চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় সাড়ে তিন বছরের শিশু ধর্ষণের ঘটনায় করা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ তিন কার্যদিবসে শেষ হয়েছে। আজ রোববার চট্টগ্রাম মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফছা ঝুমার আদালতে তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়।
ওই আদালতের পিপি মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ চরচাকে বলেন, এদিন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও চিকিৎসকসহ তিনজন সাক্ষ্য দেন। আলোচিত এ মামলায় তিন কার্যদিবসে মোট ১৮জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য দিয়েছেন, তাদের জেরাও সম্পন্ন হয়েছে।
বিচারক সোমবার আসামপিক্ষের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য দিন রেখেছেন।
গত ২১ মে বিকেলে নগরীতে সাড়ে তিন বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠে স্থানীয় ডেকোরেটর কর্মচারী ৩২ বছর বয়সী মনির হোসেনের বিরুদ্ধে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নেওয়ার সময় এলাকাবাসী বাধা দেয়।
এসময় পুলিশের সঙ্গে এলাকাবাসীর কয়েক দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী পুলিশের একটি ট্রাকে আগুনও দেয়।এ ঘটনায় শিশুটির পিতা বাদী হয়ে মনিরকে আসামি করে বাকলিয়া থানায় মামলা করেন। গত ২২ মে চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু বক্কর সিদ্দিকের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় গ্রেপ্তার মনির।
ঘটনার ১৫ দিনের মাথায় গত ৪ জুন বিকেলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাকলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তানভীর আহমেদ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৯(১) ধারায় ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়।

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় সাড়ে তিন বছরের শিশু ধর্ষণের ঘটনায় করা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ তিন কার্যদিবসে শেষ হয়েছে। আজ রোববার চট্টগ্রাম মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফছা ঝুমার আদালতে তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়।
ওই আদালতের পিপি মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ চরচাকে বলেন, এদিন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও চিকিৎসকসহ তিনজন সাক্ষ্য দেন। আলোচিত এ মামলায় তিন কার্যদিবসে মোট ১৮জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য দিয়েছেন, তাদের জেরাও সম্পন্ন হয়েছে।
বিচারক সোমবার আসামপিক্ষের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য দিন রেখেছেন।
গত ২১ মে বিকেলে নগরীতে সাড়ে তিন বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠে স্থানীয় ডেকোরেটর কর্মচারী ৩২ বছর বয়সী মনির হোসেনের বিরুদ্ধে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নেওয়ার সময় এলাকাবাসী বাধা দেয়।
এসময় পুলিশের সঙ্গে এলাকাবাসীর কয়েক দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী পুলিশের একটি ট্রাকে আগুনও দেয়।এ ঘটনায় শিশুটির পিতা বাদী হয়ে মনিরকে আসামি করে বাকলিয়া থানায় মামলা করেন। গত ২২ মে চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু বক্কর সিদ্দিকের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় গ্রেপ্তার মনির।
ঘটনার ১৫ দিনের মাথায় গত ৪ জুন বিকেলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাকলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তানভীর আহমেদ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৯(১) ধারায় ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশের তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, জিসান প্রধান ওই নারীকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কে জড়ান। এক পর্যায়ে ওই নারী গর্ভবতী হলে তাকে গর্ভপাত করানোর জন্য চাপ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, গর্ভপাত না করলে তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল।