চরচা ডেস্ক

স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধির পর ইরানের নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদিকে জামিনে মুক্তি দিয়েছে ইরানি কর্তৃপক্ষ। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, চিকিৎসার জন্য তাকে ইতোমধ্যে তেহরানে স্থানান্তর করা হয়েছে।
উত্তর ইরানের জানজানে কারাদণ্ড থাকাকালীন অবস্থায় ১০ দিন হাসপাতালে থাকার পর মোহাম্মদিকে ‘মোটা অঙ্কের জামিনে সাজা স্থগিতের সুবিধা দেওয়া হয়েছে’ বলে তার ফাউন্ডেশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে। তবে জামিনের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি।
বিবৃতিতে বলা হয়, তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে তেহরানের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে, যেখানে ‘তার নিজস্ব চিকিৎসক দল’ চিকিৎসা দেবে।
এর আগে গত সপ্তাহে তার সমর্থকেরা বলেছিল, ইরানে মানবাধিকার নিয়ে দীর্ঘদিন আন্দোলনের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া মোহাম্মদি কারাগারেই মৃত্যু ঝুঁকিতে রয়েছেন। জানজানের কারাগারে আটক অবস্থায় তিনি দুটি সন্দেহজনক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়।
অন্যদিকে তার স্বামী তাকি রাহমানি এক বিবৃতিতে বলেন, “ নার্গিস মোহাম্মদির জীবন এখন সংকটাপন্ন অবস্থায় ঝুলছে। ”
তাকি রাহমানি বলেন, “বর্তমানে ভয়াবহ স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও শুধু সাময়িক স্থানান্তর যথেষ্ট নয়। যে পরিস্থিতি তার স্বাস্থ্যের এই অবনতি ঘটিয়েছে, সেখানে তাকে আর কখনো ফেরত পাঠানো উচিত হবে না। ”
মোহাম্মদির ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, তার বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রয়োজন। তার সাজা মেয়াদের অবশিষ্ট ১৮ বছর কাটানোর জন্য যেন তাকে আর কখনো কারাগারে ফিরতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধির পর ইরানের নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদিকে জামিনে মুক্তি দিয়েছে ইরানি কর্তৃপক্ষ। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, চিকিৎসার জন্য তাকে ইতোমধ্যে তেহরানে স্থানান্তর করা হয়েছে।
উত্তর ইরানের জানজানে কারাদণ্ড থাকাকালীন অবস্থায় ১০ দিন হাসপাতালে থাকার পর মোহাম্মদিকে ‘মোটা অঙ্কের জামিনে সাজা স্থগিতের সুবিধা দেওয়া হয়েছে’ বলে তার ফাউন্ডেশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে। তবে জামিনের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি।
বিবৃতিতে বলা হয়, তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে তেহরানের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে, যেখানে ‘তার নিজস্ব চিকিৎসক দল’ চিকিৎসা দেবে।
এর আগে গত সপ্তাহে তার সমর্থকেরা বলেছিল, ইরানে মানবাধিকার নিয়ে দীর্ঘদিন আন্দোলনের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া মোহাম্মদি কারাগারেই মৃত্যু ঝুঁকিতে রয়েছেন। জানজানের কারাগারে আটক অবস্থায় তিনি দুটি সন্দেহজনক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়।
অন্যদিকে তার স্বামী তাকি রাহমানি এক বিবৃতিতে বলেন, “ নার্গিস মোহাম্মদির জীবন এখন সংকটাপন্ন অবস্থায় ঝুলছে। ”
তাকি রাহমানি বলেন, “বর্তমানে ভয়াবহ স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও শুধু সাময়িক স্থানান্তর যথেষ্ট নয়। যে পরিস্থিতি তার স্বাস্থ্যের এই অবনতি ঘটিয়েছে, সেখানে তাকে আর কখনো ফেরত পাঠানো উচিত হবে না। ”
মোহাম্মদির ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, তার বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রয়োজন। তার সাজা মেয়াদের অবশিষ্ট ১৮ বছর কাটানোর জন্য যেন তাকে আর কখনো কারাগারে ফিরতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।