চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুর-২ এলাকায় স্বামীর দেওয়া আগুনে দগ্ধ এক গৃহবধূ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ রোববার বিকেল প্রায় তিনটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত শিফা বেগমের বাড়ি মিরপুর-২ নম্বরের বাসিন্দা। তার স্বামী সোহেল পেশায় একজন গার্মেন্টস শ্রমিক।
নিহতের বাবা জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ করেন, প্রায় আট মাস আগে সোহেলের সঙ্গে তার মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে শিফার ওপর নির্যাতন চালানো হতো। গত ২৪ জুন রাত সাড়ে ৮টার দিকে তার জামাই সোহেল শিফার শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
জাহাঙ্গীর আলম আরও জানান, স্থানীয় লোকজন গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় শিফাকে উদ্ধার করে রাত ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করে। পরে রাত সাড়ে ৩টার দিকে পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর রোববার বিকেলে তার মৃত্যু হয়।
জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “আমার মেয়ে নিজেই হাসপাতালে আমাদের জানিয়েছে, তার স্বামী কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়েছে।”
ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক হারুনুর রশিদ জানান, শিফা বেগমকে ২৪ জুন রাতের দিকে ৬৫ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় ভর্তি করা হয়। তার শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সেদিনই তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার বিকেলে তার মৃত্যু হয়।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাতে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

রাজধানীর মিরপুর-২ এলাকায় স্বামীর দেওয়া আগুনে দগ্ধ এক গৃহবধূ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ রোববার বিকেল প্রায় তিনটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত শিফা বেগমের বাড়ি মিরপুর-২ নম্বরের বাসিন্দা। তার স্বামী সোহেল পেশায় একজন গার্মেন্টস শ্রমিক।
নিহতের বাবা জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ করেন, প্রায় আট মাস আগে সোহেলের সঙ্গে তার মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে শিফার ওপর নির্যাতন চালানো হতো। গত ২৪ জুন রাত সাড়ে ৮টার দিকে তার জামাই সোহেল শিফার শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
জাহাঙ্গীর আলম আরও জানান, স্থানীয় লোকজন গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় শিফাকে উদ্ধার করে রাত ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করে। পরে রাত সাড়ে ৩টার দিকে পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর রোববার বিকেলে তার মৃত্যু হয়।
জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “আমার মেয়ে নিজেই হাসপাতালে আমাদের জানিয়েছে, তার স্বামী কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়েছে।”
ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক হারুনুর রশিদ জানান, শিফা বেগমকে ২৪ জুন রাতের দিকে ৬৫ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় ভর্তি করা হয়। তার শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সেদিনই তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার বিকেলে তার মৃত্যু হয়।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাতে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।