চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর কলাবাগান এলাকায় ছয়তলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে নিহত হয়েছেন শহিদুল ইসলাম (২৫)। প্রেম করে বিয়ে করার পর তাকে মেয়ের পরিবার ধাওয়া করেছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ কারণে তিনি ছাদ থেকে পড়ে মারা যান বলে অভিযোগ পরিবারের।
শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে আজ সোমবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত শহিদুল ইসলাম ময়মনসিংহ জেলার ধোবাউড়া থানার দক্ষিণ মাঝপাড়া গ্রামের মৃত চান মিয়ার ছেলে। তিনি বর্তমানে কলাবাগান থানার কাঠালবাগান এলাকায় বড় ভাই রফিকুল ইসলামের বাসায় বসবাস করতেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কলাবাগান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরিফুল ইসলাম জানান, শহিদুল নারায়ণগঞ্জের হাসি (১৪) নামে এক কিশোরীর সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। গত ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি কিশোরীকে নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকায় নিয়ে আসেন। পরে বড় ভাইয়ের বাসায় অবস্থান করেন এবং পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
এসআই আরিফুল ইসলাম আরও জানান, মেয়েটির পরিবার বিষয়টি জানতে পেরে কলাবাগানের ওই বাসার নিচে আসে। একপর্যায়ে শহিদুল নিচে নেমে তাদের দেখতে পান। পরে তিনি আবার ভবনের ভেতরে উঠে যান। এ সময় মেয়েটির এক আত্মীয় তার পিছু নেন। পরিস্থিতি এড়াতে শহিদুল ভবনের ছাদে উঠে পাশের ভবনে লাফ দেন। প্রথম ভবন পার হতে সক্ষম হলেও দ্বিতীয় ভবনে যাওয়ার সময় অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানায় পুলিশ।
এদিকে, অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় হাসি নামে ওই কিশোরীকে তার পরিবারের কাছে মুচলেকা নিয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

রাজধানীর কলাবাগান এলাকায় ছয়তলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে নিহত হয়েছেন শহিদুল ইসলাম (২৫)। প্রেম করে বিয়ে করার পর তাকে মেয়ের পরিবার ধাওয়া করেছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ কারণে তিনি ছাদ থেকে পড়ে মারা যান বলে অভিযোগ পরিবারের।
শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে আজ সোমবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত শহিদুল ইসলাম ময়মনসিংহ জেলার ধোবাউড়া থানার দক্ষিণ মাঝপাড়া গ্রামের মৃত চান মিয়ার ছেলে। তিনি বর্তমানে কলাবাগান থানার কাঠালবাগান এলাকায় বড় ভাই রফিকুল ইসলামের বাসায় বসবাস করতেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কলাবাগান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরিফুল ইসলাম জানান, শহিদুল নারায়ণগঞ্জের হাসি (১৪) নামে এক কিশোরীর সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। গত ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি কিশোরীকে নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকায় নিয়ে আসেন। পরে বড় ভাইয়ের বাসায় অবস্থান করেন এবং পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
এসআই আরিফুল ইসলাম আরও জানান, মেয়েটির পরিবার বিষয়টি জানতে পেরে কলাবাগানের ওই বাসার নিচে আসে। একপর্যায়ে শহিদুল নিচে নেমে তাদের দেখতে পান। পরে তিনি আবার ভবনের ভেতরে উঠে যান। এ সময় মেয়েটির এক আত্মীয় তার পিছু নেন। পরিস্থিতি এড়াতে শহিদুল ভবনের ছাদে উঠে পাশের ভবনে লাফ দেন। প্রথম ভবন পার হতে সক্ষম হলেও দ্বিতীয় ভবনে যাওয়ার সময় অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানায় পুলিশ।
এদিকে, অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় হাসি নামে ওই কিশোরীকে তার পরিবারের কাছে মুচলেকা নিয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।