চরচা প্রতিবেদক

কারাগারে থাকা সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য তামান্না নুসরাত বুবলীকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
রাজধানীর তেজগাঁও থানার ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ সোমবার ঢাকার এডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মোহাম্মদ জুনাইদ বুবলীকে কারাগারে রাখার আদেশ দেন।
আসামিকে আদালতে হাজির করে তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শরিফুল ইসলাম এই আবেদন করেন।
শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, এ মামলার ঘটনায় বুবলীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে অনেক তথ্য পাওয়া যাবে। এজন্য এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হোক।
বুবলীর পক্ষে আইনজীবী তাহমিনা তাহেরীন মুমু বলেন, “তদন্ত কর্মকর্তা আসামির বিরুদ্ধে মিছিলের টাকার যোগানদাতার যে অভিযোগ দিয়েছেন তা ভিত্তিহীন। কারণ এর কোনো স্লিপ নেই। তার দুইটা বাচ্চা আছে বাসায়। নরসিংদী থেকে কীভাবে টাকার যোগান দেবে সে? সার্বিক বিবেচনায় তাকে জামিন দেওয়া উচিত।”
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী , ২০২৫ সালের ৭ সেপ্টেম্বর তেজগাঁও থানাধীন বিজয় সরণি এলাকায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা একটি ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ মিছিল বের করে।
মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করে উসকানিমূলক স্লোগান দেয় এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামিরা পালানোর চেষ্টা করে। সে সময় হাতেনাতে মিরাজুল ইসলাম ওরফে মিঠু নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়, যার কাছ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত প্লাস্টিকের ব্যাগ এবং ককটেল বিস্ফোরণের আলামত উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় তেজগাঁও থানার উপপরিদর্শক নিয়াজ উদ্দিন এজাহারভুক্ত ১০ জন ও অজ্ঞাত ৩০/৪০ জনের নামে বাদী হয়ে মামলা করেন।
তদন্তকারীর আবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার পর স্থানীয় তদন্ত ও গ্রেপ্তারকৃত আসামির জিজ্ঞাসাবাদে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, সাবেক সংসদ সদস্য বুবলী ওই মিছিলের অর্থ যোগানদাতা ছিলেন। এজন্য তাকে এ মামলায় সুষ্ঠু তদন্তের জন্য গ্রেপ্তার দেখানো হোক।
তামান্না নুসরাত বুবলী বর্তমানে অন্য একটি মামলায় ডিএমপি তেজগাঁও থানার মামলায় গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর তারিখ থেকে জেলহাজতে রয়েছেন।

কারাগারে থাকা সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য তামান্না নুসরাত বুবলীকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
রাজধানীর তেজগাঁও থানার ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ সোমবার ঢাকার এডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মোহাম্মদ জুনাইদ বুবলীকে কারাগারে রাখার আদেশ দেন।
আসামিকে আদালতে হাজির করে তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শরিফুল ইসলাম এই আবেদন করেন।
শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, এ মামলার ঘটনায় বুবলীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে অনেক তথ্য পাওয়া যাবে। এজন্য এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হোক।
বুবলীর পক্ষে আইনজীবী তাহমিনা তাহেরীন মুমু বলেন, “তদন্ত কর্মকর্তা আসামির বিরুদ্ধে মিছিলের টাকার যোগানদাতার যে অভিযোগ দিয়েছেন তা ভিত্তিহীন। কারণ এর কোনো স্লিপ নেই। তার দুইটা বাচ্চা আছে বাসায়। নরসিংদী থেকে কীভাবে টাকার যোগান দেবে সে? সার্বিক বিবেচনায় তাকে জামিন দেওয়া উচিত।”
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী , ২০২৫ সালের ৭ সেপ্টেম্বর তেজগাঁও থানাধীন বিজয় সরণি এলাকায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা একটি ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ মিছিল বের করে।
মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করে উসকানিমূলক স্লোগান দেয় এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামিরা পালানোর চেষ্টা করে। সে সময় হাতেনাতে মিরাজুল ইসলাম ওরফে মিঠু নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়, যার কাছ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত প্লাস্টিকের ব্যাগ এবং ককটেল বিস্ফোরণের আলামত উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় তেজগাঁও থানার উপপরিদর্শক নিয়াজ উদ্দিন এজাহারভুক্ত ১০ জন ও অজ্ঞাত ৩০/৪০ জনের নামে বাদী হয়ে মামলা করেন।
তদন্তকারীর আবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার পর স্থানীয় তদন্ত ও গ্রেপ্তারকৃত আসামির জিজ্ঞাসাবাদে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, সাবেক সংসদ সদস্য বুবলী ওই মিছিলের অর্থ যোগানদাতা ছিলেন। এজন্য তাকে এ মামলায় সুষ্ঠু তদন্তের জন্য গ্রেপ্তার দেখানো হোক।
তামান্না নুসরাত বুবলী বর্তমানে অন্য একটি মামলায় ডিএমপি তেজগাঁও থানার মামলায় গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর তারিখ থেকে জেলহাজতে রয়েছেন।