
বিজেপি দাবি করেছিল, তারা দু শরও বেশি আসন পাবে। কিন্তু তারা থামে ৭৭-এ। প্রাপ্ত ভোটের হার ৩৭.৯৮। পরে অবশ্য দলবদলের হাত ধরে তৃণমূলের সদস্য সংখ্যা বেড়ে হয় ২১৯ এবং বিজেপির কমে ৬৪। আর সিপিআইএম-কংগ্রেসের সম্মিলিত জোট পায় মাত্র ১০ শতাংশ ভোট। আসন বলতে আইএসএফের একটি। কংগ্রেস ০, সিপিএম ০।

অপর্ণা বলছেন, পশ্চিমবঙ্গের এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের জন্য এক সতর্কবার্তা। নির্বাচন শুধু একটি প্রক্রিয়া নয়, এটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। সেই অধিকার যদি প্রশাসনিক জটিলতা, বিলম্ব বা কঠোরতার কারণে ক্ষুণ্ণ হয়, তবে গণতন্ত্রের ভিতই দুর্বল হয়ে পড়ে।