ফ্রান্স ১ : ০ প্যারাগুয়ে
চরচা ডেস্ক

অন্য সব কিছু বাদ দিন, প্যারাগুয়ে কীভাবে এই ম্যাচে কোনো হলুদ কার্ড দেখল না, সেটা একটা বড় ধাঁধা হয়ে থাকবে।
ফিলাডেলফিয়ার প্রায় ৩৮ ডিগ্রি গরমে তপ্ত দিনের রোদে আর যা-ই হোক, ফুটবলটা ঠিক জমে ওঠার কথা না। তারওপর একদিকে যখন প্যারাগুয়ের মতো দল, নিজেরা না খেলে যাদের মূল লক্ষ্য থাকে প্রতিপক্ষের খেলা নষ্ট করার দিকে…ফুটবল সেখানে ফুল হয়ে ফোটার কোনো কারণ নেই। বিশ্বকাপে আগের চার ম্যাচে ৫৩টি ফাউল করা প্যারাগুয়ে আজ করেছে আরও ১২টি।
রাউন্ড অব সিক্সটিনে আজ কিলিয়ান এমবাপ্পের ফ্রান্সকে তাই কঠিন পরীক্ষাই দিতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত পেনাল্টি থেকে এমবাপ্পের গোলই এই ম্যাচে ব্যবধান গড়ে দিয়েছে। ১-০ গোলে জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেছে ফ্রান্স, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ মরক্কো।
প্যারাগুয়ে কতটা অ্যান্টি-ফুটবল খেলেছে, তার একটা প্রমাণ এই যে, ১৯৬৬ বিশ্বকাপের পর থেকে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সবচেয়ে কম সফল পাসের রেকর্ড আজ গড়ে ফেলেছে প্যারাগুয়ে (৯৯)। সফল পাসের হারও (৫৪.১%) সবচেয়ে কম। গুস্তাভো আলফারোর দল ৫-৪-১ ছকে লো ব্লকে ফ্রান্সকে আটকাতে চেষ্টার কমতি রাখেনি। প্রথমার্ধে সফলও বলতে হবে তাদের, ফ্রান্স পোস্টে কোনো শট রাখতে পারেনি। প্যারাগুয়েও পারেনি, তবে সেটা সম্ভবত আলাদা করে বলার আর দরকার পড়ে না।
দুই অর্ধেই অবশ্য দু-একবার করে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েছে দুই দল। তবে বিরতিতে ড্রেসিংরুমে ঠাণ্ডায় কিছুক্ষণ বসতে পারার কারণে হোক, বা ফিলাডেলফিয়ার স্টেডিয়ামের রোদ সরাসরি মাঠে পড়া থেকে দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা সরে যাওয়ার কারণে হোক কিংবা কোচ দিদিয়ের দেশঁর বকুনির কারণে, দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্স আরেকটু তেড়েফুঁড়ে খেলেছে।
দেজিরে দুয়ে বদলি নামার পর সেই আক্রমণাত্মক ফুটবলের ফলও এসেছে। সরাসরি নয়, পেনাল্টির হাত ধরে। রেফারি প্রথমে ফাউল না দিলেও ভিএআরে দেখে সিদ্ধান্ত বদলান। বক্সে দুয়েকে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় ফ্রান্স, যদিও দুয়ে ডাইভ দিয়েছিলেন কি না এ নিয়ে বিতর্ক আছে। তা যা-ই হোক, ৭০ মিনিটে তা থেকে গোল করেন এমবাপ্পে। এই বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলে (৭) ছুঁয়ে ফেললেন মেসিকে, বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গোলে মেসির (২০ গোল) ঠিক এক গোল পেছনেই আছেন এমবাপ্পে।
প্যারাগুয়ে এরপর একটু ফুটবল খেলার চেষ্টা করেছে। কিন্তু তাতে আর লাভ হয়নি। ফ্রান্স তৃপ্ত হতে পারে এই ভেবে যে, রাউন্ড অব থার্টি টু-তে এই ফুটবলেই জার্মানিকে পরাস্ত করা প্যারাগুয়ের অ্যান্টি-ফুটবলের একটা সমাধান আপাতত তারা পেয়েছে। কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কো সেই চেষ্টা করলেও ফ্রান্সের কাছে পরীক্ষাটা অচেনা মনে হবে না আর।

অন্য সব কিছু বাদ দিন, প্যারাগুয়ে কীভাবে এই ম্যাচে কোনো হলুদ কার্ড দেখল না, সেটা একটা বড় ধাঁধা হয়ে থাকবে।
ফিলাডেলফিয়ার প্রায় ৩৮ ডিগ্রি গরমে তপ্ত দিনের রোদে আর যা-ই হোক, ফুটবলটা ঠিক জমে ওঠার কথা না। তারওপর একদিকে যখন প্যারাগুয়ের মতো দল, নিজেরা না খেলে যাদের মূল লক্ষ্য থাকে প্রতিপক্ষের খেলা নষ্ট করার দিকে…ফুটবল সেখানে ফুল হয়ে ফোটার কোনো কারণ নেই। বিশ্বকাপে আগের চার ম্যাচে ৫৩টি ফাউল করা প্যারাগুয়ে আজ করেছে আরও ১২টি।
রাউন্ড অব সিক্সটিনে আজ কিলিয়ান এমবাপ্পের ফ্রান্সকে তাই কঠিন পরীক্ষাই দিতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত পেনাল্টি থেকে এমবাপ্পের গোলই এই ম্যাচে ব্যবধান গড়ে দিয়েছে। ১-০ গোলে জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেছে ফ্রান্স, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ মরক্কো।
প্যারাগুয়ে কতটা অ্যান্টি-ফুটবল খেলেছে, তার একটা প্রমাণ এই যে, ১৯৬৬ বিশ্বকাপের পর থেকে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সবচেয়ে কম সফল পাসের রেকর্ড আজ গড়ে ফেলেছে প্যারাগুয়ে (৯৯)। সফল পাসের হারও (৫৪.১%) সবচেয়ে কম। গুস্তাভো আলফারোর দল ৫-৪-১ ছকে লো ব্লকে ফ্রান্সকে আটকাতে চেষ্টার কমতি রাখেনি। প্রথমার্ধে সফলও বলতে হবে তাদের, ফ্রান্স পোস্টে কোনো শট রাখতে পারেনি। প্যারাগুয়েও পারেনি, তবে সেটা সম্ভবত আলাদা করে বলার আর দরকার পড়ে না।
দুই অর্ধেই অবশ্য দু-একবার করে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েছে দুই দল। তবে বিরতিতে ড্রেসিংরুমে ঠাণ্ডায় কিছুক্ষণ বসতে পারার কারণে হোক, বা ফিলাডেলফিয়ার স্টেডিয়ামের রোদ সরাসরি মাঠে পড়া থেকে দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা সরে যাওয়ার কারণে হোক কিংবা কোচ দিদিয়ের দেশঁর বকুনির কারণে, দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্স আরেকটু তেড়েফুঁড়ে খেলেছে।
দেজিরে দুয়ে বদলি নামার পর সেই আক্রমণাত্মক ফুটবলের ফলও এসেছে। সরাসরি নয়, পেনাল্টির হাত ধরে। রেফারি প্রথমে ফাউল না দিলেও ভিএআরে দেখে সিদ্ধান্ত বদলান। বক্সে দুয়েকে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় ফ্রান্স, যদিও দুয়ে ডাইভ দিয়েছিলেন কি না এ নিয়ে বিতর্ক আছে। তা যা-ই হোক, ৭০ মিনিটে তা থেকে গোল করেন এমবাপ্পে। এই বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলে (৭) ছুঁয়ে ফেললেন মেসিকে, বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গোলে মেসির (২০ গোল) ঠিক এক গোল পেছনেই আছেন এমবাপ্পে।
প্যারাগুয়ে এরপর একটু ফুটবল খেলার চেষ্টা করেছে। কিন্তু তাতে আর লাভ হয়নি। ফ্রান্স তৃপ্ত হতে পারে এই ভেবে যে, রাউন্ড অব থার্টি টু-তে এই ফুটবলেই জার্মানিকে পরাস্ত করা প্যারাগুয়ের অ্যান্টি-ফুটবলের একটা সমাধান আপাতত তারা পেয়েছে। কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কো সেই চেষ্টা করলেও ফ্রান্সের কাছে পরীক্ষাটা অচেনা মনে হবে না আর।