলগ্ন দীর্ঘ ও সরু প্রতিবন্ধক দ্বীপ হর্ন আইল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিম প্রান্ত থেকে ১৮ বছর বয়সী নোলান ওয়েলসের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মিসিসিপির ওশান স্প্রিংস এলাকার বাসিন্দা ওয়েলস স্বাধীনতা দিবসের ছুটিতে উচ্চবিদ্যালয়ের পরিচিত তিন বন্ধুর সঙ্গে দ্বীপটিতে বেড়াতে গিয়েছিল। পরে সে নিখোঁজ হয়।
শুক্রবার পরিবারের আইনজীবী কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর জানতে সহায়তা চান। এর মধ্যে অন্যতম হলো—ওয়েলসের মরদেহের সঙ্গে তার মোবাইল ফোন পাওয়া যায়নি; বরং সেটি তার সঙ্গে থাকা এক বন্ধুর কাছে কীভাবে গেল।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক ব্যবহারকারী ঘটনাটির সময়রেখা বিশ্লেষণ করছে এবং বিভিন্ন ভিডিও ছড়িয়ে দিচ্ছে। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, এসব ভিডিও এখনো যাচাই করা হয়নি।
অনেক কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকান নাগরিকের কাছে এই ঘটনা সংখ্যাগরিষ্ঠ শ্বেতাঙ্গ অধ্যুষিত পরিবেশে চলাফেরা এবং বর্ণবাদের অভিজ্ঞতা নিয়ে বেদনাদায়ক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একই সঙ্গে নাগরিক অধিকারকর্মীরা কৃষ্ণাঙ্গ নিখোঁজ ব্যক্তিদের মামলায় তদন্ত ও গণমাধ্যমের মনোযোগে বৈষম্যের পুরোনো অভিযোগও নতুন করে সামনে এনেছেন।
অন্যদিকে, তদন্ত সম্পূর্ণ হওয়ার আগে কোনো সিদ্ধান্তে না পৌঁছানোর আহ্বানও জানিয়েছেন অনেকেই।
এবিসি নিউজ জানিয়েছে, তদন্তকারীরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন ওয়েলস পানিতে ডুবে মারা গেছেন। তবে তারা এখনো অন্য কোনো সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না।
তদন্তের নেতৃত্ব দেওয়া জ্যাকসন কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় রয়টার্সকে জানিয়েছে, তদন্ত এখনো সক্রিয়ভাবে চলছে। তবে তারা আর কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি।
পরিবারের আইনজীবী এবং নাগরিক অধিকারবিষয়ক আইনজীবী বেন ক্রাম্প বলেন, এ ঘটনায় অনেক উদ্বেগজনক প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি। তিনি একটি স্বাধীন তদন্ত ও ব্যক্তিগত ময়নাতদন্তের ব্যবস্থাও করছেন।
শুক্রবার নিউইয়র্কে রেভারেন্ড আল শার্পটন এবং ওয়েলসের বাবা-মাকে নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ক্রাম্প বলেন, তিন বন্ধু দাবি করেছে, ৪ জুলাই বিকেলে দ্বীপ ছাড়ার সময় ওয়েলস নাকি এক তরুণীর সঙ্গে সেখানে থেকে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু ওই তরুণী জানিয়েছে, ওয়েলস বন্ধুদের সঙ্গেই নৌকায় উঠেছিল।
ক্রাম্প আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিওতে ওয়েলসকে তার বন্ধুদের সঙ্গে তীব্র বাগবিতণ্ডায় জড়াতে দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে রয়টার্স এসব ভিডিও স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
ক্রাম্পের মতে, আরেকটি সন্দেহজনক বিষয় হলো—ওয়েলসের মোবাইল ফোন তার মরদেহের সঙ্গে নয়, বরং তার সঙ্গে দ্বীপে যাওয়া এক তরুণের কাছে পাওয়া গেছে।
ওয়েলসের মা জানান, লাইফ৩৬০ অ্যাপ ব্যবহার করে তিনি ফোনটির অবস্থান শনাক্ত করেন। পরে দেখা যায়, ফোন থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কয়েকটি বার্তা কেউ মুছে ফেলেছে বলে মনে হচ্ছে।
গত ৭ জুলাই জ্যাকসন কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ৪ জুলাই হর্ন আইল্যান্ডে ওয়েলস-সংক্রান্ত কোনো ঘটনা প্রত্যক্ষ করে থাকলে বা এ-সংক্রান্ত ভিডিও কিংবা ছবি থাকলে তা তদন্তকারীদের কাছে জমা দেওয়ার জন্য জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যের উপকূলবর্তী একটি দ্বীপে ১৮ বছর বয়সী এক কৃষ্ণাঙ্গ তরুণের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে তথ্য দিতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তার মা। ৪ জুলাই স্বাধীনতা দিবসের ছুটিতে তিনজন শ্বেতাঙ্গ বন্ধুর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ওই তরুণ নিখোঁজ হয়েছিল।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ক্রিস্টিন ওন্সলি বলেন, “আমরা শুধু জানতে চাই, কী ঘটেছিল এবং কেন আমাদের সন্তান আর বাড়ি ফিরল না।”
তার ছেলে নোলান ওয়েলসের মৃত্যু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে বর্ণবৈষম্য নিয়ে নতুন করে প্রশ্নও উঠেছে।
গত ৬ জুলাই মেক্সিকো উপসাগরসংলগ্ন দীর্ঘ ও সরু প্রতিবন্ধক দ্বীপ হর্ন আইল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিম প্রান্ত থেকে ১৮ বছর বয়সী নোলান ওয়েলসের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মিসিসিপির ওশান স্প্রিংস এলাকার বাসিন্দা ওয়েলস স্বাধীনতা দিবসের ছুটিতে উচ্চবিদ্যালয়ের পরিচিত তিন বন্ধুর সঙ্গে দ্বীপটিতে বেড়াতে গিয়েছিল। পরে সে নিখোঁজ হয়।
শুক্রবার পরিবারের আইনজীবী কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর জানতে সহায়তা চান। এর মধ্যে অন্যতম হলো—ওয়েলসের মরদেহের সঙ্গে তার মোবাইল ফোন পাওয়া যায়নি; বরং সেটি তার সঙ্গে থাকা এক বন্ধুর কাছে কীভাবে গেল।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক ব্যবহারকারী ঘটনাটির সময়রেখা বিশ্লেষণ করছে এবং বিভিন্ন ভিডিও ছড়িয়ে দিচ্ছে। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, এসব ভিডিও এখনো যাচাই করা হয়নি।
অনেক কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকান নাগরিকের কাছে এই ঘটনা সংখ্যাগরিষ্ঠ শ্বেতাঙ্গ অধ্যুষিত পরিবেশে চলাফেরা এবং বর্ণবাদের অভিজ্ঞতা নিয়ে বেদনাদায়ক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একই সঙ্গে নাগরিক অধিকারকর্মীরা কৃষ্ণাঙ্গ নিখোঁজ ব্যক্তিদের মামলায় তদন্ত ও গণমাধ্যমের মনোযোগে বৈষম্যের পুরোনো অভিযোগও নতুন করে সামনে এনেছেন।
অন্যদিকে, তদন্ত সম্পূর্ণ হওয়ার আগে কোনো সিদ্ধান্তে না পৌঁছানোর আহ্বানও জানিয়েছেন অনেকেই।
এবিসি নিউজ জানিয়েছে, তদন্তকারীরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন ওয়েলস পানিতে ডুবে মারা গেছেন। তবে তারা এখনো অন্য কোনো সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না।
তদন্তের নেতৃত্ব দেওয়া জ্যাকসন কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় রয়টার্সকে জানিয়েছে, তদন্ত এখনো সক্রিয়ভাবে চলছে। তবে তারা আর কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি।
পরিবারের আইনজীবী এবং নাগরিক অধিকারবিষয়ক আইনজীবী বেন ক্রাম্প বলেন, এ ঘটনায় অনেক উদ্বেগজনক প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি। তিনি একটি স্বাধীন তদন্ত ও ব্যক্তিগত ময়নাতদন্তের ব্যবস্থাও করছেন।
শুক্রবার নিউইয়র্কে রেভারেন্ড আল শার্পটন এবং ওয়েলসের বাবা-মাকে নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ক্রাম্প বলেন, তিন বন্ধু দাবি করেছে, ৪ জুলাই বিকেলে দ্বীপ ছাড়ার সময় ওয়েলস নাকি এক তরুণীর সঙ্গে সেখানে থেকে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু ওই তরুণী জানিয়েছে, ওয়েলস বন্ধুদের সঙ্গেই নৌকায় উঠেছিল।
ক্রাম্প আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিওতে ওয়েলসকে তার বন্ধুদের সঙ্গে তীব্র বাগবিতণ্ডায় জড়াতে দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে রয়টার্স এসব ভিডিও স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
ক্রাম্পের মতে, আরেকটি সন্দেহজনক বিষয় হলো—ওয়েলসের মোবাইল ফোন তার মরদেহের সঙ্গে নয়, বরং তার সঙ্গে দ্বীপে যাওয়া এক তরুণের কাছে পাওয়া গেছে।
ওয়েলসের মা জানান, লাইফ৩৬০ অ্যাপ ব্যবহার করে তিনি ফোনটির অবস্থান শনাক্ত করেন। পরে দেখা যায়, ফোন থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কয়েকটি বার্তা কেউ মুছে ফেলেছে বলে মনে হচ্ছে।
গত ৭ জুলাই জ্যাকসন কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ৪ জুলাই হর্ন আইল্যান্ডে ওয়েলস-সংক্রান্ত কোনো ঘটনা প্রত্যক্ষ করে থাকলে বা এ-সংক্রান্ত ভিডিও কিংবা ছবি থাকলে তা তদন্তকারীদের কাছে জমা দেওয়ার জন্য জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।