Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> প্রবাস

গ্রিসে অভিবাসী পুলিশের হেফাজতে এক বাংলাদেশির মৃত্যু

বিডিজেন ডেস্ক

প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০২৪, ১৭: ৪৩
গ্রিসে অভিবাসী পুলিশের হেফাজতে এক বাংলাদেশির মৃত্যু

গ্রিসে অভিবাসী পুলিশের হেফাজতে এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। ১ অক্টোবর (মঙ্গলবার) তিনি মারা গেছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

২৯ বছর বয়সী মৃত এই বাংলাদেশির নাম খালিস মিয়া। তাঁর বাড়ি সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায়।

জানা গেছে, খালিস মিয়া রাজধানী এথেন্সের একটি থানার হাজতে আটক ছিলেন।

এদিকে এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের দাবি করেছে গ্রিসের বাংলাদেশ দূতাবাস ও অভিবাসন সংস্থাগুলো।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বাংলাদেশ দূতাবাস সোমবার (৭ অক্টোবর) ইনফোমাইগ্রেন্টসকে বলেছে, আমরা এটিকে আপাতত অপমৃত্যু হিসেবে দেখছি। বাকিটা তদন্তে জানা যাবে।

মৃত খালিস মিয়াকে বাংলাদেশি অধ্যুষিত ওমোনিয়া এলাকা থেকে পুলিশের গাড়ির ক্ষতি করার অপরাধে আটক করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তিনি একজন অনথিভুক্ত অভিবাসী ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) সকালে পুলিশ সদস্যরা খালিস মিয়াকে ঝুলন্ত অবস্থায় ঝুলতে দেখতে পান। তাকে যে সেলে রাখা হয়েছিল, সেখানে আরও ১১ জন বন্দী ছিলেন।

অভিবাসীর মৃত্যুর ঘটনা এথেন্সের প্রসিকিউটরকে জানানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে গ্রিক পুলিশ।

এ ছাড়া, একজন মেডিকেল পরীক্ষক ও ফৌজদারি অধিদপ্তরের একটি ইউনিট ঘটনা তদন্তের জন্য ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

গ্রিসে সদ্য নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নাহিদা রহমান সুমনা এ ঘটনার বিষয়ে সোমবার ইনফোমাইগ্রেন্টসকে বলেন, ‘এ ঘটনায় আমি খুবই কষ্ট পেয়েছি। গ্রিসের মতো দেশে এটি মেনে নেওয়া কষ্টের। কর্তৃপক্ষ আমাদের এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। আমরা তাদের কাছে বিস্তারিত জানতে চেয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘দূতাবাসের পক্ষ থেকে মৃতের একজন ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। আমরা দেশে অবস্থানরত তার মায়ের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি। পরিবারের সম্মতি মিললে এ ঘটনায় ন্যায় বিচার পেতে আমাদের পক্ষ থেকে একজন আইনজীবী নিয়োগ করা হবে।’

গ্রিসে এ নিয়ে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে দুজন অভিবাসী পুলিশের হেফাজতে মারা গেলেন। গত মাসে একজন পাকিস্তানি অভিবাসী একই থানায় মারা গেলে এ বিষয়ে বিশদ তন্তের আদেশ দিয়েছেন দেশটির বিচার বিভাগ। গ্রিক পুলিশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় আইন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে৷ এর ফলে গ্রিক পুলিশ নিয়মিতভাবে বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ শাস্তিমূলক পদ্ধতির সম্মুখীন হয়৷ তবে এসব অভিযোগে শাস্তির মাত্রা খুব কমই বলে অভিযোগ করে আসছেন অধিকার কর্মীরা৷

এ ঘটনার বিষয়ে ইনফোমাইগ্রেন্টসের সঙ্গে কথা বলেছেন দেশটির অভিবাসন সংস্থা কেরফার পরিচালক ও এথেন্স মিউনিসিপ্যালিটির কাউন্সিলর পেট্রোস কনস্টান্টিনো।

তিনি বলেন, 'গ্রিসে বর্তমানে বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশি সহিংসতার মুখোমুখি হচ্ছেন অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীরা। বাংলাদেশি খালিস মিয়াকে আটকের মাত্র দেড় ঘণ্টা পর তিনি মারা গেছেন। আমরা মনে করছি সহিংস ঘটনায় তার মৃত্যু হয়েছে।'

তিনি আরও বলেন, 'পুলিশ প্রথমে বলেছিল খালিস মিয়া পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করেছে। আমরা সেই গাড়ি দেখতে চাইলে তারা জানায় সে গাড়ির আয়না ভেঙেছে। তার মানে একটি গাড়ির আয়নার জন্য একজন অভিবাসীর প্রাণ চলে গেল? গত মাসে এক পাকিস্তানি অভিবাসীও এভাবে মারা গেল। আমরা তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছি এবং প্রথম ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছি।'

এ ঘটনায় সোমবার আটক কেন্দ্র এবং হাজতে বন্দিদের অধিকার নিয়ে দায়িত্বরত জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেছে কেরফাসহ অভিবাসন ও অধিকার সংগঠনগুলো।

এদিকে খালিস মিয়া মৃত্যুর প্রতিবাদে আগামী ১২ অক্টোবর ঘটনাস্থলে সামনে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশি কমিউনিটি ইন গ্রিস, বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ, অভিবাসন সংস্থা কেরফাসহ বেশ কয়েকটি সংগঠন।

সূত্র: ইনফোমাইগ্রেন্টস

বিষয়: যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতপ্রবাসী মৃত্যুবাংলাদেশ দূতাবাসঅভিবাসী
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়

    সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়

    ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

  • টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ

    টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ

    বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

  • অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত

    অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত

    দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

  • নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন

    নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।