চরচা প্রতিবেদক

হামে মেয়ের অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগ এনে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূর জাহান বেগমসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে।
আজ রোববার ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে হামে মারা যাওয়া ৯ মাস বয়সী সাউদা মুসকানের বাবা সিরাজুল ইসলাম মামলার আবেদনটি করেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী তাছলিমা জাহান পপি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আদেশ অপেক্ষমাণ রেখেছেন।
অভিযোগে ড. ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ডা. মো. আবু জাফরের নামও উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, গেল ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ ও মার্চের শুরুর মধ্যবর্তী সময়ে মুসকান হঠাৎ প্রচণ্ড জ্বরে আক্রান্ত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে স্থানীয় ফার্মেসী থেকে ওষুধ খাওয়ানো হয়, কিন্তু জ্বর নিরাময় হয় না। পরে তাকে মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে মুসকানের শারীরিক অবস্থার ক্রমশ অবনতির পরিপ্রেক্ষিতে বাবা সিরাজুল তাকে ২২ মার্চ মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে ভর্তি করেন।
সেখানকার চিকিৎসক ও নার্সদের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় অসহযোগিতা ও অবহেলার অভিযোগ তুলে আবেদনে বলা হয়, বাদীর স্ত্রীর হাতে ২৬ মার্চ অক্সিজেন সিলিন্ডার ধরিয়ে দিয়ে বাচ্চার মুখে লাগাতে বলা হয়। তবে শিশুর মা ব্যর্থ হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুইপারকে দিয়ে শিশুর মুখে তা লাগিয়ে দেওয়া হয়। এর ঘণ্টা দুয়েক পরে শিশুটি মারা যায়।
সিরাজুল অভিযোগ করেন, সময়মতো টিকা আমদানি না করা ও মারাত্মক অবহেলাজনিত কারণে হামে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ে ছয় শতাধিকের শিশুমৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। যার মধ্যে সাউদা মুসকান অন্যতম। রাষ্ট্রযন্ত্রের অবহেলাজনিত মৃত্যুর কারণে এর দায়ভার আসামিদের ওপর বর্তায়, প্রচলিত আইনে শান্তিপাওয়ার যোগ্য।
গত ৮ জুন একই অভিযোগ এনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূর জাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মামলার আবেদন করেন কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল। তবে আদালত আবেদন খারিজ করে দেন। গত ৭ মে উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহত শিক্ষার্থী উক্য ছাইং মারমার বাবা উসাইমং মারমা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করেছিলেন। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ এনে করা ওই মামলার আবেদনও আদালত খারিজ করে দেন।

হামে মেয়ের অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগ এনে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূর জাহান বেগমসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে।
আজ রোববার ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে হামে মারা যাওয়া ৯ মাস বয়সী সাউদা মুসকানের বাবা সিরাজুল ইসলাম মামলার আবেদনটি করেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী তাছলিমা জাহান পপি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আদেশ অপেক্ষমাণ রেখেছেন।
অভিযোগে ড. ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ডা. মো. আবু জাফরের নামও উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, গেল ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ ও মার্চের শুরুর মধ্যবর্তী সময়ে মুসকান হঠাৎ প্রচণ্ড জ্বরে আক্রান্ত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে স্থানীয় ফার্মেসী থেকে ওষুধ খাওয়ানো হয়, কিন্তু জ্বর নিরাময় হয় না। পরে তাকে মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে মুসকানের শারীরিক অবস্থার ক্রমশ অবনতির পরিপ্রেক্ষিতে বাবা সিরাজুল তাকে ২২ মার্চ মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে ভর্তি করেন।
সেখানকার চিকিৎসক ও নার্সদের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় অসহযোগিতা ও অবহেলার অভিযোগ তুলে আবেদনে বলা হয়, বাদীর স্ত্রীর হাতে ২৬ মার্চ অক্সিজেন সিলিন্ডার ধরিয়ে দিয়ে বাচ্চার মুখে লাগাতে বলা হয়। তবে শিশুর মা ব্যর্থ হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুইপারকে দিয়ে শিশুর মুখে তা লাগিয়ে দেওয়া হয়। এর ঘণ্টা দুয়েক পরে শিশুটি মারা যায়।
সিরাজুল অভিযোগ করেন, সময়মতো টিকা আমদানি না করা ও মারাত্মক অবহেলাজনিত কারণে হামে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ে ছয় শতাধিকের শিশুমৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। যার মধ্যে সাউদা মুসকান অন্যতম। রাষ্ট্রযন্ত্রের অবহেলাজনিত মৃত্যুর কারণে এর দায়ভার আসামিদের ওপর বর্তায়, প্রচলিত আইনে শান্তিপাওয়ার যোগ্য।
গত ৮ জুন একই অভিযোগ এনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূর জাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মামলার আবেদন করেন কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল। তবে আদালত আবেদন খারিজ করে দেন। গত ৭ মে উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহত শিক্ষার্থী উক্য ছাইং মারমার বাবা উসাইমং মারমা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করেছিলেন। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ এনে করা ওই মামলার আবেদনও আদালত খারিজ করে দেন।