
তানিয়া আক্তারের অভিযোগ, ২০ মে রাতে ডিএনসি কার্যালয়ে এই দেনদরবারের ঘটনাটি জানাজানি হওয়ায় বেবি আক্তারকে অন্যত্র স্থান থেকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

নিয়মিত যোগাযোগের জন্য বাংলাদেশের পক্ষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং পাকিস্তানের পক্ষে এএনএফ ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধিত) আইন অনুযায়ী, সিসা (খ) শ্রেণির মাদকদ্রব্য হিসেবে তফসিলভুক্ত। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার মাদককে জাতীয় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে নির্বাচনী ইশতেহারে স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।”