
‘‘৫ আগস্টের পর থেকে শিবির কোভার্ট পলিটিক্স করেছে, যেটা ডাকসুতেও দেখেছি…। কিন্তু দিনের পর দিন যখন এই মুখোশটা খসে পড়তে শুরু করল, তখন শিক্ষার্থীদের মধ্যে অবিশ্বাস তৈরি হয়। এই অবিশ্বাসের ফলে ধীরে ধীরে সম্পৃক্ততা কমে যায়।”

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) আওয়ামী ফ্যাসিবাদের মদদপুষ্ট কোনো শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারী যদি চাকরি করতে আসে, তাহলে তাদের কলার ধরে টেনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বেঁধে রাখা হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাউদ্দিন আম্মার।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) শাখা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনের জন্য তিনটি পদ নিয়ে এই নির্বাচন। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র -শিক্ষক কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। চলে দুপুর একটা পর্যন্ত।

আগামী ১৭ ডিসেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠেয় দ্বাদশ সমাবর্তন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক শিক্ষার্থীদের একাংশ।

ডাকসু নির্বাচনে অভাবনীয় জয় পেয়েছে ইসলামী ছাত্র শিবিরের সমর্থিত প্রার্থীরা। ভিপি, জিএস, এজিএসসহ ১২ সম্পাদক পদের ৯টিতেই জিতেছে তারা। এমন জয়ের কারণ কী? শিবির সমর্থিতদের প্রতি শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন নাকি শিবির বিরোধীদের মধ্যে বিভক্তি?