চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর কলাবাগান এলাকায় আবাসিক হোটেল থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর একটার দিকে একটি হোটেলের তৃতীয় তলার একটি কক্ষের বাথরুম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মরদেহ তানিয়া নবী (২৯) নামের এক নারীর। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, অতিরিক্ত ওষুধ সেবনের কারণেই তার মৃত্যু হতে পারে।
কলাবাগান থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. সাইফুদ্দিন জানান, দুই দিন আগে আইইএলটিএস পরীক্ষার প্রস্তুতির কথা বলে ওই হোটেলে উঠেছিলেন তানিয়া। দুপুরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখে, তিনি ওয়াশরুমে কমোডের ওপর নিথর অবস্থায় পড়ে আছেন।
পরিদর্শক সাইফুদ্দিন আরও বলেন বলেন, “মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। কক্ষের ভেতরে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ পাওয়া গেছে। ধারণা করছি, অতিরিক্ত ওষুধ সেবনের কারণেই এ ঘটনা ঘটতে পারে।”
তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো সন্দেহজনক আলামত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাজধানীর কলাবাগান এলাকায় আবাসিক হোটেল থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর একটার দিকে একটি হোটেলের তৃতীয় তলার একটি কক্ষের বাথরুম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মরদেহ তানিয়া নবী (২৯) নামের এক নারীর। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, অতিরিক্ত ওষুধ সেবনের কারণেই তার মৃত্যু হতে পারে।
কলাবাগান থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. সাইফুদ্দিন জানান, দুই দিন আগে আইইএলটিএস পরীক্ষার প্রস্তুতির কথা বলে ওই হোটেলে উঠেছিলেন তানিয়া। দুপুরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখে, তিনি ওয়াশরুমে কমোডের ওপর নিথর অবস্থায় পড়ে আছেন।
পরিদর্শক সাইফুদ্দিন আরও বলেন বলেন, “মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। কক্ষের ভেতরে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ পাওয়া গেছে। ধারণা করছি, অতিরিক্ত ওষুধ সেবনের কারণেই এ ঘটনা ঘটতে পারে।”
তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো সন্দেহজনক আলামত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শহরের সাহেববাজার এলাকায় প্রয়োজনীয় কাজে বের হওয়া গৃহিণী সালমা বেগম বলেন, “ঘরের ভেতরে বা বাইরে কোথাও এখন শান্তি নেই। ফ্যান চালালেও যেন আগুনের বাতাস বের হচ্ছে। গরমে পরিবারের ছোট শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। এই অসহনীয় পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে সবাই এখন একটু বৃষ্টির জন্য হাহাকার করছি।”