Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

মুসলিম ভোটে বিভক্তি মমতার হারের বড় কারণ?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৬, ১১: ০০
মুসলিম ভোটে বিভক্তি মমতার হারের বড় কারণ?

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির অন্যতম বড় কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে মুসলমান ভোট বিভক্ত হয়ে পড়া। ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানরা একচ্ছত্রভাবেই মমতা বন্দোপাধ্যায়ের পেছনে দাঁড়িয়েছিলেন। এবারের বিধানসভা নির্বাচনেও মুসলমানদের তৃণমূলের ভোটব্যাংক মনে করা হলেও সেখানে বড় ধরনের বিভক্তি দেখা দিয়েছে। অর্থাৎ, মুসলমানরা এককভাবে তৃণমূলকে ভোট দেননি। বিজেপির বিরাট কৌশলগত সাফল্য ছিল তৃণমূলের মুসলিম ভোট ব্যাংককে বিভক্ত করে ফেলা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ভারতের অন্যতম শীর্ষ সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুও একই কথা বলছে। তাদের প্রতিবেদনের ভাষ্য, মুসলিম ভোটে বিভক্তি ২০২৬–এর বিধানসভা নির্বাচনে সরাসরি বিজেপির অনুকূলে গেছে।

বাংলাদেশের কাছের মালদহ জেলায় মোট ভোটারের ৫০ শতাংশ মুসলমান। সেখানকার ১২টি বিধানসভা আসনের ৬টিতেই বড় ব্যবধানে জিতেছেন বিজেপি প্রার্থীরা। প্রায় একই চিত্র মালদহের পাশের জেলা মুর্শিদাবাদেও। সেখানে ৭০ শতাংশ মুসলিম ভোট। মুর্শিদাবাদের ২২টি বিধানসভা আসনের ৮টিতে জিতেছেন বিজেপি প্রার্থীরা।

পশ্চিমবঙ্গ: বিজেপির জয় যে ইঙ্গিত দিচ্ছেbjp d

পশ্চিমবঙ্গে ৩৪ বছর বামফ্রন্ট শাসন চালিয়েছিল। তখন বলা হতো মুসলিম ভোট ব্যাংকই ছিল সিপিএমের নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্টের শক্তি। ২০১১ সালে মমতা বন্দোপাধ্যায় তিন দশকেরও বেশি সময়ের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসেন। তখন দেখা গিয়েছিল মুসলিমরা বামফ্রন্টের বদলে বেছে নিয়েছিলেন মমতার তৃণমূলকে। একই প্রবণতা ছিল ২০১৬ ও ২০২১–এর বিধানসভা নির্বাচনেও। ২০২৬–এ এসে সেই ভোট ব্যাংকে বিচ্যুতি বা বিভক্তিই মমতার পতনের কারণ হয়ে দাঁড়াল।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বিভক্ত মুসলিম ভোট যে বিজেপি পেয়েছে, এটা অবশ্য বলা যাচ্ছে না। এবারের নির্বাচনে নওশাদ সিদ্দিকির নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট বা আইএসএফ তৃণমূলের ভোট কাটার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই আইএসএফ এবার বামফ্রন্টের সঙ্গে জোট বেধে নির্বাচন করেছে। এবারের নির্বাচনে বামফ্রন্ট–আইএসএফ জোট আসন পেয়েছে ২টি। এ ছাড়াও মালদহের তৃণমূলের সাবেক বিধায়ক হুমায়ূন কবীর দল থেকে পদত্যাগ করে আমজনতা উন্নয়ন পার্টি নামে একটি দল গড়ে ১৪৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বাঁধে। এই জোটও দুটি আসন পেয়েঠছে এবারের নির্বাচনে। আইএসএফ ও আমজনতা উন্নয়ন পার্টি নির্বাচনে ৪.৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এই পরিসংখ্যানেই মুসলিম ভোট বিভক্ত হয়ে যাওয়ার ব্যাপারটি অনেকটাই পরিষ্কার। অল্প ব্যবধানে তৃণমূল যেসব আসনে হেরেছে, সেসব আসনে এই নওশাদ সিদ্দিকি আর হুমায়ূন কবীরের দলের ভোট বড় ফ্যাক্টর হয়ে দেখা দিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

এবারের নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর নামে ভোটার তালিকা সংস্কারের কাজ করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। এই এসআইআর নিয়ে তীব্র অসন্তোষ ছিল তৃণমূল শিবিরে। তৃণমূলের ভোট নষ্ট করার জন্যই এমনটা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করছিলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। এই এসআইআরে ৯১ লাখ ভোটার বাদ পড়েছেন। এদের অধিকাংশই ছিলেন মুসলিম। তৃণমূল এ ব্যাপারে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলেও মুসলিমদের অভিযোগ ছিল। তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে কাঙ্খিত উন্নয়ন না হওয়া নিয়েও ক্ষোভ ছিল। সে কারণে মুসলিমরা বিকল্প হিসেবে আইএসএফ ও আমজনতা উন্নয়ন পার্টিকে ভোট দিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

রাজ্যজুড়ে হিন্দু ভোটারদের মেরুকরণ বিজেপি-কে সুবিধাজনক অবস্থানে রেখেছিল, বিশেষ করে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মুসলিম ভোটের এই বহুমুখী বিভাজনই তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয় নিশ্চিত করল।

বিষয়: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়বিধানসভা নির্বাচনমুসলিমরাজনীতিভারত
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড