
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি নিয়ে সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, সরকার চালাকি করে সংসদে বাজেট অধিবেশনের ৪ দিন আগে মূল্যবৃদ্ধি করে নিয়েছে।

খুচরা পর্যায়ের ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে বিদ্যুৎ খাতের জন্য এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ সাজানো হয়েছিল। বিদ্যুৎ বিতরণ ও সঞ্চালন কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য

শুনানিতে বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, “ক্যাপাসিটি চার্জ ও দায়মুক্তি আইনের অধীনে হওয়া বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির (পিপিএ) বিষয়গুলো পুনরায় পর্যালোচনা প্রয়োজন। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখছি।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ দপ্তর থেকে চলতি মাসে দুই দফায় মোট ১ কোটি ৭ লাখ ৫২ হাজার ৭৭০ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।

আইপিপি উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ ইন্ডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিআইপিপিএ) দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া পরিশোধে বিলম্ব নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আসছে। কয়েক মাসের বিল বকেয়া থাকায় ব্যাংক ঋণের কিস্তি পরিশোধ, জ্বালানি আমদানি ও নিয়মিত উৎপাদন বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে দাবি করছিলেন সংগঠনটির নেতারা।

বিপপার অভিযোগ, সম্প্রতি প্রায় ৫ হাজার ২০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের দরপত্রে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ খুবই সীমিত ছিল এবং শেষ পর্যন্ত মাত্র ৯০০ মেগাওয়াট প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান রয়টার্সকে জানান, আলোচনা এখনও চলছে। তিনি আরও বলেন, “আলোচনা প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর, প্রয়োজন হলে আমরা আন্তর্জাতিক সালিশের দিকে যাব।”

গরমের সময় বলতে গেলে সারাক্ষণই ঘরে ফ্যান চালাতে হয়। এতে মাস শেষে বিদ্যুৎ বিলও বেশি আসে। অনেকেই মনে করেন ফ্যানের গতি কম রাখলে বিদ্যুৎ বিল কম আসবে। কিন্তু সত্যিই কি তাই?

গরম এলেই হু হু করে বাড়তে থাকে বিদ্যুৎ বিল। এ অবস্থায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা জরুরি। তবে জানেন কি, সহজ কিছু কৌশল অবলম্বন করলেই গরমে বিদ্যুৎ বিল কমানো সম্ভব। চলুন জেনে নিই, গরমে কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন বিদ্যুৎ বিল।