Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

১২৪ কোটি টাকার দ্বিতীয় তিস্তা সেতু, সুফল আটকে কোথায়?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৭: ২৫
১২৪ কোটি টাকার দ্বিতীয় তিস্তা সেতু, সুফল আটকে কোথায়?
তিস্তা নদীর ওপর ১২৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত দ্বিতীয় তিস্তা সেতু ও সড়ক নির্মাণের পরও এর সুফল পাচ্ছে না পণ্যবাহী ভারী যানবাহনগুলো। ছবি: ইউএনবি

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা এলাকার সঙ্গে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মহিপুরকে যুক্ত করতে ৮৫০ মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণ করা হয়। ‘দ্বিতীয় তিস্তা সেতু’ নির্মাণে ব্যয় করা হয়েছে ১২৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। সেতুটির সঙ্গে রংপুর নগরীকে যুক্ত করতে প্রায় ২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ১১ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়কও নির্মাণ করা হয়েছে। উদ্দেশ্য ছিল বুড়িমারী স্থলবন্দরসহ পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ ও আদিতমারী উপজেলার সঙ্গে রংপুরের যোগাযোগ সহজ করা। কিন্তু সেতু ও সড়ক নির্মাণের পরও এর সুফল পাচ্ছে না পণ্যবাহী ভারী যানবাহনগুলো।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বার্তা সংস্থা ইউএনবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেতুর ওপর দিয়ে বাস ও ট্রাকসহ ভারী যান চলাচল বন্ধ থাকায় বুড়িমারী স্থলবন্দর থেকে আসা পণ্যবাহী যানকে লালমনিরহাট জেলা সদর হয়ে রংপুরে যেতে হচ্ছে। এতে প্রায় ৫০ কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ ঘুরতে হচ্ছে। ফলে বাড়ছে পরিবহন খরচ ও সময়, যার প্রভাব পড়ছে ব্যবসা-বাণিজ্য ও সাধারণ ভোক্তার ওপরও।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

অন্যদিকে, রংপুর নগরীর বুড়িরহাট থেকে গঙ্গাচড়ার শংকরদহের সিরাজুল বাজার পর্যন্ত ১১ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়ক নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ২৮ কোটি টাকা। কিন্তু ভারী যান চলাচল বন্ধ থাকায় বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত এই অবকাঠামো এখন প্রত্যাশিত কাজে আসছে না।

লালমনিরহাট এলজিইডি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালে দ্বিতীয় তিস্তা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০১৮ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর সেতুটির উদ্বোধন করা হলেও নাজুক সড়কের কারণে প্রথম চার বছর ভারী যান চলাচল করতে দেওয়া হয়নি। পরে ২০২২ সালের ১১ জানুয়ারি সব ধরনের যানবাহনের জন্য সেতুটি খুলে দেওয়া হয়।

কিন্তু বছর না ঘুরতেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় শিক্ষার্থী ও থ্রি-হুইলার মালিক সমিতির সদস্যরা ভারী যান চলাচল বন্ধের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। আন্দোলনের মুখে রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের আদেশে ২০২৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর থেকে সেতুর উত্তর প্রান্তে প্রতিবন্ধক খুঁটি বসিয়ে ভারী যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। সে সময় বলা হয়েছিল, আঞ্চলিক মহাসড়কটি পুনর্নির্মাণ করে ভারী যান চলাচলের উপযোগী না করা পর্যন্ত প্রতিবন্ধক বহাল থাকবে। তা না হলে পণ্যবাহী যানবাহনের চাপে সড়কটি পুরোপুরি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা ছিল।

‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে সরকারের অঙ্গীকারের অগ্রগতি জনগণ দেখতে চায়’jamaat amir ctg

তবে ভারী যান চলাচল বন্ধের প্রায় দেড় বছর পার হলেও সড়কটি পুনরায় চালুর কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) রংপুর কার্যালয় জানায়, প্রায় ২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে বুড়িরহাট থেকে শংকরদহের সিরাজুল বাজার পর্যন্ত ১১ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়কটির নির্মাণ কাজ ২০২৩ সালের নভেম্বরে শুরু হয়ে ২০২৪ সালের মার্চে শেষ হয়।

দরপত্র অনুযায়ী, কার্পেটিং করা পাকা সড়কটির প্রস্থ ১৮ ফুট। এর দুই পাশে ৩ ফুট করে মোট ৬ ফুট ইট বিছানো এবং আরও ৩ ফুট করে দুই পাশে মোট ৬ ফুট মাটি বিছানোসহ সড়কটি প্রশস্ত করা হয়। নির্মাণের পর ভারত থেকে আমদানি করা পাথরসহ বিভিন্ন পণ্যবাহী ভারী ট্রাক এবং যাত্রীবাহী বাস চলাচলও শুরু হয়েছিল। কিন্তু পরে সড়কের দুই পাশের ইট ও মাটি ধসে পড়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর আবারও ভারী যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে অভিযোগ রয়েছে, থ্রি-হুইলার মালিক সমিতির প্রভাব ও সিন্ডিকেটের কারণেও সেতু দিয়ে ভারী যান চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।

তবে থ্রি-হুইলার মালিক সমিতির নেতারা বলছেন, সড়কটি ভারী যান চলাচলের উপযোগী না হওয়ায় তারা এর বিরোধিতা করছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নের রুদ্রেশ্বর এলাকায় সংযোগ সড়কের ওপর আড়াআড়িভাবে লোহার পাইপ দিয়ে প্রতিবন্ধক তৈরি করা হয়েছে। ফলে ওই সড়ক দিয়ে বাস বা ট্রাক চলাচল করতে পারছে না। পিকআপ, প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস কোনো রকমে চলাচল করলেও বুড়িমারী স্থলবন্দর থেকে আসা পণ্যবাহী ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাসগুলোকে কাকিনা বাজার হয়ে লালমনিরহাট জেলা সদর ঘুরে রংপুরের কাউনিয়ার তিস্তা সেতু দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

আলোচনায় তিস্তা-পুশ ইন, কী ভাবছেন রাজনীতিকেরাbangladesh-india border

আমদানিকারক, ব্যবসায়ী ও ট্রাক-ট্যাংক লরি শ্রমিক নেতাদের ভাষ্য, বুড়িমারী থেকে রংপুরের দূরত্ব মহিপুরের দ্বিতীয় তিস্তা সেতু ব্যবহার করলে প্রায় ৯০ কিলোমিটার। কিন্তু বর্তমানে লালমনিরহাট শহর হয়ে রংপুরে যেতে পাড়ি দিতে হচ্ছে প্রায় ১৪০ কিলোমিটার। অর্থাৎ প্রায় ৫০ কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, বুড়িমারী থেকে লালমনিরহাট হয়ে রংপুরে আসতে একটি ট্রাকের ভাড়া পড়ে ১৭ থেকে ১৮ হাজার টাকা। অথচ দ্বিতীয় তিস্তা সেতু দিয়ে এলে ভাড়া পড়ত ৯ থেকে ১০ হাজার টাকা। অতিরিক্ত পথের কারণে ট্রাকচালক ও শ্রমিকদের প্রায় দুই ঘণ্টা অতিরিক্ত সময়ও ব্যয় হচ্ছে।

ট্রাকচালক সাকিব বলেন, “সড়কটি বন্ধ থাকায় ভোগান্তি বেড়েছে। সবার দিক বিবেচনা করে সড়কটি খুলে দেওয়া উচিত।”

রংপুর নগরীর চেকপোস্ট এলাকার ব্যবসায়ী রাজ মাহমুদ বলেন, “শত কোটি টাকা ব্যয়ে সেতু নির্মাণ করা হলেও সেটি ব্যবসায়ীদের কোনো কাজে আসছে না। পণ্য পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত এর প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের ওপর। দ্রুত ভারী যান চলাচলের অনুমতি দেওয়া দরকার।”

রংপুর জেলা ট্রাক, ট্যাংক লরি ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান হাফিজ বলেন, “আশা করেছিলাম মহিপুর সেতু হলে শ্রমিকদের কষ্ট কমবে। কিন্তু সেতু হওয়ার পরও তারা এর সুবিধা পাচ্ছেন না।”

তিনি বলেন, “সেতুটি কি শুধু পথচারী, ভ্যান, অটো আর টেম্পুর জন্য করা হয়েছে? ভারী যানবাহন কেন বন্ধ রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো পক্ষই আমাদের স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি। জনস্বার্থ ও শ্রমিক-মালিকদের সুবিধার্থে এটি অবিলম্বে খুলে দেওয়া উচিত।”

কালীগঞ্জ উপজেলা থ্রি-হুইলার মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুস সাত্তার বলেন, “হাতীবান্ধা-রংপুর রুটে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ জন দরিদ্র মানুষ থ্রি-হুইলার চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। হাইওয়েতে এসব যান চলাচল নিষিদ্ধ হওয়ায় তারা বিকল্প এই রুট ব্যবহার করেন। মাঝে মধ্যেই পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা পথটি খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়ে তাদের সমস্যা তৈরি করেন। এর আগেও সড়কটি খুলে দেওয়া হয়েছিল। তখন বাস-ট্রাক চলাচলের কারণে সড়ক ভেঙে যায় এবং ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়।”

তিনি বলেন, “সড়ক প্রশস্ত ও মজবুত করা হলে বাস-ট্রাক চলায় আমাদের কোনো আপত্তি নেই।”

এই পরিবহন শ্রমিক নেতার দাবি, বর্তমান অবস্থায় ভারী যান চলাচল শুরু হলে পাঁচ থানার হাজার হাজার রোগী যাতায়াতে চরম ভোগান্তিতে পড়বেন। এসব বিষয় বিবেচনা করেই ভারী যানবাহন বন্ধ রাখা হয়েছে।

এ ব্যাপারে এলজিইডি লালমনিরহাট জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কাওছার আলম বলেন, “আন্দোলনের পর বিভাগীয় কমিশনারের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে সেতুর ওপর দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। সেতু বা সড়কের মূল কাঠামোতে কোনো সমস্যা নেই।”

এর ফলে যে উদ্দেশ্যে দ্বিতীয় তিস্তা সেতু ও আঞ্চলিক মহাসড়ক নির্মাণ করা হয়েছিল, সেই লক্ষ্য পূরণ হচ্ছে না।

বিষয়: লালমনিরহাটরংপুরগঙ্গাচড়াকালীগঞ্জ (লালমনিরহাট)
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড