চরচা প্রতিবেদক

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং নিম্ন আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব করেছে সরকার। আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণের পাশাপাশি ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে উৎসে কর কমানো, খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি সম্প্রসারণ, করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে বড় আকারের নগদ সহায়তার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে চাল, গম, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, চিনি, ভোজ্যতেল, মাছ, মাংস ও কৃষিপণ্যসহ প্রায় ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর উৎসে কর কমানো হবে। বর্তমানে বিভিন্ন পণ্যে ১, ২ ও ৫ শতাংশ হারে বিদ্যমান উৎসে কর কমিয়ে ০ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
বাজেটে মসলা আমদানির ওপর আরোপিত ৫ শতাংশ রেগুলেটরি ডিউটি প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। একই ধরনের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে খেজুর আমদানিতেও। এছাড়া শিশুখাদ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল আমদানির শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকারের আশা, এসব পদক্ষেপ বাজারে সরবরাহ ব্যয় কমাতে এবং নিত্যপণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হবে।
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় ৫৫ লাখ পরিবারকে বছরে ছয় মাস প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল ১৫ টাকা কেজি দরে সরবরাহ করা হবে। পাশাপাশি দেশের ৪১৯ উপজেলায় ওএমএস কার্যক্রমের মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে চাল বিক্রি অব্যাহত থাকবে।
মধ্যবিত্ত করদাতাদের জন্য স্বস্তি হিসেবে ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের করদাতাদের করের চাপ কিছুটা কমবে বলে মনে করছে সরকার।
সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে এবার বড় ধরনের সম্প্রসারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। বাজেটে এ খাতে মোট ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বরাদ্দের চেয়ে বেশি।
এর অংশ হিসেবে নতুন ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় ৪১ লাখ পরিবারের প্রধান নারীকে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় কার্ডধারী নারীরা প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে নগদ ভাতা পাবেন।
একই সঙ্গে ভূমিহীন ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় তালিকাভুক্ত কৃষকদের বছরে একবার ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সরাসরি নগদ সহায়তা দেওয়া হবে।
বাজেট বক্তৃতায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের ঘোষণাও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি বাজারে অর্থের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ, বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতির মধ্যে সমন্বয় জোরদারের কথা বলা হয়েছে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং নিম্ন আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব করেছে সরকার। আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণের পাশাপাশি ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে উৎসে কর কমানো, খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি সম্প্রসারণ, করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে বড় আকারের নগদ সহায়তার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে চাল, গম, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, চিনি, ভোজ্যতেল, মাছ, মাংস ও কৃষিপণ্যসহ প্রায় ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর উৎসে কর কমানো হবে। বর্তমানে বিভিন্ন পণ্যে ১, ২ ও ৫ শতাংশ হারে বিদ্যমান উৎসে কর কমিয়ে ০ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
বাজেটে মসলা আমদানির ওপর আরোপিত ৫ শতাংশ রেগুলেটরি ডিউটি প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। একই ধরনের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে খেজুর আমদানিতেও। এছাড়া শিশুখাদ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল আমদানির শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকারের আশা, এসব পদক্ষেপ বাজারে সরবরাহ ব্যয় কমাতে এবং নিত্যপণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হবে।
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় ৫৫ লাখ পরিবারকে বছরে ছয় মাস প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল ১৫ টাকা কেজি দরে সরবরাহ করা হবে। পাশাপাশি দেশের ৪১৯ উপজেলায় ওএমএস কার্যক্রমের মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে চাল বিক্রি অব্যাহত থাকবে।
মধ্যবিত্ত করদাতাদের জন্য স্বস্তি হিসেবে ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের করদাতাদের করের চাপ কিছুটা কমবে বলে মনে করছে সরকার।
সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে এবার বড় ধরনের সম্প্রসারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। বাজেটে এ খাতে মোট ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বরাদ্দের চেয়ে বেশি।
এর অংশ হিসেবে নতুন ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় ৪১ লাখ পরিবারের প্রধান নারীকে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় কার্ডধারী নারীরা প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে নগদ ভাতা পাবেন।
একই সঙ্গে ভূমিহীন ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় তালিকাভুক্ত কৃষকদের বছরে একবার ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সরাসরি নগদ সহায়তা দেওয়া হবে।
বাজেট বক্তৃতায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের ঘোষণাও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি বাজারে অর্থের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ, বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতির মধ্যে সমন্বয় জোরদারের কথা বলা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা আরও বলেন, “সামনের দিনগুলোতে নানা চ্যালেঞ্জ থাকবে, তবে আমরা সবাই যদি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উন্নয়ন ও উৎপাদনের মাধ্যমে দেশ গড়ার কাজে অংশ নিই, তাহলে বাংলাদেশ অবশ্যই অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাবে।”

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে পোল্ট্রি, ডেইরি ও মৎস্য খাতকে সম্প্রসারণে বেশ কিছু ঘোষণা করেছে সরকার। এই তিনটি খাতের খাদ্য উৎপাদনকারী শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা প্রদান করবে সরকার। এর বাইরে পোল্ট্রি ও ডেইরি খাতের যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে রেয়াতি সুবিধাও দেবে সরকার।