চরচা ডেস্ক

দেশে অনলাইন ও অফলাইন জুয়া প্রতিরোধে সরকারের বিশেষ আইন প্রণয়নের উদ্যোগকে নীতিগতভাবে স্বাগত জানালেও এর কয়েকটি ধারা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে হিউম্যান রাইটস ফোরাম বাংলাদেশ (এইচআরএফবি)।
সংগঠনটি মনে করে, অপরাধ দমনের উদ্দেশ্যে প্রণীত কোনো আইন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা এবং ন্যায়বিচারের নিশ্চয়তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে না।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি এ উদ্বেগ জানিয়েছে।
এইচআরএফবি জানায়, প্রস্তাবিত ‘বেটিং এবং জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ৩৯ (১) ও ৩৯ (২) ধারায় পর্যাপ্ত বিচারিক অনুমোদন ও জবাবদিহিতা ছাড়াই কেবল ‘বিশ্বাস’ বা ‘সন্দেহের’ ভিত্তিতে ডিজিটাল ডিভাইসে প্রবেশ, তল্লাশি, তথ্য সংগ্রহ ও গ্রেফতারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এটি সংবিধানের ২৭, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৯ ও ৪৩ অনুচ্ছেদে বর্ণিত ব্যক্তিস্বাধীনতা, মতপ্রকাশ ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার সুরক্ষার পরিপন্থী এবং নজরদারীভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গঠনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
এছাড়া খসড়ার ৩৪ ও ৩৯ ধারায় তদন্ত, বিচার, তল্লাশি ও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়ায় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) এবং ডিজিএফআইকে অন্তর্ভুক্ত করে বিশেষ ক্ষমতা প্রদানের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। অতীতে এসব সংস্থার কার্যক্রম নিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ ও বিতর্ক থাকায়, বিচারিক তদারকি ছাড়া এমন অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রদান জনমনে আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে।
একইসাথে খসড়ার ৩৬ ধারায় মোবাইল কোর্টকে যে ধরনের ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে, তাও বিচারিক সুরক্ষাকে দুর্বল এবং অভিযুক্তের ন্যায্য শুনানির অধিকারকে সীমিত করার ঝুঁকি তৈরি করে।
এই পরিস্থিতিতে এইচআরএফবি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, খসড়া আইনটি জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের আগে এই উদ্বেগজনক ধারাসমূহ পুনর্বিবেচনা, সংশোধন বা বাতিল করা হোক। একইসাথে আইনবিদ, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, গণমাধ্যম প্রতিনিধি ও নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণে উন্মুক্ত পর্যালোচনার মাধ্যমে খসড়াটিকে সংবিধান, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

দেশে অনলাইন ও অফলাইন জুয়া প্রতিরোধে সরকারের বিশেষ আইন প্রণয়নের উদ্যোগকে নীতিগতভাবে স্বাগত জানালেও এর কয়েকটি ধারা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে হিউম্যান রাইটস ফোরাম বাংলাদেশ (এইচআরএফবি)।
সংগঠনটি মনে করে, অপরাধ দমনের উদ্দেশ্যে প্রণীত কোনো আইন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা এবং ন্যায়বিচারের নিশ্চয়তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে না।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি এ উদ্বেগ জানিয়েছে।
এইচআরএফবি জানায়, প্রস্তাবিত ‘বেটিং এবং জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার ৩৯ (১) ও ৩৯ (২) ধারায় পর্যাপ্ত বিচারিক অনুমোদন ও জবাবদিহিতা ছাড়াই কেবল ‘বিশ্বাস’ বা ‘সন্দেহের’ ভিত্তিতে ডিজিটাল ডিভাইসে প্রবেশ, তল্লাশি, তথ্য সংগ্রহ ও গ্রেফতারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এটি সংবিধানের ২৭, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৯ ও ৪৩ অনুচ্ছেদে বর্ণিত ব্যক্তিস্বাধীনতা, মতপ্রকাশ ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার সুরক্ষার পরিপন্থী এবং নজরদারীভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গঠনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
এছাড়া খসড়ার ৩৪ ও ৩৯ ধারায় তদন্ত, বিচার, তল্লাশি ও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়ায় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) এবং ডিজিএফআইকে অন্তর্ভুক্ত করে বিশেষ ক্ষমতা প্রদানের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। অতীতে এসব সংস্থার কার্যক্রম নিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ ও বিতর্ক থাকায়, বিচারিক তদারকি ছাড়া এমন অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রদান জনমনে আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে।
একইসাথে খসড়ার ৩৬ ধারায় মোবাইল কোর্টকে যে ধরনের ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে, তাও বিচারিক সুরক্ষাকে দুর্বল এবং অভিযুক্তের ন্যায্য শুনানির অধিকারকে সীমিত করার ঝুঁকি তৈরি করে।
এই পরিস্থিতিতে এইচআরএফবি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, খসড়া আইনটি জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের আগে এই উদ্বেগজনক ধারাসমূহ পুনর্বিবেচনা, সংশোধন বা বাতিল করা হোক। একইসাথে আইনবিদ, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, গণমাধ্যম প্রতিনিধি ও নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণে উন্মুক্ত পর্যালোচনার মাধ্যমে খসড়াটিকে সংবিধান, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।