চরচা প্রতিবেদক

ধর্ষণের অভিযোগে গত জানুয়ারিতে মামলা হয়েছিল তিন সন্তানের জনক সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। মার্চের শেষদিকে তাকে গ্রেপ্তারও করে পুলিশ। এরপর মামলার কার্যক্রম চলকালেই নিজেদের মধ্যে আপস হয়।
আজ মঙ্গলবার আদালতেই ১০ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্যে তাদের বিবাহের কাজ সম্পন্ন হয়। আদালত আসামিকে তিন মাসের মধ্যে দেনমোহরের টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেন। এরপর পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় আদালত তার জামিনের আদেশ দেন।
ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ তার জামিনের আদেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী শফিকুল ইসলাম সবুজ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ধর্ষণের অভিযোগ এনে সাইফুলের বিরুদ্ধে গত ২৫ জানুয়ারি ভাটারা থানায় মামলা করেন ওই নারী। গত ৩১ মার্চ গুলশানের বারিধারা এলাকা থেকে সাইফুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে কারাগারে ছিলেন তিনি।
ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা। এজন্য দুই পক্ষ থেকে আপসের কথা হয়। অবশেষে ১০ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্যে বিবাহে সম্মত হন সাইফুল।
আজ মামলার দিন ধার্য ছিল। আসামিপক্ষ ও বাদীপক্ষ আদালতকে আপসের বিষয় জানায়। পরে আদালতে বসেই ১০ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্যে তাদের বিবাহের কাজ সম্পন্ন হয়। আদালত আসামিকে তিন মাসের মধ্যে দেনমোহরের টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেন। এরপর পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় আদালত তার জামিনের আদেশ দেন।
অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম সবুজ জানান, দুই পক্ষের মধ্যে একটা আপস হয়েছে। ১০ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্যে তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে। তিন মাসের মধ্যে আদালত দেনমোহরের টাকা পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছে।
সাইফুলের আগের সংসার থাকার কথা জানিয়ে সবুজ বলেন, “তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।”
বাদীপক্ষের আইনজীবী এম. মিজানুর রহমান বলেন, “বাদী ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। মামলাটা আপস হয়েছে। আসামির জামিন হয়েছে। তারা সংসার করতে চান।”
মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয়ের সুবাধে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সাইফুল বিয়ের কথা বলে ওই নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন। স্ত্রী পরিচয়ে ওই নারীকে ভাটারার নতুন বাজার এলাকায় বাসা ভাড়া করে দেন সাইফুল। সেখানে গিয়েও ওই নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন তিনি। অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন ওই নারী। গত ১৩ জানুয়ারি বিয়ের আশ্বাসে ওই নারীকে ধর্ষণ করেন সাইফুল।

ধর্ষণের অভিযোগে গত জানুয়ারিতে মামলা হয়েছিল তিন সন্তানের জনক সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। মার্চের শেষদিকে তাকে গ্রেপ্তারও করে পুলিশ। এরপর মামলার কার্যক্রম চলকালেই নিজেদের মধ্যে আপস হয়।
আজ মঙ্গলবার আদালতেই ১০ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্যে তাদের বিবাহের কাজ সম্পন্ন হয়। আদালত আসামিকে তিন মাসের মধ্যে দেনমোহরের টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেন। এরপর পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় আদালত তার জামিনের আদেশ দেন।
ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ তার জামিনের আদেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী শফিকুল ইসলাম সবুজ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ধর্ষণের অভিযোগ এনে সাইফুলের বিরুদ্ধে গত ২৫ জানুয়ারি ভাটারা থানায় মামলা করেন ওই নারী। গত ৩১ মার্চ গুলশানের বারিধারা এলাকা থেকে সাইফুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে কারাগারে ছিলেন তিনি।
ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা। এজন্য দুই পক্ষ থেকে আপসের কথা হয়। অবশেষে ১০ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্যে বিবাহে সম্মত হন সাইফুল।
আজ মামলার দিন ধার্য ছিল। আসামিপক্ষ ও বাদীপক্ষ আদালতকে আপসের বিষয় জানায়। পরে আদালতে বসেই ১০ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্যে তাদের বিবাহের কাজ সম্পন্ন হয়। আদালত আসামিকে তিন মাসের মধ্যে দেনমোহরের টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেন। এরপর পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় আদালত তার জামিনের আদেশ দেন।
অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম সবুজ জানান, দুই পক্ষের মধ্যে একটা আপস হয়েছে। ১০ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্যে তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে। তিন মাসের মধ্যে আদালত দেনমোহরের টাকা পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছে।
সাইফুলের আগের সংসার থাকার কথা জানিয়ে সবুজ বলেন, “তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।”
বাদীপক্ষের আইনজীবী এম. মিজানুর রহমান বলেন, “বাদী ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। মামলাটা আপস হয়েছে। আসামির জামিন হয়েছে। তারা সংসার করতে চান।”
মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয়ের সুবাধে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সাইফুল বিয়ের কথা বলে ওই নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন। স্ত্রী পরিচয়ে ওই নারীকে ভাটারার নতুন বাজার এলাকায় বাসা ভাড়া করে দেন সাইফুল। সেখানে গিয়েও ওই নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন তিনি। অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন ওই নারী। গত ১৩ জানুয়ারি বিয়ের আশ্বাসে ওই নারীকে ধর্ষণ করেন সাইফুল।