চরচা ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরেই একটি সৌর বিদ্যুৎ চুক্তি সই হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর এক সংলাপে এ তথ্য জানান তিনি। খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
চিফ হুইপ বলেন, “সরকার চীনের সাথে সৌর শক্তি সংক্রান্ত একটি চুক্তি করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে কাজ করছে। আশা করা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরেই চুক্তিটি চূড়ান্ত হবে।”
নূরুল ইসলাম মনি জানান, সরকার বর্তমানে শহরাঞ্চলের ছাদ কৃষি থেকে শুরু করে গ্রামীণ কৃষি খাত পর্যন্ত বহুমুখী সৌর শক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামের কৃষি সেচ পাম্পগুলোকে সৌর বিদ্যুতের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে সেচ কাজে কৃষকদের দেওয়া বিপুল পরিমাণ জ্বালানি ভর্তুকি উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।
লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কিছুটা সময় লাগার কথা স্বীকার করে চিফ হুইপ বলেন, “আমাদের হয়তো তিন মাস বা তিন বছরে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে না। তবে মূল বিষয় হলো কাজটা শুরু করা এবং আমরা এখনই তা শুরু করতে চাই।”
চলতি বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের জন্য বড় ধরনের কর মওকুফ ও সর্বোচ্চ আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে চিফ হুইপ ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ী গোষ্ঠীগুলোকে এই খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
বিষয়টি নিয়ে চিফ হুইপ বলেন, “একটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্ল্যান্ট তিন থেকে চার বছরের মধ্যে তার প্রাথমিক খরচ তুলে আনতে পারে এবং এটি প্রায় ১৫ বছর সচল থাকে। তাই এই খাতে বিনিয়োগ নিঃসন্দেহে লাভজনক।”
সৌর বিদ্যুৎ খাতে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সিপিডি কয়েকটি সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে—নেট মিটারিংয়ের যোগ্যতা অর্জনের প্রক্রিয়া সহজ করা, সব বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার জন্য একক ডিজিটাল আবেদন প্ল্যাটফর্ম চালু করা, ফটোভোল্টাইক উপকরণের ওপর শুল্ক যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনা, এবং রিনিউয়েবল এনার্জি সার্ভিস কোম্পানি (রেসকো)-ভিত্তিক জামানত কাঠামো গড়ে তোলা, যাতে বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তিকে ব্যাংকযোগ্য নিরাপত্তা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
এ ছাড়া, অব্যবহৃত মৌসুমে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি করতে সৌর সেচপাম্পকেও নেট মিটারিং ব্যবস্থার আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়েছে।
সিপিডি আরও বলেছে, টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (স্রেডা) অধীনে একটি জাতীয় বিকেন্দ্রীভূত নবায়নযোগ্য জ্বালানি সমন্বয় সংস্থা গঠন করা প্রয়োজন, যা শুধু স্থাপনার সংখ্যা নয়, দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার ও কার্যকারিতাও পর্যবেক্ষণ করবে। একই সঙ্গে অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোকে শুধু ঋণ বা অনুদান বিতরণের জন্য নয়, বরং প্রকল্পের ধারাবাহিক ব্যবহার নিশ্চিত করার ভিত্তিতে প্রণোদনা দেওয়ার ব্যবস্থাও চালু করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরেই একটি সৌর বিদ্যুৎ চুক্তি সই হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর এক সংলাপে এ তথ্য জানান তিনি। খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
চিফ হুইপ বলেন, “সরকার চীনের সাথে সৌর শক্তি সংক্রান্ত একটি চুক্তি করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে কাজ করছে। আশা করা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরেই চুক্তিটি চূড়ান্ত হবে।”
নূরুল ইসলাম মনি জানান, সরকার বর্তমানে শহরাঞ্চলের ছাদ কৃষি থেকে শুরু করে গ্রামীণ কৃষি খাত পর্যন্ত বহুমুখী সৌর শক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামের কৃষি সেচ পাম্পগুলোকে সৌর বিদ্যুতের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে সেচ কাজে কৃষকদের দেওয়া বিপুল পরিমাণ জ্বালানি ভর্তুকি উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।
লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কিছুটা সময় লাগার কথা স্বীকার করে চিফ হুইপ বলেন, “আমাদের হয়তো তিন মাস বা তিন বছরে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে না। তবে মূল বিষয় হলো কাজটা শুরু করা এবং আমরা এখনই তা শুরু করতে চাই।”
চলতি বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের জন্য বড় ধরনের কর মওকুফ ও সর্বোচ্চ আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে চিফ হুইপ ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ী গোষ্ঠীগুলোকে এই খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
বিষয়টি নিয়ে চিফ হুইপ বলেন, “একটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্ল্যান্ট তিন থেকে চার বছরের মধ্যে তার প্রাথমিক খরচ তুলে আনতে পারে এবং এটি প্রায় ১৫ বছর সচল থাকে। তাই এই খাতে বিনিয়োগ নিঃসন্দেহে লাভজনক।”
সৌর বিদ্যুৎ খাতে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সিপিডি কয়েকটি সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে—নেট মিটারিংয়ের যোগ্যতা অর্জনের প্রক্রিয়া সহজ করা, সব বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার জন্য একক ডিজিটাল আবেদন প্ল্যাটফর্ম চালু করা, ফটোভোল্টাইক উপকরণের ওপর শুল্ক যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনা, এবং রিনিউয়েবল এনার্জি সার্ভিস কোম্পানি (রেসকো)-ভিত্তিক জামানত কাঠামো গড়ে তোলা, যাতে বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তিকে ব্যাংকযোগ্য নিরাপত্তা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
এ ছাড়া, অব্যবহৃত মৌসুমে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি করতে সৌর সেচপাম্পকেও নেট মিটারিং ব্যবস্থার আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়েছে।
সিপিডি আরও বলেছে, টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (স্রেডা) অধীনে একটি জাতীয় বিকেন্দ্রীভূত নবায়নযোগ্য জ্বালানি সমন্বয় সংস্থা গঠন করা প্রয়োজন, যা শুধু স্থাপনার সংখ্যা নয়, দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার ও কার্যকারিতাও পর্যবেক্ষণ করবে। একই সঙ্গে অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোকে শুধু ঋণ বা অনুদান বিতরণের জন্য নয়, বরং প্রকল্পের ধারাবাহিক ব্যবহার নিশ্চিত করার ভিত্তিতে প্রণোদনা দেওয়ার ব্যবস্থাও চালু করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।