চরচা ডেস্ক

ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভকে অপসারণ করছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশটির বেশ কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানায় ইউক্রেনের সংবাদমাধ্যম কিয়েভ পোস্ট। স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার এই বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে।
ফেদোরভকে পদে পুনর্বহাল করার দাবি জানানোর পাশাপাশি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়ার রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করছেন বিক্ষোভকারীরা।
এমন এক সময়ে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলো, যখন ইউক্রেনের পার্লামেন্টে নতুন সরকার গঠনের প্রস্তাব নিয়ে ভোট চলছে। এ ছাড়া রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যায় পার করছে ইউক্রেন।
স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে কিয়েভ পোস্ট আরও জানায়, রাজধানী কিয়েভে শত শত মানুষ বিক্ষোভের জন্য জড়ো হয়েছেন।
এছাড়া লুৎস্ক, পোলতাভা, মাইকোলাইভ এবং তেরনোপিল শহরেও ছোট আকারের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কিয়েভ টুয়েন্টি ফোরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জনগণের সঙ্গে কোনো রকম আলোচনা বা পরামর্শ ছাড়াই ফেদোরভকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিক্ষোভকারীরা।
তারা বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর পাশে দাঁড়িয়ে ফেদোরভ জনগণের আস্থা অর্জন করেছিলেন আর ইউক্রেনের পার্লামেন্ট (ভেরখোভনা রাদা) তাকে অপসারণের কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।
গত রোববার মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদল করেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। চলতি বছর এ নিয়ে দুইবার মন্ত্রিসভা ঢেলে সাজালেন তিনি। নতুন মন্ত্রিসভায় ৩৫ বছর বয়সী প্রযুক্তিবিদ ফেদোরভের জায়গা হয়নি। তাকে অপসারণের মধ্য দিয়ে তার সঙ্গে সেনাপ্রধান ওলেক্সান্দর সিরস্কির মতবিরোধও প্রকাশ্যে এসেছে।

ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভকে অপসারণ করছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশটির বেশ কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানায় ইউক্রেনের সংবাদমাধ্যম কিয়েভ পোস্ট। স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার এই বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে।
ফেদোরভকে পদে পুনর্বহাল করার দাবি জানানোর পাশাপাশি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়ার রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করছেন বিক্ষোভকারীরা।
এমন এক সময়ে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলো, যখন ইউক্রেনের পার্লামেন্টে নতুন সরকার গঠনের প্রস্তাব নিয়ে ভোট চলছে। এ ছাড়া রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যায় পার করছে ইউক্রেন।
স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে কিয়েভ পোস্ট আরও জানায়, রাজধানী কিয়েভে শত শত মানুষ বিক্ষোভের জন্য জড়ো হয়েছেন।
এছাড়া লুৎস্ক, পোলতাভা, মাইকোলাইভ এবং তেরনোপিল শহরেও ছোট আকারের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কিয়েভ টুয়েন্টি ফোরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জনগণের সঙ্গে কোনো রকম আলোচনা বা পরামর্শ ছাড়াই ফেদোরভকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিক্ষোভকারীরা।
তারা বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর পাশে দাঁড়িয়ে ফেদোরভ জনগণের আস্থা অর্জন করেছিলেন আর ইউক্রেনের পার্লামেন্ট (ভেরখোভনা রাদা) তাকে অপসারণের কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।
গত রোববার মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদল করেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। চলতি বছর এ নিয়ে দুইবার মন্ত্রিসভা ঢেলে সাজালেন তিনি। নতুন মন্ত্রিসভায় ৩৫ বছর বয়সী প্রযুক্তিবিদ ফেদোরভের জায়গা হয়নি। তাকে অপসারণের মধ্য দিয়ে তার সঙ্গে সেনাপ্রধান ওলেক্সান্দর সিরস্কির মতবিরোধও প্রকাশ্যে এসেছে।

রূপান্তরমূলক ট্রান্সফরমেটিভ চেঞ্জ মেকিং, রাজনৈতিক কৌশল প্রণয়ন এবং গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বয়ান উৎপাদন বিষয়ে বক্তারা বলেছেন, ইন্টারেক্টিভ আলোচনা ও অংশগ্রহণমূলক অনুশীলনের মাধ্যমে রাজনৈতিক কর্মীরা অন্তর্ভুক্তিমূলক আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেন, যা কাঠামোগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবে এবং নারীর অর্থবহ রাজনৈতিক

বিবৃতিতে শুধু ঝিনাইদহের ভাস্কর্যটিই নয়, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাঙচুরকৃত সকল ভাস্কর্য সংস্কার ও পুনর্স্থাপনের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি এসব ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান নাগরিক প্রতিনিধিরা।

খুলনায় দৃষ্টিনন্দন বহুমাত্রিক আধুনিক জিয়া হল নির্মাণ, গল্লামারী ব্রিজের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করাসহ বেশ কিছু দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত নগরীর শিববাড়ি মোড়ে ‘বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটি’র উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।