আমরা
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, চরচা
১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্
বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চকে তাৎক্ষণিক সরকার পতনের আন্দোলন হিসেবে দেখছে না বিএনপি সরকার। তবে কর্মসূচিটিকে গুরুত্বহীনও মনে করছে না তারা। সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের বক্তব্যে বরং লংমার্চকে রাজনৈতিক চাপ তৈরির একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখার প্রবণতা স্পষ্ট। ল
দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার ৪৮ বছর পূর্ণ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, বিএনপি। দলটি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য থেকে বিএনপি বিচ্যুত হয়নি বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।
ছয় মাস পূর্ণ হলো। এই ছয় মাসে এই কাজগুলোর কী অগ্রগতি, সেটা নিয়ে আমরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটা ব্রিফিং করেছি। সেখানে কতটুকু অগ্রগতি হয়েছে, তার কথা বলা হয়েছে। কিছু কিছু (ক্ষেত্রে) লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি কাজ হয়েছে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ ১ সেপ্টেম্বর। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর জনগণের ভোটে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে দলটি। ক্ষমতায় আসার পর সরকারের প্রথম ছয় মাসের অভিজ্ঞতা, গণতন্ত্র ও জবাবদিহি, প্রশাসনে দলীয় প্রভাবের অভিযোগ, স্থানীয় সরকার এবং ক্ষমতায় থেকে জনগণের আস
১ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮। ঢাকার রমনা রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলনে নতুন একটি রাজনৈতিক দলের ঘোষণা দিয়েছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। নাম–বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, বিএনপি। এরপর কেটে গেছে ৪৮ বছর।
নোয়াখালীর সদর উপজেলার অশ্বদিয়া ইউনিয়নে ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণার পর দুপক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনা আবারও সামনে এনেছে কমিটি গঠন নিয়ে সংগঠনটির পুরনো সংকট। সেই সংকট হলো পদ পাওয়া ও পদবঞ্চিতদের বিরোধ সংক্রান্ত। গত শনিবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অশ্বদিয়া
সরকারের বয়স ছয় মাস। অথচ মন্ত্রিসভার সদস্যদের জন্য যেন সময়টা আরও কম। দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিন থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে বার্তা দিয়েছিলেন, তার সারকথা ছিল, সরকারকে দ্রুত কাজ করতে হবে; প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের জন্য নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা থাকতে হবে এবং নির্ধারিত সময় শেষে সেই কাজের হিসাবও দি
বাংলাদেশের নতুন সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হয়েছে। সরকার গঠনের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ছয় মাসের কাজের মূল্যায়নের কথা বলে আসছেন। এই ছয় মাস পূর্তিকে কেন্দ্র করে মন্ত্রিসভায় রদবদল ও দায়িত্ব পুনর্বিন্যাসের আলোচনার মধ্যেই সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থ
গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রক্ষমতায় বসে মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। সামনে আসে রাষ্ট্র সংস্কার, বিচার, নির্বাচন ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের নানা প্রতিশ্রুতি। ওই সময়ে মব সহিংসতা, মাজারে হামলা-ভাঙচুর এবং ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি
রাত তখন ১টা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় ছাত্রদলের বেশ কিছু নেতা-কর্মীর উপস্থিতি। অপেক্ষা একটাই—কখন ঘোষণা হবে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি। টিএসসিতে থাকা নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাষ্ট্রপতি পদে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত হওয়ার পর বিএনপির ভেতরে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন- দলের পরবর্তী মহাসচিব কে? আলোচনায় আছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সমীকরণে
দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নিয়ে ক্ষমতাসীন দল, তার শরিকদের অবস্থান এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নিয়ে যখন নানা হিসাব-নিকাশ চলছে, তখন আরও একটি প্রশ্ন আলোচনায় এসেছে। সেটি হলো- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম ছয় মাসপূর্তির আগেই কি মন্ত্রিসভায় রদবদল আসছে?
বৈঠকের আগে থেকেই বিএনপির একাধিক নেতা ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় প্রার্থী নির্ধারণই হবে বৈঠকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদ নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনা নতুন গতি পেয়েছে। রাষ্ট্রপতির পদ থেকে মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা বিএনপিই পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধান মনোনয়ন দেবে—এটি নিশ্চিত। প্রশ্ন হলো, দলটির পছন্দ কে? দলটির শীর্ষ পর্যায় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নাম ঘোষণা করেনি। ফলে রাজনৈতিক
যদিও এবারের আন্দোলন দ্রুত শেষ হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে, তবু এটি নতুন সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা রেখে গেছে–বাংলাদেশে ছাত্র আন্দোলন এখনো একটি শক্তিশালী সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা।
রাষ্ট্রপতি স্বেচ্ছায় দায়িত্ব ছাড়েন কি না, সেটি পর্যবেক্ষণ করেই এতদিন অপেক্ষা করছিল ক্ষমতাসীন দল। সম্প্রতি তার কাছে দলের অবস্থানও জানানো হয়েছে বলে দাবি করেছে বিএনপি ও সরকারের কয়েকটি সূত্র।
একজন নেতা বলেন, “নির্বাচনের আগে আমাদের প্রয়োজন ছিল, এখন যেন আর প্রয়োজন নেই। দেশে থেকে আন্দোলনে অংশীদার ছিলাম আমরা, কিন্তু ক্ষমতায় বসে সরকারের ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন হলো অন্য একটা মহল, যাদের কেউ কেউ দেশেও ছিলেন না।”
একটি গণতান্ত্রিক সমাজে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ করার অধিকার আছে। বিশেষ করে যখন তাদের নিরাপত্তা, পরীক্ষার মান বা মূল্যায়নের ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় পরীক্ষা নেওয়া, প্রশ্নপত্রে ভুল থাকা কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অসংবেদনশীল মন্তব্য–এসবের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও প্রতিবাদ স্বাভাবিক।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তির এই সময়ে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।
রাজধানীর ফুলবাড়িয়ায় বিআরটিসি কাউন্টারের সামনে গত শনিবার বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘাতের নেপথ্যে দুই দলের ব্যবসায়ীদের মধ্যে মার্কেট নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারের দ্বন্দ্ব রয়েছে বলে জানা গেছে।
দুদিন আগে রাজধানীর আদাবরে বিএনপির এক নেতার হত্যার ঘটনাকে ঘিরে আবারও আলোচনায় এসেছে দলীয় কোন্দল। এর আগে মোহাম্মদপুরে খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, রমনায় ফুটপাতের নিয়ন্ত্রণ, চট্টগ্রাম, চুয়াডাঙ্গা, সীতাকুণ্ড, বাগেরহাট কিংবা ময়মনসিংহ—ঘটনাগুলোর স্থান আলাদা হলেও একটি বিষয়ই বারবার সামনে এসেছে। আর তা হলো সংঘাতে নিহত
ভিডিওটি প্রকাশের পর সেটি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা তৈরি হয়। কূটনৈতিক অঙ্গনও এটিকে কেবল একটি গান হিসেবে দেখেননি; বরং প্রশ্ন তুলেছে–বাংলাদেশ কি নতুন এক পররাষ্ট্রনীতির বার্তা দিচ্ছে?