Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

রমেক হাসপাতালে কেন বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৬, ১৯: ০৮
রমেক হাসপাতালে কেন বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল
রমেক আইসিইউতে মৃত্যুর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। ছবি: ইউএনবি

একজন মুমূর্ষু রোগীর জীবন বাঁচাতে যেখানে প্রতিটি মিনিট গুরুত্বপূর্ণ, সেখানে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে আইসিইউ শয্যার জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা, এমনকি দিনের পর দিন। অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসকেরা জরুরি ভিত্তিতে আইসিইউতে নেওয়ার পরামর্শ দিলেও শয্যা না থাকায় অপেক্ষমাণ তালিকাতেই থেকে যাচ্ছেন রোগীরা। শেষ পর্যন্ত আইসিইউতে যাওয়ার আগেই কারও কারও মৃত্যু হচ্ছে। বার্তা সংস্থা ইউএনবির প্রতিবেদনে রমেকের এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

রংপুর বিভাগের আট জেলার ১ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার মানুষের চিকিৎসাসেবার অন্যতম প্রধান ভরসা রমেক হাসপাতাল। প্রতিদিন গড়ে দুই থেকে তিন হাজার রোগী এখানে ভর্তি থাকেন। হাসপাতাল সূত্র বলছে, ভর্তি রোগীদের অন্তত ১০ শতাংশের আইসিইউ সেবার প্রয়োজন হয়। অথচ হাসপাতালটির আইসিইউতে শয্যা রয়েছে মাত্র ১০টি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রতিদিন অন্তত ১৫ থেকে ২০ জন রোগীর জন্য আইসিইউ শয্যার অনুরোধ আসে। বিপরীতে ১০টি শয্যা থাকায় চাহিদার বড় একটি অংশই পূরণ করা সম্ভব হয় না। ফলে অনেক রোগী অপেক্ষমাণ তালিকায় নাম লিখিয়েও শয্যা পাওয়ার আগেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন।

আইসিইউ বিভাগের পরিদর্শক ডা. তৌহিদ সরকার ডলার ইউএনবিকে বলেন, “প্রতিদিন বহু রোগীর আইসিইউর জন্য রিকোয়েস্ট আসে। আমরা সব রোগীর অনুরোধ রাখতে পারি না। অনেক রোগী আইসিইউ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বেডের সঙ্গে আইসিইউতে জনবল এবং বিভাগের জায়গা বাড়ানো প্রয়োজন। তাহলে উত্তরবঙ্গের এই বিশাল জনগোষ্ঠী সেবা বঞ্চিত হওয়া থেকে রক্ষা পাবেন।”

ঢামেকের হাম হাসপাতাল চালু হবে কবে?hum dmc 2

১০ শয্যার আইসিইউতে বিপুল চাপ

ইউএনবির হাতে আসা রমেক হাসপাতালের আইসিইউতে অপেক্ষমাণ ১২ জন রোগীর তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, তাদের অধিকাংশই আইসিইউ শয্যা না পেয়ে মারা গেছেন। তাদের কয়েকজনের স্বজনের সঙ্গে কথাও বলেছে ইউএনবি।

রংপুর নগরীর ধাপ সাতগাড়া এলাকার মহসেনা বেগমের মেয়ের জামাই শফিক জানান, বুকে প্রচণ্ড ব্যথা নিয়ে তার শাশুড়িকে হৃদরোগ বিভাগে ভর্তি করা হয়। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা জরুরি ভিত্তিতে তাকে আইসিইউতে নেওয়ার পরামর্শ দেন।

শফিক বলেন, “আইসিইউর রোগী ১০ মিনিট বাইরে রাখার সুযোগ নেই। অথচ তিন দিন অপেক্ষার পরও আইসিইউ বেড না পেয়ে প্রাইম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করাই। কয়েক দফা রোগীকে নিয়ে হাসপাতালে ছোটাছুটি করেছি। গত বুধবার শাশুড়ি মারা গেছেন। আমার রোগীটা সময়মতো আইসিইউ সাপোর্ট পেলে হয়তো আরও কিছু দিন বেঁচে থাকতেন।”

কুড়িগ্রামের ৭২ বছর বয়সী রহিচা বেগম স্ট্রোকের পর স্বজনরা তাকে রমেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন। চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে আইসিইউতে নেওয়ার পরামর্শ নেওয়া হয়।

তার ছেলে আরমান ফেরদৌস বলেন, “ভর্তির তিন দিন পর অচেতন অবস্থায় আমার মাকে কোনো কারণ জানানো ছাড়া রিলিজ দিয়ে বলা হয় আইসিইউ সাপোর্ট লাগবে না। আবার এক দিন পর নেফ্রোলজির চিকিৎসকরা আইসিইউতে নেওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু আইসিইউতে সিট আর পাইনি। আমার মা মারা গেছে।”

কুড়িগ্রামের চিলমারীর রমনা গড়াতিপাড়া থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় ৪৫ বছর বয়সী বিউটি বেগমকে রমেক হাসপাতালের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছিল। গত ২ জুন জরুরি ভিত্তিতে তাকে অস্ত্রোপচার বিভাগে নেওয়া হয়। চিকিৎসকেরা জানান, অস্ত্রোপচারের পর তাকে আইসিইউতে নিতে হবে এবং আইসিইউ শয্যা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত অস্ত্রোপচার করা সম্ভব নয়।

চিকিৎসকের অনুমতিপত্র নিয়ে দফায় দফায় চেষ্টা করেও আইসিইউ শয্যা মেলেনি। পরদিন ৩ জুন দুপুর ১২টায় মারা যান বিউটি বেগম।

তার ভাতিজির জামাই নূর আলম বলেন, “আইসিইউ পেলে শাশুড়িকে বাঁচাতে পারতাম। বেসরকারি হাসপাতালে আইসিইউতে অনেক খরচ। রোগী মারা যাওয়ার পরও ওরা রেখে দেয়। এ জন্য বাইরের হাসপাতালে নিয়ে যাইনি। আমার রোগী ভর্তি থাকা অবস্থায় তিনটা আইসিইউ বেড ফাঁকা হয়েছিল। কিন্তু আমার রোগীকে নেয়নি। যাদের বড় বড় লোক আছে, তারাই আইসিইউতে বেড পায়।”

শুধু মহসেনা, রহিচা ও বিউটি বেগমই নন, আইসিইউর অভাবে সম্প্রতি রমেক হাসপাতালে মারা গেছেন আরও অনেক রোগী।

বেসরকারি আইসিইউ, ব্যয়বহুল চিকিৎসা

রমেক হাসপাতালে আইসিইউ শয্যার সংকট থাকলেও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নিতে বড় অঙ্কের অর্থ প্রয়োজন হয় বলে জানান রোগীর স্বজনরা।

রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, প্রাইম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও গুড হেলথ হাসপাতালে আইসিইউ সেবা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে রোগীভেদে প্রতিদিন ২০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হয়। ফলে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারের অনেকের পক্ষেই সেখানে দীর্ঘ সময় আইসিইউ চিকিৎসার ব্যয় বহন করা সম্ভব হয় না।

রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের অতিরিক্ত পরিচালক মো. মেরাজুল মোহসিন বলেন, “আমাদের এখানে ১২ শয্যার আইসিইউ বিভাগ থেকে প্রতিনিয়ত অসংখ্য রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে। আমাদের এখানে আইসিইউতে চিকিৎসা নিতে রোগীভেদে প্রতিদিন ২০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হয়। অন্যান্য হাসপাতালের তুলনায় আমাদের হাসপাতালের আইসিইউতে সর্বাধুনিক চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়।”

বেডের সঙ্গে প্রয়োজন জায়গা ও জনবল

রমেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ইউএনবিকে জানিয়েছে, শুধু আইসিইউ শয্যা বাড়ালেই হবে না; এর সঙ্গে প্রয়োজন পর্যাপ্ত জায়গা ও প্রশিক্ষিত জনবল। কিন্তু বর্তমান আইসিইউ বিভাগে সম্প্রসারণের মতো পর্যাপ্ত জায়গাও নেই।

আইসিইউ বিভাগের পরিদর্শক ডা. তৌহিদ সরকার ডলার ইউএনবিকে বলেন, “আমাদের হাসপাতালে দুই থেকে তিন হাজার রোগী ভর্তি থাকে। হাসপাতালে ভর্তিকৃত রোগীর ১০ শতাংশকে আইসিইউতে রাখতে হয়। আমাদের এখানে সেটা নেই।”

রমেক হাসপাতালের আইসিইউতে সিট আছে মাত্র ১০টি। ছবি: ইউএনবি
রমেক হাসপাতালের আইসিইউতে সিট আছে মাত্র ১০টি। ছবি: ইউএনবি

আইসিইউ শয্যা বরাদ্দে টাকা বা লবিংয়ের অভিযোগের বিষয়টি তুললে তিনি তা অস্বীকার করেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “রিকোয়েস্ট অনেক আসে। আমরা রোগীদের নাম, নম্বর লিপিবদ্ধ করে রাখি। বেড ফাঁকা হওয়া মাত্র নতুন রোগীকে সিরিয়াল অনুযায়ী কল দিয়ে ভর্তি করানো হয়। এখানে টাকা বা লবিংয়ে সিট দেওয়ার সুযোগ নেই।”

প্রতি জেলায় ১০ শয্যার আইসিইউর পরিকল্পনা

সার্বিক বিষয়ে রংপুর স্বাস্থ্য বিভাগীয় উপপরিচালক ডা. মো. ওয়াজেদ আলী ইউএনবিকে বলেন, “রমেক হাসপাতালে থাকা ১০টি আইসিইউ শয্যাই পূর্ণাঙ্গ আইসিইউ শয্যা। তবে বিভাগটিতে সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা নেই।”

সরকারি হাসপাতালে দায়িত্বের সময় বাইরে প্র্যাকটিস করলেই শাস্তি: স্বাস্থ্যমন্ত্রীsardar-sakhawat-hossain

উপপরিচালক বলেন, “রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যে দশটি আইসিইউ বেড আছে, এটি পূর্ণাঙ্গ আইসিইউ বেড। বিভাগটিতে স্পেসও নেই। যদি স্পেস থাকত তাহলে আমরা শিশু হাসপাতালের আইসিইউ বেডগুলো সেখানে শিফট করে দিতাম।”

ডা. আলী জানান, বেসরকারি পর্যায়ে রংপুরে প্রাইম, ডক্টরস ও গুড হেলথ হাসপাতালে অল্প কিছু আইসিইউ শয্যা রয়েছে। দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনটি আইসিইউ শয্যা থাকলেও সেগুলো সেভাবে চালু নেই।

ডা. আলী বলেন, “এত বড় বিভাগের জন্য এটা অপ্রতুল। আলোচনা চলছে। সরকারের পরিকল্পনা হলো প্রতি জেলায় ১০ বেডের আইসিইউ চালু করা। জেলাগুলোতে ১০ বেডের আইসিইউ চালু হলে রংপুর মেডিকেলে এত চাপ পড়বে না। এই অঞ্চলের মূল চিকিৎসার প্রাণকেন্দ্র হচ্ছে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এটা নিয়ে সবাই কাজ করছে।” তিনি আরও বলেন, নতুন সরকার স্বাস্থ্য খাতে অনেক বরাদ্দ বাড়িয়েছে। চলতি অর্থবছর থেকে কার্যক্রম শুরু হবে।

বিষয়: মৃত্যুহাসপাতালরমেকরংপুররংপুর মেডিকেল কলেজআইসিইউ
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড