চরচা প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের কেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহারের বিধিনিষেধ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তাতে বলা হয়েছিল, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ব্যবহার করা যাবে না। তবে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে ইসি।
আজ সোমবার বিকেলে এই তথ্য জানিয়েছেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ। ইসি সচিব বলেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ব্যবহার করা যাবে না–এমন সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে ইসি। কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রজ্ঞাপন জারি হবে।
এদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এক ফেসবুক পোস্টে জানান, ‘৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করছে নির্বাচন কমিশন। মোবাইল নিয়ে প্রবেশে আর কোনো বাঁধা থাকবে না।’
এর আগে গত রোববার রাতে নির্বাচন কমিশন একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে জানায়, ভোটের দিন প্রিসাইডিং অফিসার এবং নির্দিষ্ট কয়েকজন নিরাপত্তা সদস্য ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ সীমানার মধ্যে প্রবেশ করতে পারবে না।
ইসি সচিবালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভোটের গোপনীয়তা রক্ষা এবং বিশৃঙ্খলা এড়াতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্ত থেকে সড়ে আসার জন্য প্রতিবাদ জানায় জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ অনেকে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের কেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহারের বিধিনিষেধ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তাতে বলা হয়েছিল, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ব্যবহার করা যাবে না। তবে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে ইসি।
আজ সোমবার বিকেলে এই তথ্য জানিয়েছেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ। ইসি সচিব বলেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ব্যবহার করা যাবে না–এমন সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে ইসি। কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রজ্ঞাপন জারি হবে।
এদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এক ফেসবুক পোস্টে জানান, ‘৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করছে নির্বাচন কমিশন। মোবাইল নিয়ে প্রবেশে আর কোনো বাঁধা থাকবে না।’
এর আগে গত রোববার রাতে নির্বাচন কমিশন একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে জানায়, ভোটের দিন প্রিসাইডিং অফিসার এবং নির্দিষ্ট কয়েকজন নিরাপত্তা সদস্য ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ সীমানার মধ্যে প্রবেশ করতে পারবে না।
ইসি সচিবালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভোটের গোপনীয়তা রক্ষা এবং বিশৃঙ্খলা এড়াতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্ত থেকে সড়ে আসার জন্য প্রতিবাদ জানায় জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ অনেকে।