চরচা প্রতিবেদক

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় হেলমেট না থাকার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ‘সেনাবাহিনীর টহল দলের পিটুনিতে’ ইসমাইল হোসেন নামের যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ, শোক ও নিন্দা জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)। আজ শুক্রবার সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
প্রাপ্ত তথ্য ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, গতকাল বৃহস্পতিবার আশাশুনির কাকবাশিয়া এলাকায় মোটরসাইকেল চালানোর সময় মাথায় হেলমেট না থাকায় টহলরত সেনাসদস্যরা ইসমাইলকে আটক করেন। অভিযোগ রয়েছে, তর্কাতর্কির একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয় এবং গুরুতর জখম অবস্থায় কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি মারা যান। একজন নাগরিকের এ ধরনের মৃত্যুর ঘটনা মর্মান্তিক এবং মানবাধিকার ও আইনের শাসনের জন্য উদ্বেগজনক বলেও বলা হয় বিবৃতিতে ।
এইচআরএসএস জানায়, আইন প্রয়োগের নামে কোনো অবস্থাতেই শারীরিক নির্যাতন বা বিচারবহির্ভূত আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। সংবিধান অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার সুরক্ষিত। হেলমেট না থাকা কোনোভাবেই প্রাণনাশের কারণ হতে পারে না এবং শারীরিক নির্যাতন কখনোই আইনসম্মত ব্যবস্থা হতে পারে না।
সংগঠনটি চারটি দাবি উত্থাপন করেন। এগুলো হল–ঘটনাটির দ্রুত, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন। তদন্তে দায় প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট সেনাসদস্যদের আইনের আওতায় ব্যবস্থা গ্রহণ। নিহত ইসমাইলের পরিবারকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ক্ষতিপূরণ ও সহায়তা প্রদান। ভবিষ্যতে এমন ঘটনাকে রোধ করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য মানবাধিকারভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা আরও জোরদার করা।
এইচআরএসএস মনে করে, দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ না হলে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতেই থাকবে।

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় হেলমেট না থাকার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ‘সেনাবাহিনীর টহল দলের পিটুনিতে’ ইসমাইল হোসেন নামের যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ, শোক ও নিন্দা জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)। আজ শুক্রবার সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
প্রাপ্ত তথ্য ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, গতকাল বৃহস্পতিবার আশাশুনির কাকবাশিয়া এলাকায় মোটরসাইকেল চালানোর সময় মাথায় হেলমেট না থাকায় টহলরত সেনাসদস্যরা ইসমাইলকে আটক করেন। অভিযোগ রয়েছে, তর্কাতর্কির একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয় এবং গুরুতর জখম অবস্থায় কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি মারা যান। একজন নাগরিকের এ ধরনের মৃত্যুর ঘটনা মর্মান্তিক এবং মানবাধিকার ও আইনের শাসনের জন্য উদ্বেগজনক বলেও বলা হয় বিবৃতিতে ।
এইচআরএসএস জানায়, আইন প্রয়োগের নামে কোনো অবস্থাতেই শারীরিক নির্যাতন বা বিচারবহির্ভূত আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। সংবিধান অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার সুরক্ষিত। হেলমেট না থাকা কোনোভাবেই প্রাণনাশের কারণ হতে পারে না এবং শারীরিক নির্যাতন কখনোই আইনসম্মত ব্যবস্থা হতে পারে না।
সংগঠনটি চারটি দাবি উত্থাপন করেন। এগুলো হল–ঘটনাটির দ্রুত, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন। তদন্তে দায় প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট সেনাসদস্যদের আইনের আওতায় ব্যবস্থা গ্রহণ। নিহত ইসমাইলের পরিবারকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ক্ষতিপূরণ ও সহায়তা প্রদান। ভবিষ্যতে এমন ঘটনাকে রোধ করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য মানবাধিকারভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা আরও জোরদার করা।
এইচআরএসএস মনে করে, দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ না হলে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতেই থাকবে।