চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর মগবাজারের আদ–দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করেছে সরকার। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পর আজ বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন চরচাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস সাংবাদিকদের বলেন, কারণ দর্শানোর নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে হাসপাতালটি আপিল করতে পারবে।
আদ–দ্বীন হাসপাতালে যারা ভর্তি রয়েছে, সেসব রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার আর কোনো সুযোগ থাকবে না। তবে হাসপাতাল চাইলে অন্য যে কোন হাসপাতালে রোগীদের সরিয়ে নিতে পারবে বলেও জানান প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।
সম্প্রতি মগবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে একে একে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলার প্রমাণ পাওয়ার কথা বলেছে।
কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি; দীর্ঘক্ষণ এসি বন্ধ থাকা এবং বিকল্প কোনো ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা না থাকা; বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াই শিশুগুলোর মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ। গত ৪ জুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী এক সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।

রাজধানীর মগবাজারের আদ–দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করেছে সরকার। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পর আজ বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন চরচাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস সাংবাদিকদের বলেন, কারণ দর্শানোর নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে হাসপাতালটি আপিল করতে পারবে।
আদ–দ্বীন হাসপাতালে যারা ভর্তি রয়েছে, সেসব রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার আর কোনো সুযোগ থাকবে না। তবে হাসপাতাল চাইলে অন্য যে কোন হাসপাতালে রোগীদের সরিয়ে নিতে পারবে বলেও জানান প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।
সম্প্রতি মগবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে একে একে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলার প্রমাণ পাওয়ার কথা বলেছে।
কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি; দীর্ঘক্ষণ এসি বন্ধ থাকা এবং বিকল্প কোনো ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা না থাকা; বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াই শিশুগুলোর মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ। গত ৪ জুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী এক সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা আরও বলেন, “সামনের দিনগুলোতে নানা চ্যালেঞ্জ থাকবে, তবে আমরা সবাই যদি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উন্নয়ন ও উৎপাদনের মাধ্যমে দেশ গড়ার কাজে অংশ নিই, তাহলে বাংলাদেশ অবশ্যই অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাবে।”