
নারীবিদ্বেষ ছড়ানোর জন্য এইসব ম্যানোস্ফিয়ার গড়ে তুললেও, এর নেতিবাচক প্রভাব কিন্তু শুধু নারীদের ওপরেই পড়ে, এমন না। এটা পুরুষদের জন্যও সমান ক্ষতিকর। এক ইকুইমুন্ডোর এক বৈশ্বিক গবেষণায় দেখা যায়, যেসব পুরুষের চিন্তাধারায় নারীবিদ্বেষ এতটা প্রকট, তাদের আচরণ ঝুঁকিপূর্ণ।

গেমারগেট কেলেঙ্কারি পরবর্তী সময়ে বিবেকবর্জিত কিন্তু উদ্যমী তরুণদের কাছে এই বিদ্বেষ ছড়ানোই হয়ে দাঁড়াল এক লাভজনক ব্যবসা। একজন সাংবাদিক হিসেবে আমি অনেক কট্টর ডানপন্থী তরুণের সাক্ষাৎকার নিয়েছি, যারা স্বীকার করেছে যে তাদের আসল লক্ষ্য ছিল ইনফ্লুয়েন্সার বা চলচ্চিত্র নির্মাতা হওয়া।

নতুন এই আইনের আওতায় সহিংসতা উসকে দেওয়া ধর্মপ্রচারক ও নেতাদের জন্য শাস্তির বিধান রাখা হবে। এ ছাড়া ‘গুরুতর ঘৃণা উসকানিমূলক বক্তব্য’ নামক একটি নতুন ফেডারেল অপরাধের ধারা এবং অনলাইন হুমকি ও হয়রানির ক্ষেত্রে ‘ঘৃণা’ বা ‘বিদ্বেষ’ ছড়িয়ে দেওয়াকে অপরাধের মাত্রা বৃদ্ধির কারণ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

আসক মনে করে, এই ধরনের মন্তব্য ব্যক্তিগত দায়িত্বহীনতার সীমা ছাড়িয়ে গেছে। যা সমাজে বিভাজন, নারীবিদ্বেষী ও ঘৃণামূলক বক্তব্যকে উসকে দেয়।