চরচা ডেস্ক

কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে বহিরাগত শক্তির হস্তক্ষেপ এবং সামরিক উপস্থিতির বিরুদ্ধে ইরান অত্যন্ত কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। সম্প্রতি যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স হরমুজ প্রণালি নিয়ে একটি যৌথ বিবৃতি দেয়। বিবৃতিতে তারা এই জলপথে নৌচলাচলের স্বাধীনতা বজায় রাখার সমর্থনে একটি ব্যাপকভিত্তিক ‘বহুজাতিক সামরিক মিশন’ মোতায়েন করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে ঘোষণা দেয়।
ইউরোপীয় পরাশক্তি দুটির এই যৌথ বিবৃতির তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদী তার এক্স হ্যান্ডলে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন যে, হরমুজ প্রণালি বহিরাগত শক্তিগুলোর সামরিক শক্তি প্রদর্শনের কোনো মঞ্চ বা ক্ষেত্র নয়। এই অঞ্চলের একটি দায়িত্বশীল শক্তি এবং এই প্রণালির নিরাপত্তার মূল গ্যারান্টার হিসেবে ইরান এই স্পর্শকাতর জলপথে যেকোনো ধরনের সামরিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কবার্তা উচ্চারণ করছে। তিনি জোর দেন যে, হরমুজ প্রণালির সার্বিক নিরাপত্তা রক্ষার মূল দায়িত্ব এবং একচেটিয়া কর্তৃত্ব কেবল এই অঞ্চলের উপকূলীয় দেশগুলোর ওপরই ন্যস্ত।
মিডিল ইস্ট মনিটর জানায়, ইরানের পক্ষ থেকে এই হুঁশিয়ারি এমন এক সময়ে এলো যখন দেশটির অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এক নতুন কৌশলগত মোড় দৃশ্যমান হচ্ছে। আনাদোলুর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই সমঝোতা গত ১৮ জুন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়েছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে ইলেকট্রনিকভাবে স্বাক্ষরিত এই ঐতিহাসিক চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো আলোচনার মাধ্যমে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান ঘটানো এবং অমীমাংসিত ইস্যুগুলোর স্থায়ী সমাধান করা।
এই সমঝোতা স্মারকের কাঠামোর মধ্যে উভয় পক্ষের মধ্যে বৈরিতার অবসান, ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত জটিলতার সমাধান, হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করে দেওয়া এবং সামগ্রিক আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নের মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল ও দূরগামী বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের নতুন করে বহুজাতিক সামরিক বাহিনী মোতায়েনের ঘোষণা বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী গরিবাবাদী তার বার্তায় ইউরোপীয় দেশগুলোর এই পদক্ষেপকে হঠকারিতা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন যে, যারা এই অঞ্চলে নতুন করে সংকট তৈরি করার চেষ্টা করছে, তাদের এই হঠকারিতার ফলে সৃষ্ট যেকোনো ধরনের মারাত্মক পরিণতির সম্পূর্ণ দায়ভার তাদের নিজেদেরকেই বহন করতে হবে।
ইরানের এই বক্তব্যকে একটি ‘গুরুতর সতর্কবার্তা’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান শান্তি আলোচনা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষার ক্ষেত্রে বহিরাগত শক্তির যেকোনো ধরনের হস্তক্ষেপকে তেহরান যে বিন্দুমাত্র বরদাশত করবে না, সেই শক্ত অবস্থানই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে বহিরাগত শক্তির হস্তক্ষেপ এবং সামরিক উপস্থিতির বিরুদ্ধে ইরান অত্যন্ত কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। সম্প্রতি যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স হরমুজ প্রণালি নিয়ে একটি যৌথ বিবৃতি দেয়। বিবৃতিতে তারা এই জলপথে নৌচলাচলের স্বাধীনতা বজায় রাখার সমর্থনে একটি ব্যাপকভিত্তিক ‘বহুজাতিক সামরিক মিশন’ মোতায়েন করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে ঘোষণা দেয়।
ইউরোপীয় পরাশক্তি দুটির এই যৌথ বিবৃতির তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদী তার এক্স হ্যান্ডলে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন যে, হরমুজ প্রণালি বহিরাগত শক্তিগুলোর সামরিক শক্তি প্রদর্শনের কোনো মঞ্চ বা ক্ষেত্র নয়। এই অঞ্চলের একটি দায়িত্বশীল শক্তি এবং এই প্রণালির নিরাপত্তার মূল গ্যারান্টার হিসেবে ইরান এই স্পর্শকাতর জলপথে যেকোনো ধরনের সামরিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কবার্তা উচ্চারণ করছে। তিনি জোর দেন যে, হরমুজ প্রণালির সার্বিক নিরাপত্তা রক্ষার মূল দায়িত্ব এবং একচেটিয়া কর্তৃত্ব কেবল এই অঞ্চলের উপকূলীয় দেশগুলোর ওপরই ন্যস্ত।
মিডিল ইস্ট মনিটর জানায়, ইরানের পক্ষ থেকে এই হুঁশিয়ারি এমন এক সময়ে এলো যখন দেশটির অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এক নতুন কৌশলগত মোড় দৃশ্যমান হচ্ছে। আনাদোলুর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই সমঝোতা গত ১৮ জুন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়েছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে ইলেকট্রনিকভাবে স্বাক্ষরিত এই ঐতিহাসিক চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো আলোচনার মাধ্যমে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান ঘটানো এবং অমীমাংসিত ইস্যুগুলোর স্থায়ী সমাধান করা।
এই সমঝোতা স্মারকের কাঠামোর মধ্যে উভয় পক্ষের মধ্যে বৈরিতার অবসান, ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত জটিলতার সমাধান, হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করে দেওয়া এবং সামগ্রিক আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নের মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল ও দূরগামী বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের নতুন করে বহুজাতিক সামরিক বাহিনী মোতায়েনের ঘোষণা বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী গরিবাবাদী তার বার্তায় ইউরোপীয় দেশগুলোর এই পদক্ষেপকে হঠকারিতা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন যে, যারা এই অঞ্চলে নতুন করে সংকট তৈরি করার চেষ্টা করছে, তাদের এই হঠকারিতার ফলে সৃষ্ট যেকোনো ধরনের মারাত্মক পরিণতির সম্পূর্ণ দায়ভার তাদের নিজেদেরকেই বহন করতে হবে।
ইরানের এই বক্তব্যকে একটি ‘গুরুতর সতর্কবার্তা’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান শান্তি আলোচনা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষার ক্ষেত্রে বহিরাগত শক্তির যেকোনো ধরনের হস্তক্ষেপকে তেহরান যে বিন্দুমাত্র বরদাশত করবে না, সেই শক্ত অবস্থানই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে পুনর্ব্যক্ত করেছেন।