Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো কেন সামরিক ব্যয় বাড়াচ্ছে?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০২৬, ২১: ৫১
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো কেন সামরিক ব্যয় বাড়াচ্ছে?

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অনেক দেশ তাদের সামরিক আধুনিকায়নের চেষ্টা জোরদার করেছে। ক্রমবর্ধমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার কারণে এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে দেশগুলো। বিশেষ করে ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইনের মতো দেশ, যারা চীনের সঙ্গে আঞ্চলিক বিরোধে জড়িত। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা আগের তুলনায় দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং দেশটির নীতি নিয়েও অনিশ্চয়তা বেড়েছে বলে এক নিবন্ধে জানিয়েছে দ্য ডিপ্লোম্যাট।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বিশ্লেষকরা বলছেন, এর ফলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অনেক দেশ নিজেদের প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করতে সামরিক ব্যয় বাড়াচ্ছে। এক দশক আগের তুলনায় এখন তারা বেশি করে যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কিনছে। এই প্রক্রিয়া আগে থেকেই চলছিল, তবে সাম্প্রতিক কয়েকটি বড় চুক্তি দেখাচ্ছে যে, প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন শুধু ভালো দামে উন্নত অস্ত্র কেনার বিষয় নয়। এর পেছনে অঞ্চলের বদলে যাওয়া ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিও বড় ভূমিকা রাখছে।

ইন্দোনেশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বড় প্রতিরক্ষা আধুনিকায়নকারী দেশ। চলতি বছরের শুরুতে দেশটি প্রথম ফ্রান্সের দাসো কোম্পানির তৈরি তিনটি রাফাল যুদ্ধবিমান গ্রহণ করেছে। এটি ৮ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারে ৪২টি রাফাল কেনার চুক্তির অংশ। এ ছাড়া জুনে ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তারা দক্ষিণ কোরিয়া থেকে কেএফ-২১ বোরামায়ে যুদ্ধবিমানও কিনবে।

কেএফ-২১ প্রকল্পে ইন্দোনেশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া কয়েক বছর ধরে যৌথভাবে কাজ করেছে। তবে প্রকল্পের খরচ ভাগাভাগি এবং প্রযুক্তি হস্তান্তর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। ইন্দোনেশিয়ার অভিযোগ ছিল, তারা প্রতিশ্রুত প্রযুক্তি ও কারিগরি জ্ঞান পায়নি। অর্থ পরিশোধেও বিলম্ব হয়। শেষ পর্যন্ত যুদ্ধবিমানটির সহ-উৎপাদক না হয়ে ইন্দোনেশিয়া শুধু এর ক্রেতা হিসেবেই থেকে যায়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ইন্দোনেশিয়া শুধু বিমানবাহিনী নয়, নৌবাহিনীকেও দ্রুত আধুনিক করছে। গত বছরের ডিসেম্বরে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত জাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান পিটি পিএএল দেশেই তৈরি প্রথম ‘মেরাহ পুতিহ’ ফ্রিগেট পানিতে নামায়। দ্বিতীয় জাহাজটির নির্মাণকাজ চলছে এবং চলতি বছরের মধ্যেই এটি উদ্বোধন হওয়ার কথা। জাহাজগুলো যুক্তরাজ্যের অ্যারোহেড ১৪০ নকশা অনুসারে তৈরি হচ্ছে।

এ ছাড়া পিটি পিএএল শিগগিরই ফ্রান্সের নাভাল গ্রুপের সঙ্গে যৌথভাবে দুটি ‘স্করপেন ইভলভড’ সাবমেরিন নির্মাণ শুরু করবে। প্রকল্পটি শেষ হতে কয়েক বছর লাগলেও উৎপাদন পর্যায়ে যাওয়াকে বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ইন্দোনেশিয়া বিদেশ থেকেও যুদ্ধজাহাজ কিনছে। সম্প্রতি তারা ইতালির কাছ থেকে দুটি ‘থাওন দি রেভেল’ শ্রেণির ফ্রিগেট এবং একটি অবসর পাওয়া বিমানবাহী রণতরী কেনার চুক্তি করেছে। বিশেষ করে বিমানবাহী রণতরী কেনার সিদ্ধান্তটি বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

নিজেদের নৌবাহিনী শক্তিশালী করার পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়া ফিলিপাইনকেও সহায়তা করছে। প্রায় ১০ বছর আগে পিটি পিএএল ফিলিপাইনকে দুটি ‘তারলাক-শ্রেণির’ ল্যান্ডিং প্ল্যাটফর্ম ডক দিয়েছিল। এখন আরও দুটি জাহাজ তৈরি করছে, যার প্রথমটি জুনে উদ্বোধন হয়েছে।

ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝেই বিনিয়োগের ‘নিরাপদ আশ্রয়’ এশিয়াHong Kong Investment Corporation CEO Clara Chan Ka Chai–Reuters

অন্যদিকে ফিলিপাইনও তাদের সামরিক আধুনিকায়নে দক্ষিণ কোরিয়ার ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। দেশটি দক্ষিণ কোরিয়ার কেএফ-২১ যুদ্ধবিমানের অন্যতম প্রথম ক্রেতা হতে পারে। একই সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার হুন্দাই হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ ফিলিপাইন নৌবাহিনীর জন্য একাধিক আধুনিক যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ করছে।

থাইল্যান্ডও নৌবাহিনী আধুনিক করার পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে। দেশটি ৪ হাজার টন ধারণক্ষমতার একটি নতুন ফ্রিগেট কিনতে ৫৩০ মিলিয়ন ডলারের একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এই চুক্তির জন্য দক্ষিণ কোরিয়াসহ কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতা করছে।

এদিকে থাইল্যান্ডের চীনের কাছ থেকে এস২৬টি সাবমেরিন কেনার প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে জটিলতায় ছিল। কারণ, সাবমেরিনে ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত জার্মান ইঞ্জিন রপ্তানির অনুমতি দেয়নি জার্মানি। পরে চীনা ইঞ্জিন ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় প্রকল্পটি আবার এগোতে শুরু করেছে। সাবমেরিনটি ২০২৮ সালে প্রস্তুত হওয়ার কথা।

মালয়েশিয়ার দীর্ঘদিনের লিটোরাল কমব্যাট শিপ (এলসিএস) প্রকল্প ধীরে ধীরে এগোচ্ছে। পরিকল্পিত পাঁচটি যুদ্ধজাহাজের মধ্যে তিনটি ইতোমধ্যে পানিতে নামানো হয়েছে। তবে প্রকল্পটি আর্থিক সংকটের পাশাপাশি নতুন সমস্যারও মুখে পড়েছে। চলতি বছর সংবেদনশীল প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি রপ্তানির বিধিনিষেধের কথা বলে একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার রপ্তানি লাইসেন্স বাতিল করে নরওয়ে। এতে মালয়েশিয়া অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।

এদিকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ভারতের ব্রামোস সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের চাহিদা বাড়ছে। ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়া–এই তিন দেশই ক্ষেপণাস্ত্রটি কেনার চুক্তি করেছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, এ অঞ্চলের দেশগুলো এখন শুধু ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র বা পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর ওপর নির্ভর করছে না। ভারত ও তুরস্কের মতো দেশও এখন বড় অস্ত্র সরবরাহকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

সাম্প্রতিক পরিস্থিতি দুটি বিষয় স্পষ্ট করছে। প্রথমত, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সামরিক আধুনিকায়নের গতি আরও বেড়েছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত পারে। যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নীতি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ও আগ্রাসী অবস্থানের কারণে দেশগুলো নিজেদের প্রতিরক্ষা আরও শক্তিশালী করতে চাইছে।

ছবি: রয়টার্স
ছবি: রয়টার্স

দ্বিতীয়ত, অস্ত্র কেনা এখন শুধু সামরিক প্রয়োজনের বিষয় নয়। এর সঙ্গে কূটনীতি, রাজনৈতিক সম্পর্ক, দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলা এবং বড় শক্তিগুলোর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার কৌশলও জড়িত।

এই ক্ষেত্রে ইন্দোনেশিয়া সবচেয়ে সক্রিয় দেশগুলোর একটি। তারা ফ্রান্স, ইতালি, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি করেছে বা আলোচনা চালাচ্ছে। লক্ষ্য হলো বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে ভালো শর্তে অস্ত্র কেনা এবং দেশে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরির সক্ষমতা বাড়ানো।

অন্যদিকে, ফিলিপাইন তুলনামূলকভাবে কমসংখ্যক অংশীদারের ওপর নির্ভর করছে। বিশেষ করে দক্ষিণ কোরিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে তাদের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বেশি।

থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। রপ্তানি লাইসেন্স বাতিলসহ নানা জটিলতার কারণে তাদের নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন পরিকল্পনা বিলম্বিত হয়েছে।

ভবিষ্যতে এই পরিস্থিতি কীভাবে বদলাবে, তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা কঠিন। তবে বৈশ্বিক নিরাপত্তা ঝুঁকি ও ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতা বাড়তে থাকলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সামরিক আধুনিকায়নের গতি আরও বাড়তে পারে।

বিষয়: আমেরিকাসামরিক বাহিনীরপ্তানিনিরাপত্তাক্ষেপণাস্ত্ররাজনীতিসাবমেরিননৌবাহিনী
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড