Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

পাকিস্তানে শাসনব্যবস্থার সংকট

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৬, ১৭: ৪০
পাকিস্তানে শাসনব্যবস্থার সংকট
এআই দিয়ে তৈরি প্রতীকী ছবি

পাকিস্তানে নতুন প্রদেশ গঠনের বিষয় নিয়ে বারবার যে আলোচনা হয়, তা প্রায়ই জাতিগত, ভাষাগত ও রাজনৈতিক দরকষাকষির বিষয়ে সীমিত হয়ে পড়ে। তবে মিডিল ইস্ট মনিটরে সাইমা আফজালের লেখা এক নিবন্ধে মূল সমস্যাটি ভিন্নভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, আসল চ্যালেঞ্জটি কতগুলো প্রদেশ তৈরি করা উচিত তা নিয়ে নয়; বরং পাকিস্তানের প্রশাসনিক কাঠামো দেশটির জনসংখ্যা ও প্রশাসনিক পরিবর্তনের সাথে তাল মেলাতে পেরেছে কি না সেটাই মূল প্রশ্ন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভির অতিরিক্ত প্রশাসনিক ইউনিট গঠনের আহ্বান এই রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর বিষয়টি নিয়ে পুনরায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রথাগতভাবে এই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে সাংবিধানিক বাধা এবং জাতিগত বিভাজনের আশঙ্কা। কিন্তু এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, ১৯৭০-এর দশকের শুরুর দিকে প্রায় সাড় ৬ কোটি জনসংখ্যার জন্য তৈরি করা প্রশাসনিক কাঠামো দিয়ে বর্তমানে প্রায় ২৫ কোটি জনসংখ্যার দেশকে পরিচালনা করা সম্ভব কি না।

প্রশাসনিক সংস্কারকে কেবল রাজনৈতিক ছাড় কিংবা মানচিত্র নতুন করে আঁকার অংশ হিসেবে দেখা উচিত নয়। এটি মূলত রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির এক ধরনের বিনিয়োগ। দেশের প্রথম সারির প্রশাসনিক কাঠামো যখন তৈরি হয়েছিল, তখন দেশটি অর্থনৈতিক ও জনসংখ্যার দিক থেকে অনেক ছোট ছিল। বর্তমানে প্রাদেশিক সরকারগুলোকে অনেক সার্বভৌম রাষ্ট্রের চেয়েও বড় জনসংখ্যার শাসনভার সামলাতে হচ্ছে, যা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, পুলিশি ব্যবস্থা ও অবকাঠামোগত কাঠামোর ওপর চরম চাপ সৃষ্টি করছে। বিশালাকার প্রশাসনিক ইউনিটের কারণে নাগরিক ও নীতি-নির্ধারকদের মধ্যে দূরত্ব বাড়ছে, যার ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলো প্রাদেশিক রাজধানীগুলোর তুলনায় কম প্রশাসনিক মনোযোগ পাচ্ছে।

১৮তম সাংবিধানিক সংশোধনীর পর কেন্দ্রীয় সরকার থেকে প্রাদেশিক সরকারগুলোতে ক্ষমতা ও আর্থিক সম্পদের বিকেন্দ্রীকরণ হলেও, প্রদেশ থেকে স্থানীয় সরকারে রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ তেমন ঘটেনি। সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এখনো প্রাদশিক রাজধানীতেই পুঞ্জীভূত, যা গণতন্ত্রের নয়, বরং প্রশাসনিক কাঠামোর ব্যর্থতা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

অর্থনৈতিক দিক থেকেও প্রশাসনিক সংস্কার এক জরুরি প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশাসনিক সীমানা জাতিগত বা ভাষাগত পরিচয়ের ভিত্তিতে না হয়ে বরং জনসংখ্যা, প্রশাসনিক কাজের চাপ, ভৌগোলিক যোগাযোগ, অবকাঠামোগত সহজলভ্যতা ও অর্থনৈতিক সক্ষমতার ভিত্তিতে নির্ধারিত হওয়া উচিত। ভারত, ইন্দোনেশিয়া এবং নাইজেরিয়ার মতো দেশগুলো জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে প্রশাসনিক কাঠামোর সংস্কার ও সম্প্রসারণ করে ইতিবাচক ফল পেয়েছে।

প্রশাসনিক সুযোগ-সুবিধা কাছাকাছি আনলে কৃষি, উৎপাদন, পর্যটন ও লজিস্টিকসের মতো ক্ষেত্রে আঞ্চলিক সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে সুষম অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব হয়। বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়া যখন আঞ্চলিক সাপ্লাই চেইন ও ডিজিটাল বাণিজ্যে সংযুক্ত হচ্ছে, তখন প্রশাসনিক দক্ষতা একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক উপাদানে পরিণত হয়েছে। এছাড়া একটি ছোট প্রশাসনিক ইউনিট নাগরিক জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করে এবং স্থানীয় নেতৃত্বের সুযোগ উন্মোচন করে। পাকিস্তানের জন্য একটি ইতিবাচক দিক হলো, দেশটিতে ইতিমধ্যেই বিভাগ, জেলা ও প্রশাসনিক সদর দপ্তরের মতো বিদ্যমান ব্যবস্থা রয়েছে, যা নতুন কোনো আমলাতন্ত্র তৈরি না করেই ধাপে ধাপে প্রশাসনিক পুনর্গঠন সহজতর করতে পারে। কেবল সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা দিয়ে দুর্বল প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর করা যায় না; কর আদায়, অবকাঠামো নির্মাণ ও জলবায়ু সহনশীলতা নিশ্চিত করতে কার্যকর প্রশাসনিক সক্ষমতা প্রয়োজন। বর্তমানের ডিজিটালাইজেশন এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতিও প্রশাসনকে জনগণের কাছাকাছি নিয়ে আসার বিষয়টিকে সহজ করেছে। রাজনীতি ও পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে প্রশাসনিক কার্যকারিতা নিশ্চিত করতেই এই সংস্কার প্রয়োজন। পাকিস্তানের আসল সংকট জনসংখ্যা বৃদ্ধি নয়, বরং শাসন কাঠামোর স্থবিরতা। একটি শক্তিশালী ফেডারেশন ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করার মাধ্যমে নয়, বরং শাসনব্যবস্থাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমেই গড়ে ওঠে।

বিষয়: পাকিস্তানপ্রশাসনবিশ্লেষণসংস্কার
সর্বশেষ
  • ১

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ২

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৩

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

  • ৪

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

  • ৫

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

সম্পর্কিত
  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড

  • বিশ্বজুড়ে ফিরেছে মূল্যস্ফীতি?

    বিশ্বজুড়ে ফিরেছে মূল্যস্ফীতি?

    ‘সফট ল্যান্ডিং’-এর কথা মনে আছে? আগে বলে নেওয়া দরকার সফট ল্যান্ডিং কী? ‘সফট ল্যান্ডিং’ বলতে বোঝায়, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি নিয়ন্ত্রিত ও ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা, যাতে মূল্যস্ফীতি কমে আসে, কিন্তু অর্থনীতিতে মন্দা দেখা না দেয় বা বিপুলসংখ্যক মানুষ চাকরি না হারান।