চরচা ডেস্ক

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের তেরলাই এলাকায় অবস্থিত ‘ইমামবারগাহ খাদিজাতুল কুবরায়’ মসজিদে জুমার নামাজের সময় এক বিস্ফোরণে ৩১ জন নিহত এবং ১৬৯ জন আহত হয়েছেন।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, জেলা প্রশাসনের মুখপাত্র এই হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন।
আজ স্থানীয় সময় শুক্রবার জুমার নামাজ চলাকালীন সময়ে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
প্রাথমিক আলামত পর্যবেক্ষণ করে ইসলামাবাদ ক্যাপিটাল টেরিটরি পুলিশের মুখপাত্র তাকি জাভাদ জানিয়েছেন, এটি একটি আত্মঘাতী হামলা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিস্ফোরণের কারণ নিশ্চিত করার জন্য তদন্ত চলছে।
বিস্ফোরণের পরপরই পুলিশ ও রেসকিউ ১১২২-এর কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করেন।
আহতদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য ইসলামাবাদের প্রধান হাসপাতালগুলোতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি এই হামলাকে ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এই বিস্ফোরণের তীব্র নিন্দা জানিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
পাকিস্তানের সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী তারিক ফজল চৌধুরী ঘটনাটিকে একটি ‘কাপুরুষোচিত কাজ’ আখ্যা দিয়ে বলেন, “এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড জাতির মনোবল দমাতে পারবে না। শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”
এর তিন মাস আগে আরেকটি আত্মঘাতী হামলায় ১২ জন নিহত এবং ৩০ জন আহত হয়েছিলেন।

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের তেরলাই এলাকায় অবস্থিত ‘ইমামবারগাহ খাদিজাতুল কুবরায়’ মসজিদে জুমার নামাজের সময় এক বিস্ফোরণে ৩১ জন নিহত এবং ১৬৯ জন আহত হয়েছেন।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, জেলা প্রশাসনের মুখপাত্র এই হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন।
আজ স্থানীয় সময় শুক্রবার জুমার নামাজ চলাকালীন সময়ে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
প্রাথমিক আলামত পর্যবেক্ষণ করে ইসলামাবাদ ক্যাপিটাল টেরিটরি পুলিশের মুখপাত্র তাকি জাভাদ জানিয়েছেন, এটি একটি আত্মঘাতী হামলা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিস্ফোরণের কারণ নিশ্চিত করার জন্য তদন্ত চলছে।
বিস্ফোরণের পরপরই পুলিশ ও রেসকিউ ১১২২-এর কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করেন।
আহতদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য ইসলামাবাদের প্রধান হাসপাতালগুলোতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি এই হামলাকে ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এই বিস্ফোরণের তীব্র নিন্দা জানিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
পাকিস্তানের সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী তারিক ফজল চৌধুরী ঘটনাটিকে একটি ‘কাপুরুষোচিত কাজ’ আখ্যা দিয়ে বলেন, “এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড জাতির মনোবল দমাতে পারবে না। শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”
এর তিন মাস আগে আরেকটি আত্মঘাতী হামলায় ১২ জন নিহত এবং ৩০ জন আহত হয়েছিলেন।