চরচা ডেস্ক

ভারতের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনেই পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকপ্রস্তাব (অবিচুয়ারি রেফারেন্স) গ্রহণ করার কথা রয়েছে।
আজ বুধবার থেকেই ভারতের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভা ও নিম্নকক্ষ লোকসভায় এই প্রস্তাব আনা হবে। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর উভয় কক্ষের যৌথ অধিবেশনে ভাষণের মাধ্যমে অধিবেশন শুরু হবে। এরপর রাজ্যসভার কার্যতালিকা (লিস্ট অব বিজনেস) অনুযায়ী, রাজ্যসভায় সাবেক এমপি এল গণেশন ও সুরেশ কলমাদির মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব গ্রহণ করা হবে। লোকসভায় সাবেক এমপি শালিনী পাতিল, ভানু প্রকাশ মির্ধা, সত্যেন্দ্র নাথ ব্রহ্ম চৌধুরী, সুরেশ কলমাদি এবং কবীন্দ্র পুরকায়স্থের মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
গত ৩০ ডিসেম্বর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে মারা যান খালেদা জিয়া। তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় আসেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, “ঢাকার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোকাহত। তার পরিবার এবং বাংলাদেশের সকল মানুষের প্রতি আমাদের আন্তরিক সমবেদনা জানাই।”

ভারতের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনেই পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকপ্রস্তাব (অবিচুয়ারি রেফারেন্স) গ্রহণ করার কথা রয়েছে।
আজ বুধবার থেকেই ভারতের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভা ও নিম্নকক্ষ লোকসভায় এই প্রস্তাব আনা হবে। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর উভয় কক্ষের যৌথ অধিবেশনে ভাষণের মাধ্যমে অধিবেশন শুরু হবে। এরপর রাজ্যসভার কার্যতালিকা (লিস্ট অব বিজনেস) অনুযায়ী, রাজ্যসভায় সাবেক এমপি এল গণেশন ও সুরেশ কলমাদির মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব গ্রহণ করা হবে। লোকসভায় সাবেক এমপি শালিনী পাতিল, ভানু প্রকাশ মির্ধা, সত্যেন্দ্র নাথ ব্রহ্ম চৌধুরী, সুরেশ কলমাদি এবং কবীন্দ্র পুরকায়স্থের মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
গত ৩০ ডিসেম্বর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে মারা যান খালেদা জিয়া। তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় আসেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, “ঢাকার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোকাহত। তার পরিবার এবং বাংলাদেশের সকল মানুষের প্রতি আমাদের আন্তরিক সমবেদনা জানাই।”

গণতন্ত্র ছাড়া বাংলাদেশের মুক্তি বা সম্প্রীতি অর্জন সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “সেই দিক দিয়ে রাজনীতি একটি ভালো দিক আমি লক্ষ্য করেছি । এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সচেতনতা বেড়েছে। গণতন্ত্রের প্রতি তাদের ঐকান্তিক আগ্রহ বেড়েছে। এটি বাংলাদেশকে অনেক এগিয়ে নিয়ে যাবে।”

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এক বক্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। সেই বক্তব্যের ফ্যাক্টচেক করে ফ্যাক্ট চেকিং ও গবেষণাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিসমিসল্যাব দাবি করেছে, তারেক রহমানের বক্তব্যে ইতিহাসের বিভ্রাট ঘটেছে।