চরচা ডেস্ক

দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনের অবসান ঘটল। হাঙ্গেরির ক্ষমতা হারালেন ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভ্লাদিমির পুতিনের বন্ধু হিসেবে পরিচিত ‘কট্টর’ জাতীয়তাবাদী নেতা ভিক্টর অরবান। গতকাল রোববারের নির্বাচনে রেকর্ডসংখ্যক ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে দেশটির নতুন পথপ্রদর্শক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নপন্থী নেতা পিটার ম্যাগিয়ার।
প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, ম্যাগিয়ারের নেতৃত্বাধীন মধ্য-ডানপন্থী দল ‘তিসজা’ পার্লামেন্টে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে। এই জয়ের মাধ্যমে অরবানের দীর্ঘদিনের ইইউ-বিরোধী অবস্থানের অবসান ঘটতে চলেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
যদিও ৬২ বছর বয়সী ভিক্টর অরবান নিজেকে হাঙ্গেরির জাতীয় ঐতিহ্যের রক্ষক হিসেবে দাবি করে আসছিলেন এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো নেতাদের সমর্থন পেয়েছিলেন। কিন্তু অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিই তার পতনের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রয়টার্স বলছে, ইউক্রেন যুদ্ধের পর ইউরোপের মধ্যে হাঙ্গেরিতেই খাদ্যের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। গত তিন বছর ধরে দেশের অর্থনীতি স্থবির হয়ে আছে। অরবানের কট্টর ডানপন্থী নীতি তরুণ ভোটারদের তিসজা পার্টির দিকে ঠেলে দিয়েছে।
ভিক্টর অরবান বরাবরই ইউক্রেনকে সহায়তার বিরোধিতা করে আসছিলেন এবং রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন। পিটার ম্যাগিয়ারের এই জয় ইউরোপীয় রাজনীতির সমীকরণ বদলে দিতে পারে। ম্যাগিয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তিনি অরবানের বিতর্কিত আইনি সংস্কারগুলো বাতিল করবেন এবং ইইউর সঙ্গে স্থগিত হয়ে থাকা বিলিয়ন বিলিয়ন ইউরোর তহবিল পুনরুদ্ধারে কাজ করবেন।
ভিক্টর অরবান ১৯৯৮ সালে মাত্র ৩৫ বছর বয়সে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। এরপর ২০১০ সাল থেকে টানা ক্ষমতায় থেকে দেশের সংবিধানে আমূল পরিবর্তন আনেন। তবে রোববার রাতে বুদাপেস্টের রাস্তায় হাজার হাজার মানুষের উল্লাস প্রমাণ করেছে যে, হাঙ্গেরি এখন এক নতুন রাজনৈতিক ভোরের অপেক্ষায়।

দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনের অবসান ঘটল। হাঙ্গেরির ক্ষমতা হারালেন ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভ্লাদিমির পুতিনের বন্ধু হিসেবে পরিচিত ‘কট্টর’ জাতীয়তাবাদী নেতা ভিক্টর অরবান। গতকাল রোববারের নির্বাচনে রেকর্ডসংখ্যক ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে দেশটির নতুন পথপ্রদর্শক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নপন্থী নেতা পিটার ম্যাগিয়ার।
প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, ম্যাগিয়ারের নেতৃত্বাধীন মধ্য-ডানপন্থী দল ‘তিসজা’ পার্লামেন্টে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে। এই জয়ের মাধ্যমে অরবানের দীর্ঘদিনের ইইউ-বিরোধী অবস্থানের অবসান ঘটতে চলেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
যদিও ৬২ বছর বয়সী ভিক্টর অরবান নিজেকে হাঙ্গেরির জাতীয় ঐতিহ্যের রক্ষক হিসেবে দাবি করে আসছিলেন এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো নেতাদের সমর্থন পেয়েছিলেন। কিন্তু অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিই তার পতনের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রয়টার্স বলছে, ইউক্রেন যুদ্ধের পর ইউরোপের মধ্যে হাঙ্গেরিতেই খাদ্যের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। গত তিন বছর ধরে দেশের অর্থনীতি স্থবির হয়ে আছে। অরবানের কট্টর ডানপন্থী নীতি তরুণ ভোটারদের তিসজা পার্টির দিকে ঠেলে দিয়েছে।
ভিক্টর অরবান বরাবরই ইউক্রেনকে সহায়তার বিরোধিতা করে আসছিলেন এবং রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন। পিটার ম্যাগিয়ারের এই জয় ইউরোপীয় রাজনীতির সমীকরণ বদলে দিতে পারে। ম্যাগিয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তিনি অরবানের বিতর্কিত আইনি সংস্কারগুলো বাতিল করবেন এবং ইইউর সঙ্গে স্থগিত হয়ে থাকা বিলিয়ন বিলিয়ন ইউরোর তহবিল পুনরুদ্ধারে কাজ করবেন।
ভিক্টর অরবান ১৯৯৮ সালে মাত্র ৩৫ বছর বয়সে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। এরপর ২০১০ সাল থেকে টানা ক্ষমতায় থেকে দেশের সংবিধানে আমূল পরিবর্তন আনেন। তবে রোববার রাতে বুদাপেস্টের রাস্তায় হাজার হাজার মানুষের উল্লাস প্রমাণ করেছে যে, হাঙ্গেরি এখন এক নতুন রাজনৈতিক ভোরের অপেক্ষায়।