
রাজধানীর উত্তরায় সড়ক দুর্ঘটনায় মো. নুর আলম (৩২) নামে এক পোশাক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক পৌনে ২টার দিকে এয়ারপোর্ট পুলিশ (এপিবিএন) হেডকোয়ার্টার সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত মৃত নারীর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অসুস্থতাজনিত কারণেই তার মৃত্যু হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, আশপাশের মানুষের সঙ্গে কথা বলেও ওই নারীর পরিচয় জানা যায়নি। পরিচয় শনাক্তে প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হচ্ছে।

শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আসাদ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক জানান, তিনি মারা গেছেন।

পুলিশ জাননা, ভোরের দিকে কোনো অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় তার মৃত্যু হতে পারে। বিষয়টি নিশ্চিত করতে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে।

কামরাঙ্গীরচর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আক্কাস মিয়া জানান, লোহার ব্রিজের পাশে ময়লার ডিপোর সামনে বৈদ্যুতিক খুঁটির পাশে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখা যায়।

দেশে অজ্ঞাত লাশের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে কেন?। চলতি বছর সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী শুধু আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামই ৬০৯টি অজ্ঞাত মরদেহ সৎকার করেছে। শুধু ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিসাব এটি। কিন্তু এত মরদেহ কোথা থেকে আসে? প্রশাসন এ নিয়ে চুপ কেন? কী করছে তারা?

বিকেল পৌনে চারটার দিকে রমনা থানা পুলিশের একটি দল তাকে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তার পরিচয় সনাক্তের জন্য সিআইডির ফরেনসিক টিমকে খবর দেওয়া হয়। কিন্তু লাশ পচে যাওয়ায় আঙলের ছাপ নেওয়া যায়নি।