Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> সংক্ষেপে
রংপুরে সপরিবারে শিক্ষক হত্যা

মুগ্ধ-সিদ্ধার্থই হত্যাকারী, প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই সংবাদ সম্মেলন ছাড়লেন কমিশনার

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১৩: ৪৬
মুগ্ধ-সিদ্ধার্থই হত্যাকারী, প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই সংবাদ সম্মেলন ছাড়লেন কমিশনার
সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ। ছবি: চরচা

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তান হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসই হত্যাকারী বলে দাবি করেছেন রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার (আরএমপি) মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ। আজ বৃহস্পতিবার মামলার তদন্তের অগ্রগতি জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করেন পুলিশ কমিশনার।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তবে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনারের বক্তব্য শেষ হওয়ার পর সাংবাদিকরা বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। একপর্যায়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, ২০২৪ সালে আবু সাঈদ হত্যার পর তার ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন কয়েকবার পরিবর্তনের অভিযোগ পাওয়া যায়, এখানেও তেমন কিছু ঘটছে কীনা? এ প্রশ্নের পর কোনো জবাব না দিয়ে সংবাদ সম্মেলন ত্যাগ করেন কমিশনার।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

আদালতে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের জবানবন্দির বরাত দিয়ে পুলিশ কমিশনার জানান, চারজনের মধ্যে গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও মেয়েকে বাড়ির ছাদেই হত্যা করা হয়। পরে গণপতির মরদেহ টিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। আর তার স্ত্রী ও মেয়ের মরদেহ ছাদের সিঁড়ির গেটের আড়ালে রাখা হয়, যাতে পাশের বাড়ির ছাদ থেকে সহজে দেখা না যায়।

মুক্তিযুদ্ধ থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান, সব আন্দোলনের প্রেরণা নজরুল: রিজভীRizvi

পুলিশ কমিশনারের ভাষ্য, বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর সিদ্ধার্থ দাস ইয়াবা নিয়ে মুগ্ধ দাসকে সঙ্গে করে সীমান্তের বাসায় যান। সেখানে তারা তিনটি ইয়াবা সেবন করেন। রাত ৩টার দিকে আরও ইয়াবা সেবনের ইচ্ছা হলে কামাল কাছনার ইয়াবা কারবারি শান্তর সঙ্গে যোগাযোগ করেন তারা। পরে আরও চারটি ইয়াবা নেন। ইয়াবা কেনার জন্য সিদ্ধার্থ নিজের মোবাইল ফোনটি বন্ধক রাখেন। ইয়াবা নেওয়ার পর সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ আবার সীমান্তের বাসায় যান। রাত ৩টার পর সেখান থেকে বের হলে রাস্তায় কুকুর দেখতে পান তারা। তখন প্রাচীর টপকে পাশের দেবুদের বাড়িতে ঢোকেন। এরপর দেবুদের বাড়ির ছাদ হয়ে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে ওঠেন।

পুলিশ কমিশনার বলেন, গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদটি চারদিকে হাফ-ওয়াল দিয়ে ঘেরা ছিল। ফলে বাইরে থেকে সহজে ছাদ দেখা যেত না। তারা সেখানে পানির ট্যাংকের আড়ালে বসে আবার ইয়াবা সেবন করতে থাকেন।

সিদ্ধার্থের জবানবন্দির বরাত দিয়ে পুলিশ কমিশনার বলেন, ইয়াবা সেবনের একপর্যায়ে তারা খেয়াল করেননি কখন ভোর হয়ে গেছে। ওই রাতে তারা মোট আটটি ইয়াবা সেবন করেন। এর আগে একসঙ্গে সর্বোচ্চ দুটি ইয়াবা সেবন করলেও সেদিন রাতে তারা এর চেয়ে অনেক বেশি ইয়াবা সেবন করেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন সিদ্ধার্থ।

পুলিশের দাবি, সকালে গণপতি চক্রবর্তী ছাদে হাঁটতে এসে তাদের দেখে ফেলেন। এ সময় তিনি দুজনকে ধমক দিয়ে বলেন, ‘‘তোরা এত সকালে এখানে কী করিস?’’

পুলিশ কমিশনার জানান, নিজেদের ‘‘মান-সম্মান’’ বাঁচাতে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ গণপতিকে গলায় থাকা গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে তার মরদেহ ছাদের এক পাশে টিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। এরপর গণপতির স্ত্রী ও মেয়ে শব্দ শুনে ছাদে এলে তারা চিৎকার শুরু করেন। তখন মুগ্ধ গামছা দিয়ে গণপতির স্ত্রীর গলা চেপে ধরেন। আর সিদ্ধার্থ এক হাতে তার মেয়ের গলা এবং অন্য হাতে মুখ চেপে ধরেন।

ভবিষ্যতে পৃথিবীতে যথেষ্ট মানুষ থাকবে?human_ai-generated

জবানবন্দির বরাত কমিশনার জানিয়েছেন, গণপতির স্ত্রীকে হত্যার পর একই গামছা দিয়ে দুজন মিলে মেয়েটির গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধের চেষ্টা করেন। এতে তার মৃত্যু না হলে পাশেই কবুতরের খাবার রাখার বাক্স থেকে রশি এনে গলায় পেঁচানো হয়। পরে দুই দিক থেকে টান দিয়ে তাকে হত্যা করা হয়।

পুলিশ কমিশনার বলেন, এরপর তারা বাড়ির ভেতরে ঢুকে দেখতে পান গণপতির ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তী ঘুম থেকে উঠেছেন। সিদ্ধার্থকে দেখে প্রীয়ম বলেন, ‘‘সিদ্ধার্থ দাদা, তুমি এখানে কেন?’’ কমিশনারের দাবি, এ সময় তার গলায় কাপড় পেঁচিয়ে তাকেও হত্যা করা হয়।

হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্ট ও ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার। আদালতের অনুমতি নিয়ে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে।

বিষয়: বাংলাদেশঅপরাধপুলিশরংপুর
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

    রাজধানীর মহাখালীর একটি পরিত্যক্ত ভবনে আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট। ফায়ার সার্ভিসের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের দায়িত্বরত কর্মকর্তা খালেদা ইয়াসমিন আগুনের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

  • রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ২৭ নম্বরের একটি ভবনে আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট কাজ করছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। ফায়ার সার্ভিসের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের দায়িত্বরত কর্মকর্তা খালেদা ইয়াসমিন চরচাকে বলেন, ‘আগুন লাগার খবর পেয়ে প্র

  • হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

    হংকংয়ের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী করতে দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে তৈরি পোশাকের বাইরে উচ্চপ্রযুক্তি, গ্রিন প্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, হালকা প্রকৌশল, জুতা ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে হংকংয়ের বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে

  • মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

    ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের আইসিইউতে (নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র) এখনো লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও ন্যাশনাল পিপলস অ্যাকশনের (এনপিএ) কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের সদস্য মেঘমল্লার বসু। চিকিৎসক জানিয়েছেন, মেঘের শারীরিক অবস্থা কিছুক্ষণ পরপরই পরিবর্তিত হচ্ছে। আজ বৃহস্প