
স্থানীয় উদ্ধারকারী সংস্থার প্রধান ইওয়ান রামদানি বলছেন, ২০ জন পর্বতারোহী আটকা পড়েছেন। এরই মধ্যে তাদের উদ্ধারে কাজ শুরু হয়েছে।

দুই হাজার বছর আগে, রোমান সাম্রাজ্যের এক সমৃদ্ধ শহর পম্পেই নিমিষেই ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছিল আগ্নেয়গিরির তপ্ত ছাইয়ের নিচে। কিন্তু এবার আধুনিক প্রযুক্তি আর বিজ্ঞানের ছোঁয়ায় সেই ইতিহাসের এক করুণ মুহূর্ত আমাদের চোখের সামনে জীবন্ত।

যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইতে অবস্থিত কিলাউয়া আগ্নেয়গিরি আবারও অগ্ন্যুৎপাতের সাক্ষী হলো বিশ্ব। ইউএসজিএস জানায়, লাভা উদ্গীরণের ধোঁয়া আকাশে প্রায় ৩৫ হাজার ফুট পর্যন্ত উঠে যায়। ডিসেম্বর থেকে বিরতিহীন সক্রিয় এই আগ্নেয়গিরি পৃথিবীর অন্যতম সক্রিয় আগ্নেয়স্থল হিসেবে পরিচিত।

২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে আমেরিকার হাওয়াইয়ের মাউন্ট কিলাউয়া আগ্নেয়গিরিতে অস্থিরতা চলছিলো। তবে সম্প্রতি নতুন করে শুরু হয়েছে অগ্ন্যুৎপাত। এর রূপ যেমন সুন্দর, তেমনই ভয়ংকর।

আগ্নেয়গিরি হলো ভূগর্ভস্থ ম্যাগমার চাপ বেড়ে ওপরে উঠে আসার প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া, যা অগ্ন্যুৎপাতে রূপ নেয়। টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়া, হটস্পট ও চাপের পরিবর্তনে এসব অগ্ন্যুৎপাত ঘটে এবং আশপাশে বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে।

প্রায় ১২ হাজার বছর পর জেগে উঠেছে ইথিওপিয়ার হাইলি গুবি আগ্নেয়গিরি। এর ফলে তৈরি হওয়া বিরাট ছাই-মেঘ উত্তর ভারতের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ঝুঁকি এড়াতে বাতিল করা হয়েছে দেশটির বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ফ্লাইট।

আগ্নেয়গিরি হলো এমন কিছু পাহাড়, যেগুলোর ভেতরে ভূ-গর্ভস্থ ম্যাগমা নামক উত্তপ্ত পদার্থ সঞ্চিত থাকে। কোনো কোনো ফাটল বা ছিদ্রপথ দিয়ে ভূগর্ভস্থ গরম বাতাস, জলীয় বাষ্প, গলিত শিলা, কাদা, ছাই, গ্যাস প্রবল বেগে বেরিয়ে আসে। আর ভূগর্ভস্থ পদার্থের এমন নির্গমনকে বলে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত।