চরচা ডেস্ক

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে সহিংসতার পৃথক দুটি ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, স্থানীয় সময় আজ মঙ্গলবার রাজ্যটির রাজধানী ইম্ফল ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে অনির্দিষ্টকালের কারফিউ জারি করা হয়েছে এবং পাঁচ দিনের জন্য ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
প্রথম ঘটনাটি ঘটে বিষ্ণুপুর জেলায়। পুলিশ ও মুখ্যমন্ত্রী কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, একটি বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণে মেইতেই সম্প্রদায়ের দুই শিশু নিহত হয়। সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে এই হামলার জন্য কুকি যোদ্ধাদের দায়ী করা হলেও কুকি সংগঠনগুলো এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
পরবর্তীতে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার নিরাপত্তা বাহিনীর একটি ক্যাম্পে উত্তেজিত জনতা হামলা চালালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য পুলিশ গুলি চালায়। রাজ্যের স্বররাষ্ট্রমন্ত্রী গোবিন্দাস কন্ঠৌজাম জানিয়েছেন, পুলিশের গুলিতে দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী ইমুনাম খেমচাঁদ সিং জানিয়েছেন, অপরাধীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। বোমা হামলাকে ‘শান্তি বিঘ্নিত করার একটি পরিকল্পিত অপচেষ্টা’ বলে অভিহিত করেছেন তিনি।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে গুজব থেকে দূরে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী।
২০২৩ সালের মে মাস থেকে মণিপুরে সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু মেইতেই সম্প্রদায় এবং খ্রিস্টান কুকি উপজাতিদের মধ্যে জাতিগত দাঙ্গা শুরু হয়। অর্থনৈতিক সুবিধা এবং সরকারি চাকরির কোটা নিয়ে এই বিরোধের সূত্রপাত। চলমান এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত প্রায় ২৬০ জন নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি গৃহহীন হয়েছেন ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ।

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে সহিংসতার পৃথক দুটি ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, স্থানীয় সময় আজ মঙ্গলবার রাজ্যটির রাজধানী ইম্ফল ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে অনির্দিষ্টকালের কারফিউ জারি করা হয়েছে এবং পাঁচ দিনের জন্য ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
প্রথম ঘটনাটি ঘটে বিষ্ণুপুর জেলায়। পুলিশ ও মুখ্যমন্ত্রী কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, একটি বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণে মেইতেই সম্প্রদায়ের দুই শিশু নিহত হয়। সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে এই হামলার জন্য কুকি যোদ্ধাদের দায়ী করা হলেও কুকি সংগঠনগুলো এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
পরবর্তীতে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার নিরাপত্তা বাহিনীর একটি ক্যাম্পে উত্তেজিত জনতা হামলা চালালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য পুলিশ গুলি চালায়। রাজ্যের স্বররাষ্ট্রমন্ত্রী গোবিন্দাস কন্ঠৌজাম জানিয়েছেন, পুলিশের গুলিতে দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী ইমুনাম খেমচাঁদ সিং জানিয়েছেন, অপরাধীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। বোমা হামলাকে ‘শান্তি বিঘ্নিত করার একটি পরিকল্পিত অপচেষ্টা’ বলে অভিহিত করেছেন তিনি।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে গুজব থেকে দূরে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী।
২০২৩ সালের মে মাস থেকে মণিপুরে সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু মেইতেই সম্প্রদায় এবং খ্রিস্টান কুকি উপজাতিদের মধ্যে জাতিগত দাঙ্গা শুরু হয়। অর্থনৈতিক সুবিধা এবং সরকারি চাকরির কোটা নিয়ে এই বিরোধের সূত্রপাত। চলমান এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত প্রায় ২৬০ জন নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি গৃহহীন হয়েছেন ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ।