
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
অভিবাসীদের সুরক্ষা নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নতুন নিয়ম করেছে মালদ্বীপ। বিভিন্ন কোম্পানি থেকে পলাতক বা নিখোঁজ (মিসিং) প্রবাসী কর্মীদের বৈধকরণ বা নিয়মিতকরণের জন্য একটি নির্দেশনা জারি করেছে দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি অ্যান্ড টেকনোলজি মন্ত্রণালয়।
এই নির্দেশনার আলোকে ৩০ দিনের মধ্যে মিসিং রিপোর্ট বাতিল করার আবেদন করা যাবে। এই সময় অতিবাহিত হওয়ার পর মিসিং রিপোর্ট বাতিলের জন্য নিয়োগকারীকে ১০ হাজার রুফিয়া (প্রায় ৬৫০ ইউএস ডলার) ফি দিতে হবে। নতুন মিসিং রিপোর্টের জন্য ফি দিতে হবে এক হাজার রুফিয়া।
বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) সরকারি গেজেট প্রকাশ করে দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি অ্যান্ড টেকনোলজি মন্ত্রণালয়। এতে বলা হয়, ৬ অক্টোবর থেকে এটি কার্যকর হবে।
গেজেটে আরও বলা হয়, কোনো কর্মী তার কোম্পানির গাফিলতির কারণে পালিয়ে গেলে কোম্পানিকে দুই হাজার রুফিয়া জরিমানা ধার্য করা হবে। মালদ্বীপে বিভিন্ন কর্মস্থল থেকে নিখোঁজ অভিবাসী কর্মীদের শনাক্তকরণ সংক্রান্ত তথ্য আগামী সপ্তাহের পর থেকে প্রবাসী সিস্টেমে জানানো হবে।
পরিবর্তিত নিয়মগুলো ডিজিটাল অনলাইন প্ল্যাটফর্ম (এক্সপ্যাট) ব্যবহারকারীদের জন্য এই সিস্টেমের হোমপেজে রূপরেখা জানিয়ে দিয়েছে।
মালদ্বীপের বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রম কাউন্সিলর মো. সোহেল পারভেজ বলেন, মিসিং রিপোর্ট বাতিলের এই সুযোগের মাধ্যমে অনিয়মিত কর্মী যারা বিভিন্ন সময় কোম্পানি থেকে পালিয়েছেন তারা মালদ্বীপ সরকারের নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়ার আওতায় বৈধ হওয়ার সুযোগ পাবেন।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।