Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশেষ প্রতিবেদন

যাচাই ছাড়া এজেন্সির তালিকা, মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে আবারও সিন্ডিকেটের শঙ্কা

আব্দুস সবুর

আব্দুস সবুর

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২: ২১
যাচাই ছাড়া এজেন্সির তালিকা, মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে আবারও সিন্ডিকেটের শঙ্কা

অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে নানা অভিযোগ ও সংকটে বৈদেশিক শ্রমবাজার সংকুচিত হয়েছে। ২০২৪ সালের মে মাসের পর থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। এর আগেও নানা অভিযোগের কারণে দেশটির শ্রমবাজার বন্ধ হয়েছে। আবার তাদের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের দিয়ে গড়ে ওঠা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কর্মী নিয়োগের সবকিছু পাকাপোক্ত করে শ্রমবাজার খুলেছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তবে দেশটির শ্রমবাজারে কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে গত বছর ১০ মানদণ্ড নির্ধারণ করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে একটি চিঠি দিয়েছিল মালয়েশিয়া। পরে গত বছরের ২৯ অক্টোবর মন্ত্রণালয় সেই মানদণ্ডগুলো বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করে। সর্বশেষ অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে শর্ত পূরণের তথ্য সেভাবে যাচাই না করেই একটি তালিকা মালয়েশিয়ার কাছে পাঠিয়েছে মন্ত্রণালয়। এতে আবার পুরনো সিন্ডিকেট ফিরে আসবে বলে জানিয়েছে এজেন্সি মালিকরা।

বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সির কয়েকজন মালিক জানিয়েছেন, পৃথিবীর কোনো দেশ এভাবে কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে শর্ত দেয় না। সিন্ডিকেট চক্র নিজেদের লোকদের কাজ দিয়ে এই শর্তের টোপ দিয়েছে। আর আগের সরকার সেই টোপ গিলেছে। ফলে আবার সিন্ডিকেট হবে।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে ১০টি শর্তের মধ্যে ছয়টি শর্ত পূরণ করা সাপেক্ষে তিন শটির বেশি এজেন্সির একটি তালিকা মালয়েশিয়া দূতাবাসে পাঠানো হয়। তবে মালয়েশিয়ার কর্মী পাঠানোর জন্য এক হাজারের বেশি এজেন্সির শর্ত পূরণের তথ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছিল। সেখান থেকে কোনো তথ্য সেভাবে যাচাই-বাছাই না করেই মালয়েশিয়ার কাছে পাঠানো হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

একাধিক এজেন্সি মালিক জানিয়েছে, যার যেভাবে ইচ্ছা সত্য-মিথ্যা তথ্য দিয়ে মন্ত্রণালয়ে মালয়েশিয়ায় কাজের জন্য মন্ত্রণালয়ে তথ্য জমা দিয়েছিল। তবে এসব তথ্যের কিছুই যাচাই না করে তালিকা করে এজেন্সিদের নাম পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ার কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়াকে ‘অস্বচ্ছ ও ত্রুটিপূর্ণ’ বলে মন্তব্য করেছেন ব্র্যাকের মাইগ্রেশন অ্যান্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান। তিনি বলেন, “গত দেড় বছর ধরে মালয়েশিয়ার কর্মী নিয়োগ বন্ধ। এখন আবার এজেন্সি বাছাইয়ের নামে যেসব শর্ত দেখা যাচ্ছে, তাতে আবারও গুটিকয়েকের হাতে ব্যবসা চলে যাবে। আসলে মালয়েশিয়ার কর্মী নিয়োগে কোনোভাবেই সিন্ডিকেট থাকা উচিত নয়। স্বচ্ছ প্রক্রিয়া ছাড়া কর্মী পাঠানো উচিত হবে না। দুই দেশের সরকার এ ব্যাপারে দৃঢ় অবস্থানে থাকলে মালয়েশিয়া অবশ্যই স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কর্মী নিতে বাধ্য হবে।”

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সিন্ডিকেট যেভাবে এসেছে

২০১৫ সালের আগে নানা অভিযোগ ও কারণে দফায় দফায় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হয়। ওই বছর ১০টি জনশক্তি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়েছিল মালয়েশিয়া। এটা ‘সিন্ডিকেট’ নামে পরিচিতি পায়। জিটুজি প্লাস নামের এই পদ্ধতিতে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ বন্ধ করে দেয় দেশটি। তারপর ২০২২ সালের আগস্টে আবার শ্রমবাজার খুলে দেওয়া হয়। সব এজেন্সির জন্য উন্মুক্ত রাখার আন্দোলন হলেও তা করা হয়নি শেষ পর্যন্ত। প্রথমে ২৫ এজেন্সি দায়িত্ব পেলেও পরে এটি বাড়িয়ে ১০০ এজেন্সি করা হয়। ২০২৪ সালের মে মাসে এই শ্রমবাজার বন্ধ হওয়ার পর নতুন করে কর্মী পাঠানোর জন্য ১০টি শর্ত দিয়েছে মালয়েশিয়া। এসব শর্তের মাধ্যমে আবারও সূক্ষ্মভাবে সিন্ডিকেট সদস্যরা কাজ করতে পারবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূ্সের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক। ছবি: বাসস
নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূ্সের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক। ছবি: বাসস

কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সিন্ডিকেটের মূল হোতা হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দেশটির এক নাগরিক। বাংলাদেশে তার প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন রিক্রুটিং এজেন্সি মালিকদের কয়েকজন। এ ছাড়া দুই দেশের রাজনৈতিক প্রভাবশালীরাও এর সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। এই প্রভাবশালীরা মূলত কর্মী নিবন্ধন, ভিসা ক্রয়সহ নানা কাজে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে থাকেন এবং টাকা পাচারের সঙ্গে জড়িত বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নতুন শর্তে ফিরতে পারে সিন্ডিকেট

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালু করতে প্রচেষ্টা ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের। ২০২৫ সালের ২৮ অক্টোবর মালয়েশিয়া থেকে ১০টি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে রিক্রুটমেন্ট এজেন্সিদের তালিকা চাওয়া হয়। এর পরিপ্রক্ষিতে একদিন পর ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিকে (বায়রা) একটি চিঠি দেয় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। চিঠিতে যেসব এজেন্সি শর্ত পূরণ করতে পারবে–এমন এজেন্সিগুলোর নিবন্ধন করতে বলা হয়। সর্বশেষ ছয়টি শর্ত পূরণ করা এজেন্সিগুলোর তালিকা পাঠিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

শর্তগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল–

  • লাইসেন্স প্রাপ্তির পর ন্যূনতম পাঁচ বছর সন্তোষজনক কার্যক্রম পরিচালনার অভিজ্ঞতা
  • বিগত পাঁচ বছরে বিদেশে ন্যূনপক্ষে তিন হাজার কর্মী পাঠানোর প্রমাণ
  • বিগত পাঁচ বছরের মধ্যে অন্তত তিনটি ভিন্ন ভিন্ন গন্তব্য দেশে কর্মী পাঠানো ও কর্মসংস্থানের অভিজ্ঞতা
  • সামগ্রিক সুবিধাদিসহ রিক্রুটিং এজেন্সির নিজস্ব প্রশিক্ষণ ও মূল্যায়ন কেন্দ্র
  • এজেন্সির অনুকূলে পৃথক পৃথক পাঁচজন আন্তর্জাতিক নিয়োগকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত সন্তোষজনকভাবে অভিবাসন কার্যক্রম সম্পাদানের প্রশংসাপত্র
  • রিক্রুটিং এজেন্সির অবশ্যই কমপক্ষে তিন বছর যাবৎ পরিচালিত ন্যূনতম ১০ হাজার বর্গফুট আয়তনবিশিষ্ট একটি স্থায়ী অফিস থাকতে হবে

শর্তগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সর্বশেষ মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠিয়েছিল যে ১০২টি এজেন্সি, তাদের অনেকের পক্ষেও এই শর্ত পূরণ সম্ভব নয়। তবে কিছু বড় এজেন্সি এই শর্ত পূরণ করতে পারবে। এই শর্তের কারণে আবারও সূক্ষ্মভাবে সিন্ডিকেট তৈরি হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বায়রার সদস্য এক রিক্রুটিং এজেন্সির মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে চরচাকে বলেন, “এসব শর্ত অল্প কিছু এজেন্সি রয়েছে, যারা পূরণ করতে পারবে। ইতিপূর্বে যেসব এজেন্সি সিন্ডিকেট করে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠিয়েছিল, তারা এগুলো পূরণ করতে পারবে। আসলে আরও সূক্ষ্ম সিন্ডিকেট করার জন্যই এসব শর্ত। এ জন্য অনেকে এই ধাপে আবেদনই করেনি।”

তিনি আরও বলেন, “মন্ত্রণালয়ে যারা যেভাবে তথ্য দিয়েছে, সেগুলোর কোনো ক্রস চেক করা হয়নি। বরং ওসব সত্য-মিথ্যা তথ্যের আলোকে একটা তালিকা করে পাঠানো হয়েছে। এতে মন্ত্রণালয়ও সিন্ডিকেটকে সহযোগিতা করছে বলে মনে হচ্ছে।”

বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম চরচাকে বলেন, “এসব অযৌক্তিক শর্ত প্রত্যাহার করতে হবে। কারণ, মালয়েশিয়া কর্মী নেওয়ার ক্ষেত্রে শুধু বাংলাদেশকে এভাবে শর্ত দিয়েছে। অন্য দেশকে এভাবে শর্ত দিতে পারেনি। স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে সিন্ডিকেট করার জন্য এসব শর্ত আরোপ করা হয়েছে। এসব বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সমঝোতা স্মারকের পরিপন্থীও বটে।”

ফখরুল ইসলাম বলেন, নতুন সরকারের উচিত মালয়েশিয়ার সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক আলাপ করে বিষয়টার সমাধান করা। আগামীতে যাতে বৈধ লাইসেন্সধারী সবাই মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে পারে।

এ বিষয়ে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্ট রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার ড. তাসনিম সিদ্দিকী বলেন, “মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধের পর আবার নতুন করে খোলার জন্য এক ধরনের চুক্তি হচ্ছে বলে শুনেছি। তবে এখানেও আবার সিন্ডিকেট হবে। কারণ, যেসব শর্তে এই শ্রমবাজার খোলার প্রক্রিয়া হচ্ছে, তাতে আবার নির্দিষ্ট কিছু এজেন্সিই কর্মী পাঠাতে পারবে। আমরা এমন অস্বচ্ছভাবে কর্মী পাঠানোর পক্ষে নই।”

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ফাইল ছবি
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ফাইল ছবি

এ বিষয়ে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন অ্যান্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান বলেন, “গত চার দশক ধরে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া দেখলে বোঝা যায় প্রতিবার কোনো না কোনো দুর্নীতি বা অনিয়মে এই শ্রমবাজার বন্ধ হয়েছে। এরপর নতুন পদ্ধতির নামে আগের চেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়েছে। গত এক দশকে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া চলে গেছে সিন্ডিকেটের কবলে, যার পেছনে দুই দেশের একটা চক্র জড়িত। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এই চক্রের কেউ জড়িত থাকলে দুর্নীতি ও টাকা পাচার হতেই থাকবে। সর্বস্বান্ত হবে সাধারণ মানুষ।”

এ বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

তবে গত ২২ ফেব্রুয়ারি বায়ারা সদস্যদের একাংশের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকার মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের কাজ অনেকটা এগিয়ে নিয়ে গেছে। তারা মালয়েশিয়ার দেওয়া শর্ত পূরণ করা এজেন্সিদের তালিকা দূতাবাসে পাঠিয়েছে। এখন সেভাবে আর কিছু করার নাই। তবে আমরা চেষ্টা করব, কম টাকায় ও স্বচ্ছভাবে যাতে দেশের মানুষরা বিদেশ যেতে পারে।”

বিষয়: প্রবাসীশ্রম বাজারসিন্ডিকেটমালয়েশিয়াঅন্তর্বর্তী সরকারকর্মী
সর্বশেষ
  • ১

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ২

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৩

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৪

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

  • ৫

    ‘২৪ ঘণ্টা হল খোলা চাই, এইখানে একটা মিসলিডিং আছে’

সম্পর্কিত
  • সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

    সংকটে পড়া পাঁচ ব্যাংক একীভূত হয়ে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে আমানত ফেরত দেওয়া চলছে। টাকা তোলার জন্য আবেদন গ্রহণ শুরুর পর প্রথম তিন দিনে ৫৮ হাজার ৭৪৫ জন গ্রাহক মোট ৩ হাজার ৩০৪ কোটি টাকা উত্তোলনের আবেদন করেছেন। এর মধ্যে ৭ থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দিনে ২৬ হাজার ৫৬ জন গ্রাহক ব্যাংক থেকে মো

  • সিলেট নগরে যানজট: দায় কার, হকার নাকি অবৈধ পার্কিংয়ের?

    সিলেট নগরে যানজট: দায় কার, হকার নাকি অবৈধ পার্কিংয়ের?

    ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি জানান, যানজটমুক্ত ও সুন্দর সিলেটের কথা চিন্তা করে এই আধুনিক লাক্সারি বাসস্ট্যান্ড তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু ঘুরেফিরে ওই মূল রাস্তাতেই বাস দাঁড় করিয়ে যাত্রী তোলা হয়। এসব দেখার বা বলার কেউ নেই।

  • আশুলিয়ায় ‘ট্রিপল মার্ডার’, যা জানা গেল

    আশুলিয়ায় ‘ট্রিপল মার্ডার’, যা জানা গেল

    ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়ার ‘ট্রিপল মার্ডারের’ রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। প্রাথমিক তদন্তে হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে পরকীয়া সংক্রান্ত বিরোধের তথ্য পাওয়ার কথা বলছে সংস্থাটি। এ ঘটনায় মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই। সোমবার মধ্যরাতে তাকে আশুলিয়ার নরসিংহপুর থেকে

  • এজেন্টদের অভিযোগ এন্তার, বিকাশ বলছে ‘ভিত্তিহীন’

    এজেন্টদের অভিযোগ এন্তার, বিকাশ বলছে ‘ভিত্তিহীন’

    মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান বিকাশ–এর বিরুদ্ধে এজেন্টদের ওপর ডিপিএস ও লেনদেনের টার্গেট পূরণে চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। অবশ্য বিকাশ এসব অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলেই উড়িয়ে দিয়েছে। ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপে